মন্তব্য

আইন করে ফেলে রাখলে সূচকে অগ্রগতি হবে না: ড. জাহিদ হোসেন

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৮

আইন করে ফেলে রাখলে সূচকে অগ্রগতি হবে না: ড. জাহিদ হোসেন

  অনলাইন ডেস্ক

কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন ও তার বাস্তবায়ন কতটুকু সহজ বা কঠিন তার ওপর বিশ্বব্যাংকের তৈরি সূচকে বাংলাদেশের এক ধাপ উন্নতি হয়েছে। তবে কোনো কোনো মানদণ্ডে বিশেষ করে ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থানে অবনতি হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ডুয়িং বিজনেস-২০১৯ এ এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৬তম। ১০০ স্কোরকে সর্বোত্তম ধরে এবার বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৯৭; যা আগের বছর ছিল ৪১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৭তম।

ব্যবসা বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন সহজীকরণে দেশের অবস্থা এবং ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অবস্থার অবনতি প্রসঙ্গে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন

ব্যবসা শুরু করা,ব্যবসা চালু রাখা,ব্যবসা গোটানো- তিন পর্যায়েই যে ধরনের নিয়ম-কানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং কে কতটা ব্যবসা করতে পারল সেই বিচারে ওই সূচক হিসাব হয়। আমাদের সার্বিক অবস্থা ১৯০ এর মধ্যে ১৭৬; যা সূচকের মানদণ্ডে খুবই নিচে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সবার চেয়ে আমরা পেছনে। এমনকী নেপাল,আফগানিস্তানও আমাদের চেয়ে এগিয়ে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ম-কানুনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা প্রতিটা পর্যায়েই। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাও খুব দুর্বল। বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রাইভেটাইজেশন কমিশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (বিডা) তৈরি করা হল। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নেতৃত্বে ক্লিন ব্যবসায় আমাদের র্যাং কিং ২০২১ সালের মধ্যে কিভাবে ট্রিপল ডিজিট থেকে ডাবল ডিজিট অর্থাৎ ১০০ এর নিচে নিয়ে আসা যায় তার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ জন্য একটি কমিটিও হয়েছে। প্রতিটি সূচক সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা ও অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে; যেখানে বাস্তবায়ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা বিডার। কাজগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য কিছু আইনি পদেক্ষপ যেমন, ওয়ান স্টপ শপসহ কিছু আইন পাস করা হলো। কিছুদিন আগেও কোম্পানি ল-১৯৯৪ সংশোধনে কিছু কাজ হলো। তবে আইনটি কেবিনেটে পৌঁছেনি। শুল্ক আইন পাশ হলো। ২০১৪ সালে সেটি প্রথম অনুমোদন পেয়েছিল।  তারপর অনেক দিন এটি স্থবির অব্স্থায় ছিল। আইনটি কিছুদিন আগে চূড়ান্ত অনুমোদন পায় কেবিনেটে। এরপর যায় পার্লামেন্টে, তবে এখনও পাস হয়নি।

এ ধরনের কিছু কিছু কাজ হচ্ছে। আসলে আমরা কাজ শুরু করি, কিন্তু বাস্তবায়নে গিয়ে আটকে যাই। ফিনিশিং লাইনটা অতিক্রম করতে পারি না! কিন্তু শুধু আইন করলে তো হবে না। একটা ওয়ান স্টপ শপ তো সৃষ্টি করতে হবে। কয়েকটা জায়গায় এটা হতে পারে। ব্যবসায় হতে পারে,বেচাকেনার ক্ষেত্রে হতে পারে। ব্যবস্থাটা এমন হওয়া উচিৎ যেখানে অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স,এক্সপোর্ট সার্টিফিকেট,গার্মেন্টের ক্লিয়োরেন্স ইত্যাদির জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুয়ারে দুয়ারে ধর্ণা দিতে হবে না। এজন্য সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে 'এক ছাতার নিচে' আসতে হবে।

সিস্টেম ডেভেলেপমেন্টে আমাদের অনেক দেরি হচ্ছে। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। উচ্চ পর্যায় থেকে যদি চাপ, ফলোআপ না থাকে তাহলে এগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে না। আর বাস্তবায়ন না হলে সমস্যা থেকেই যাবে। আইন পাস করে ফেলে রাখলে তো আর সূচকে অগ্রগতি হবে না। এজন্য সদিচ্ছা যেমন দরকার, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাও গড়ে তোলা দরকার। আইনি যেসব সংস্কার হচ্ছে সেগুলোও বাস্তবায়নের পর্যায়ে নিতে হবে।  


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'আরসিবিসির সাবেক কর্মকর্তার সাজা একইসঙ্গে ইতিবাচক ও লজ্জাজনক'


আরও খবর

মন্তব্য

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ— ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংক করপোরেশনের (আরসিবিসি) সাবেক কর্মকর্তা মায়া সান্তোস দেগিতোকে কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বৃহস্পতিবার আদালতের এ সংক্রান্ত রায়ে দেগিতোকে তার বিরুদ্ধে আনা অর্থ পাচারের ৮টি অভিযোগের সবকটিতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মামলায় বিচার চলছে দেশটির আরও পাঁচ ব্যাংক কর্মকর্তার।

প্রায় তিন বছর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া ১০ কোটি ১০ লাখ ডলারের পুরোটা উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আরসিবিসির সাবেক কর্মকর্তা মায়া সান্তোস দেগিতোর সাজা এক্ষেত্রে কতটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে— সে বিষয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ

আরসিবিসির সাবেক কর্মকর্তা মায়া সান্তোস দেগিতোর সাজা হওয়ার ঘটনাটি একইসঙ্গে ইতিবাচক, আবার বাংলাদেশের জন্য লজ্জাজনক। এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হয়, বাংলাদেশ থেকে অর্থ চুরি হয়েছে, জালিয়াতি হয়েছে। ঘটনাটি লজ্জাজনক এই জন্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা সরকার এ বিষয়ে উদাসীন। রিজার্ভের অর্থ চুরির কথা আমরা জেনেছি ফিলিপাইনের পত্রিকার মাধ্যেম। দেশটিতে এ নিয়ে হৈচৈ হয়েছে, সিনেটে আলোচনা হয়েছে। সেখানকার সরকার উদ্যোগী হয়ে এই জালিয়াতির বিচার করছে।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়, রিপোর্টও দেওয়া হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। দেশের ভেতর কেউ জড়িত না থাকলে এতো বড় ঘটনা ঘটার কথা নয়। দেশের সম্পদ যে নাজুক অবস্থায় আছে সেটা এই অর্থ পাচারের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে। ব্যাংকের সুরক্ষায় যে ফাটল রয়েছে সেটাও বোঝা গেছে। ফিলিপাইনে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার সাজার সূত্র ধরে হয়তো কিছু অর্থ উদ্ধার হবে; তবে পুরোটা হবে কিনা সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। কারণ ঘটনাটির যেমন অনুসন্ধান হওয়া উচিত ছিল সেটা হয়নি। কারা এটা করল, কীভাবে করল, আগামীতেও এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে কীনা সেটা ফাঁকাই রয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'চ্যালেঞ্জ নয়, নতুন সরকারের সামনে অনেক সুযোগ'


আরও খবর

মন্তব্য

  অনলাইন ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগ। খুব শিগগিরই গঠন হবে নতুন সরকার। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন সরকারকে কি ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে তা নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক রাষ্টদূত এম হুমায়ুন কবীর

চ্যালেঞ্জ নয় বরং নতুন সরকারের সামনে অনেক সুযোগ রয়েছে। দেশে যে উন্নয়নের ধারা চলছে সেটা ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে পারে।এজন্য দেশে বাণিজ্যিক পরিবেশ আরও উন্নত করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে সংস্কারও করা প্রয়োজন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ অর্থাৎ কর আদায়ের ব্যাপারে সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে। এক্ষেত্রেও কিছু বিষয় সংস্কার করা প্রয়োজন। রাতারাতি উন্নয়ন তো সম্ভব নয়। এ জন্য অর্থের প্রয়োজন । সে কারণে অর্থ সংগ্রহ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেসরকারি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। সরকার হয়তো মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি খাতে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। এ কারণে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

আভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোরও চেষ্টা করতে হবে সরকারকে। শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে যাতে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়ে, সেজন্য আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করতে হবে সরকারকে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা খুবই জরুরি। সুশাসন নিশ্চিত না হলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হবে। সকলের অংশদারীত্ব নিয়ে এগুতে পারলে রাষ্ট্র টেকসই উন্নয়নের চেহারা পাবে। দেশের মানুষও তাদের কথা মনে রাখবে।    

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নীতি বা পরিকল্পনা নেই


আরও খবর

মন্তব্য

ইশতেহার ২০১৮: বিশিষ্টজনের চোখে

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নীতি বা পরিকল্পনা নেই

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আয়শা খানম

রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করছে এবং একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে- এ বিষয়টিকে স্বাগত জানাই। সামাজিক-অর্থনৈতিক বিকাশ, উন্নয়ন ও প্রগতির জন্য ধারাবাহিক প্রক্রিয়া থাকা জরুরি। কিন্তু ধারাবাহিকতার প্রক্রিয়াটি নারীর অধিকারের প্রশ্নে অনেক ক্ষেত্রেই করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কোনো পদক্ষেপ, নীতি বা পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে ইশতেহারে তা উল্লেখ নেই।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু করা এবং আসন সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি করা নারী সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি। বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময়ে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল; কিন্তু দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে এর কোনো প্রতিফলন নেই। শুধু তাই নয়, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ২০০৮-এর ৯০নং অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন অর্থাৎ সব রাজনৈতিক দলের কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ নারীর অন্তর্ভুক্তি করা এবং সাধারণ আসনেও অধিকসংখ্যক নারী প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক অঙ্গীকারও ব্যক্ত করা হয়নি।

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন এবং এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি, যা আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ১২নং অনুচ্ছেদে ছিল। পরে প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের ৮ মার্চ নারী দিবসেও এর ঘোষণা দেন; কিন্তু এটি করার জন্য যে প্রস্তুতি দরকার ছিল তা নেওয়া হয়নি। সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের কোনো নির্বাচনী এলাকা নেই। কারণ তারা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হয়ে আসেন। আজ আমাদের স্পিকারও নিজ এলাকায় নির্বাচন করছেন না। রংপুরে নির্বাচন করছেন। এ বিষয়টি রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী সমাজ, শিক্ষক, সংবাদিক, নাগরিক সমাজ সবাইকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ৪০ বছর ধরে রাজনৈতিক কৌশলের নামে কোনোক্রমেই রাজাকার, জামায়াত, যুদ্ধাপরাধী, স্বৈরাচার, ঋণখেলাপি, নারী নির্যাতনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, গডফাদারদের সঙ্গে কোনো ধরনের ঐক্য গড়ে তোলা যাবে না বলে এবং তাদের মনোনয়ন দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছে। কিন্তু রাজনৈতিক সমীকরণগুলো এমন উগ্রভাবে, নীতিহীনভাবে হচ্ছে যে, তা দুঃখজনক। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার না করতে মহিলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে। কিন্তু রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নানাভাবে, নানা ভাষায়, নানা ব্যাখ্যায়, নানা পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। দেশে জবাবদিহিতার প্রক্রিয়াও দুর্বল। এর ফলে রাজনৈতিক দলের নিজেদের ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নেও বাধা তৈরি করবে।

*সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ