মন্তব্য

'ইশতেহারে নারীর নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স নীতি থাকা উচিৎ'

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

'ইশতেহারে নারীর নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স নীতি থাকা উচিৎ'

  অনলাইন ডেস্ক

দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদান বাড়লেও ক্ষমতায়নের দিক দিয়ে এখনও পিছিয়ে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর অল্প কিছু দিন বাকী। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা শুরু করেছে। নারীর ক্ষতায়নের পথ সুগম করতে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে জোরাল কিছু প্রস্তাব থাকবে- এমনটা আশা করছেন নারীরা। নারীর ক্ষমতায়ন ও নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর উন্নয়ন নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচী  

দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নারীরা অবদান রাখছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে নারীরা উন্নতি করেছে, কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখছে। তাই নারীকে ক্ষমতায়িত করতেই হবে। এ জন্য সমাজের একদম নিম্ন পর্যায় থেকে সংস্কার প্রয়োজন। এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের ইশতেহারেই জিরো টলারেন্স নীতিতে নারীর নিরাপত্তার বিষয়টি থাকা উচিৎ। সেই সঙ্গে বাল্যবিয়ে বন্ধের ব্যাপারেও নির্বাচনী ইশতেহারে জিরো টলারেন্স নীতি থাকা দরকার। এই দুটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে নারীর ক্ষমতায়নের পথ অনেক সুগম হবে।

গত কয়েক বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রে নারীর অবস্থার উন্নতি হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষা-দীক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোটা নয়, মানসিকতা পরিবর্তন প্রয়োজন। এজন্য দেশে একটা স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশও দরকার। বিগত বছরগুলোর তুলনায় রাজনীতিতেও নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বেড়েছে। হয়তো নারী প্রার্থীর সংখ্যা এখনও পুরুষের তুলনায় কম; কিন্তু আগের চেয়ে বেড়েছে। রাজনীতিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ আগের চেয়ে অনেক বেশি। বলা যায়, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারীরা প্রস্তুতিতে নেমেছে। তারা বাইরে বের হতে শুরু করেছে। কিন্তু নারীকে আরও সামনে আসতে হবে। তাহলে পাঁচ বছর পরে হয়তো রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও নারীর ক্ষমতায়ন বাড়বে। রাতারাতি পরিবর্তন তো সম্ভব নয়; নারীকে নিজের যোগ্যতা দিয়েই এগিয়ে যাবে যদি, বাড়িতে, অফিস-আদালতে ও কর্মক্ষেত্রে তাদের যোগ্যতাকে পরিচর্যা করা হয়। কর্মক্ষেত্রে কোটা না থাকলেও সেটা নারীর যোগ্যতাকে প্রভাবিত করবে না। তবে কোটা থাকতে হবে বিশেষ সম্প্রদায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য।

মন্তব্য


অন্যান্য