মন্তব্য

তফসিল পেছানোর দাবি ইসির মানা উচিত: বদিউল আলম

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮

তফসিল পেছানোর দাবি ইসির মানা উচিত: বদিউল আলম

  অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক সপ্তাহ পেছানোর ঘোষণা দিলেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভোট এক মাস পেছানোর দাবিতে অনড় রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ইসির বিপরীতমুখী এমন অবস্থান নিয়ে সমকাল অনলাইনকে নিজের মতামত জানিয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে ইসির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা উচিত। রাজনৈতিক দল যেহেতু দাবি করছে তাই ইসির তা মানা দরকার। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ইচ্ছে করলে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে। আমি আশা করি ঐক্যফ্রন্টের দাবি বিবেচনায় নেবে ইসি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইলে ইসির নমনীয়তা দেখানো উচিত। 

২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনের তফসিল দুইবার পেছানো হয়েছিল। সে বিষয়টি স্মরণ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিএনপির দাবির প্রেক্ষিতে তখন দু্ইবার তফসিল পেছানো হয়েছিল এবং তাদের কিছু দাবি মেনে নেওয়া হয়েছিল। 

সব দলের অংশগ্রহণে একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন তিনি আশা করেন বলে জানান বদিউল আলম মজুমদার।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'অরিত্রির সঙ্গে শিক্ষকদের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত, দুর্ভাগ্যজনক'


আরও খবর

মন্তব্য

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষকের কাছে বাবা-মায়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে সোমবার রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি অধিকারী আত্মহত্যা করেছে। স্কুলের পরীক্ষায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকল করার অভিযোগে ওইদিন অরিত্রির বাবা-মাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। মেয়ের হয়ে বারবার ক্ষমা চান অরিত্রির মা-বাবা। কিন্তু স্কুলের অধ্যক্ষ তা না শুনে অরিত্রিকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার ঘোষণা দেন। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ফিরেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে অরিত্রি।

একজন শিক্ষার্থীর প্রতি শিক্ষকদের এমন আচরণ এবং পরিণতিতে তার মৃত্যু নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক  

একটা শিশু যদি ভুল করে তা নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতি রয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থী অরিত্রি মাত্র ক্লাস নাইনে পড়ত। তার মানে তো সে শিশুই। কিন্তু তার সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকরা যে আচরণ করেছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। হাইকোর্টের নির্দেশ আছে, শিশুদের ওপর কোনরকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা যাবে না। তাদের সঙ্গে সঠিক আচরণ করতে হবে। কিন্তু অরিত্রির ক্ষেত্রে তা হয়নি। তাকে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে। অরিত্রির সামনে তার বাবা-মাকেও অপমান করা হয়েছে। আর এই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পারে সে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। আমরা চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। এ ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হোক। এরকম ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি যদি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে এটা চলতেই থাকবে। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হলে অন্যরা এ ধরনের অপরাধ করা থেকে বিরত থাকবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'ইভিএম নিয়ে ইসি আস্থা তৈরি করতে পারেনি'


আরও খবর

মন্তব্য

  অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে এই পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণে আপত্তি জানায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তবে ক্ষমতামীন দল আওয়ামী লীগ বলছে, ইভিএমে ভোট গ্রহণের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিলে তাদের আপত্তি থাকবে না। এ অবস্থায় সোমবার দেশের ৬টি সংসদীয় আসনে সব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট গ্রহণ চূড়ান্ত করে ইসি। বিষয়টি নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ

এটা খুবই দুঃখজনক যে আমাদের ভাবনা ও কর্মের ভেতর দ্বন্দ্ব কাজ করে। সব যন্ত্রের কিছু ভাল এবং কিছু মন্দ দিক থাকে। যন্ত্রটা ভাল ফল দেবে কিনা তা নির্ভর করে সেটা কে পরিচালনা করছেন তার ওপর। যে ইভিএম নিয়ে এখন বিতর্ক হচ্ছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় এর পক্ষেও অনেক কথা হয়েছে। 

নির্বাচন কমিশন কয়েকটি জায়গায় ইভিএমে ভোট নিতে চায়। সেটা তারা করতেই পারে; কিন্তু কথা হচ্ছে, এই পদ্ধতির ব্যবহার ইসি অনেক জায়গায় করতে পারত। এর আগে আমাদের কয়েকটি ভোট হয়ে গেল। সেখানে তারা পদ্ধতিটা যদি ভালোভাবে ব্যবহার করত; তাহলে রাজনৈতিক দল ও ভোটারের মধ্যে এ ব্যাপারে আস্থা তৈরি হতো। কিন্তু খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভোটার, সুশীলসমাজ ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে পারেনি। আর সে কারণেই ইভিএম নিয়ে সবাই বিভক্ত হয়ে পড়েছে, এতো কথা হচ্ছে। আরেকটা ব্যাপার হলো, বিশ্বের অনেক জায়গায় ইভিএমে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আবার কিছু কিছু জায়গায় এখনও চালু আছে। যারা বন্ধ করছে, তারা মনে করছে, এ পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ নিরাপদ নয়। তাই তারা ম্যানুয়াল পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। 

আমাদের দেশে ইভিএমে ভোট গ্রহণ পুরোপুরি নেতিবাচক বলা যাচ্ছে না। কারণ আগেই বলেছি, যন্ত্র ভাল কি মন্দ সেটা নির্ভর করে কিভাবে সেটা পরিচালনা করা হচ্ছে তার ওপর। তাই বলে, ইসি পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার করতে পারবে না, সেটা বলছি না। তবে ইসি যদি এ ব্যাপারে আস্থা তৈরি করতে পারে, তাহলে কয়েকটা নয়, অনেক কেন্দ্রেই ইভিএমে ভোট নিতে পারবে। 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'আদর্শিকভাবে আমি প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ঘোর বিরোধী'


আরও খবর

মন্তব্য

পরীক্ষার্থীদের ফাইল ছবি

  সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

গত বোরবার থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা। এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩১ জন।পরীক্ষার প্রথমদিনে ইংরেজি পরীক্ষায় গোটা দেশে অনুপস্থিত ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ১৬৮ জন পরীক্ষার্থী। গত বছরও প্রথমদিনে ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮৩ জন অনুপস্থিত ছিল। প্রামথিক সমাপনী পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ এবং এই পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

প্রথমত, আমার কাছে এটা খুবই অপ্রয়োজনীয় একটা পরীক্ষা মনে হয়। শিশুদের কাছে এটা একটা বোঝার মতো। এই পরীক্ষা নিয়ে কার স্বার্থ যে রক্ষা হচ্ছে কে জানে। তবে একমাত্র নোটবুক আর টিউশন বাণিজ্য যারা করছে তাদের ছাড়া কারও স্বার্থ রক্ষা হওয়ার কথা নয়। শিশুরা তোতা পাখির মতো পড়া মুখস্থ করে পরীক্ষার হলে বসছে। এ ধরনের পরীক্ষার কোনো অর্থ নেই। আদর্শিকভাবে আমি এই পরীক্ষার ঘোর বিরোধী।

প্রতি বছরই প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকছে। এর অনেক কারণও আছে। গ্রাম আর শহরে পড়াশোনার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। গ্রামে দক্ষ প্রাইমারী শিক্ষকেরও ঘাটতি আছে। একটা অসম শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে শিশুরা বেড়ে উঠছে। এরকম একটা পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে শিশুরা ভয় পাচ্ছে। প্রতি বছরই পরীক্ষার আগে অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই কারণেও অনেকে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী অনেক শিশু আবার বাড়িতেও কাজ করে। এসব মিলিয়েই প্রতি বছর পরীক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকছে। আমি চাইবো, আগামী বছর থেকেই যেন কোমলমতি শিশুদের এ ধরনের পাবলিক পরীক্ষা থেকে মুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর