চট্টগ্রাম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো পাকা করে দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৯

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো পাকা করে দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সমকাল

  মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এমপি বলেছেন, মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বন্যা উপদ্রুত এলাকার মানুষের দুর্দশায় সহমর্মিতা জানাতে এসেছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৌলভীবাজারের প্রত্যেক ঘর পাকা করে বানিয়ে দেওয়া হবে। যতো ত্রাণ লাগবে ততো দেওয়া হবে।

বুধবার দুপুরে রাজনগরের উত্তরভাগ ইউনিয়নের বন্যা উপদ্রুত এলাকার এক হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

বিমলা চরণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ত্রাণ বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতিপূর্বে মৌলভীবাজারের বন্যার্তদের জন্য ৬৫০ মেট্টিক টন চাল, নগদ ৯ লাখ টাকা, ৬ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে নতুন করে আরও দুইশো মেট্টিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামী ঈদ উপলক্ষে ১৫ কেজি করে চাল বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা দূর হয়েছে। বন্যার্তদের দুরাবস্থাও তার নেতৃত্বে দূর হয়ে যাবে। 

তিনি আরও বলেন, মৌলভীবাজারের মনু নদের তীরের ৮৫ কিলোমিটার বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণে এক হাজার দুই কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর বাম তীরে বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধ সংস্কার ও নির্মাণে ৪৯৬ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। 

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নেছার আহমদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা  আজিজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের এমপি  (মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ) সৈয়দ জোহরা আলাউদ্দিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাপরিচালক আবু সাঈদ মোহাম্মদ হাকিম, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজবাহুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন প্রমুখ।

রাজনগরের উত্তরভাগ এলাকায় ত্রাণ বিতরণে যাওয়ার আগে মনু নদের তীর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। ত্রাণ বিতরণ শেষে রাজনগরের হলদিরগুল এলাকায় কুশিয়ারা নদী তীরের ভাঙ্গণপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন তারা।

মন্তব্য


অন্যান্য