চট্টগ্রাম

সেই ৯ ছাত্রীর সঙ্গে বৈঠক, অভিযোগ অস্বীকার শিক্ষকের

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

সেই ৯ ছাত্রীর সঙ্গে বৈঠক, অভিযোগ অস্বীকার শিক্ষকের

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নয় ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পবিতার বিকেলে টানা দেড় ঘণ্টা এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অভিযোগকারী নয় ছাত্রীর কাছ থেকে বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। 

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

চট্টগ্রাম নগরের কৃষ্ণকুমারী সিটি করপোরেশন স্কুলের শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়ার বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়াসহ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নয় ছাত্রীকে পরীক্ষার হলে দেড় ঘণ্টা খাতা আটকে রাখার অভিযোগ উঠে। অভিযোগ লিখিতভাবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) জমা দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

ভুক্তভোগী ছাত্রীদের নিয়ে বৈঠক করা এনায়েত বাজার এলাকার কাউন্সিলর মোহাম্মদ সলিম উলতাহ সমকালকে বলেন, ছাত্রীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তাদের কাছ থেকে বক্তব্য নিতে বৈঠক আহ্বান করা হয়। বৈঠকে অভিযোগকারী ছাত্রী ও ঘটনার দিন পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা অন্যান্য ছাত্রীদের কাছ থেকেও বক্তব্য নেয়া হয়েছে। বক্তব্যে অভিযোগকারী ছাত্রীরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়া, ফেসবুক আইডি ও ফোন নম্বর সংগ্রহ, দুই হাজার টাকা নিয়ে জোরপূর্বক প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করাসহ আরও কিছু অভিযোগ মৌখিকভাবে আমাদের জানিয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগসহ যাবতীয় বিষয় আমরা খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি মেয়রকে জানানোর পর তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি জানান, হলে খাতা নেওয়ার কারণে অভিযোগ করা নয় ছাত্রী একটি বিষয়ে ফেল করেছে। তারা যাতে আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আমরা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানাবো।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়া সমকালকে বলেন, পরিকল্পিতভাবেই আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। পরীক্ষার দিন দুই ছাত্রী একে অপরের খাতা দেখাদেখি করছিল। আমি কয়েকবার নিষেধ করা স্বত্ত্বেও তারা তা শুনেনি। যে কারণে এক পর্যায়ে তাদের খাতা নিয়ে নেই। তবে ১০ মিনিট পর খাতা ফেরত দিয়েছি। আমি নয়জন ছাত্রীর কাছ থেকে খাতা কেড়ে নেইনি। নির্বাচনী পরীক্ষায়  অকৃতকার্য হওয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতেই অজুহাত হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছে ছাত্রীরা। এ বিষয়ে আমাকে শোকজ করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে আমি শোকজের জবাব দেব।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনের সময় শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়া পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে নয় ছাত্রীর খাতা কেড়ে নেন বলে অভিযোগ উঠে। এছাড়াও অভিযোগে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা উল্লেখ করেন, শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়া দশম শ্রেণির নয় ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছেন। তার এমন প্রস্তবে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে তিনি ছাত্রীদের মোবাইল নম্বর ও ফেসবুকে নিজেকে সংযুক্ত করতে চাপ দেন। পরে বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলে প্রশান্ত বড়ুয়াকে দশম শ্রেণির ক্লাস নেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়। পরবর্তীতে তিনি ছাত্রীদের নানাভাবে হয়রানি করতে থাকেন। প্রায় সময় পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ারও ভয় দেখাতেন তিনি। 

এদিকে, এক বিষয়ে ফেল করার কারণে নয় ছাত্রীর আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সচিব আবুল হোসেন সমকালকে বলেন, মেয়র বর্তমানে চট্টগ্রামের বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি আসার পরই অভিযোগ ও ছাত্রীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের শিকার নারী হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন


আরও খবর

চট্টগ্রাম

  নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

শারীরিকভাবে অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়। তবে ১৭ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও নিজ এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার ভীতি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভোগী এই নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, গণধর্ষণের শিকার ওই নারী গত ৩১ ডিসেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় গণধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। পরে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ায় এখন অনেকটা সুস্থ আছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবে খেতে ও চলাফেরা করতে পারছেন। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি অর্থোপেডিক বিভাগে তার ডান হাতের ভেঙে যাওয়া আঙুলের পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া যেকোনো সমস্যা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দিয়েছেন তাকে।

এদিকে, ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, সবার সহযোগিতায় অনেকটা সুস্থ হলেও বাড়ি যাওয়ার পর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। পুলিশ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বললেও ভরসা করতে পারছেন তারা। ওই নারী ও তার স্বামী বলেন, রুহুল আমিন মেম্বার ও আসামিদের স্বজনরা আগে তাদের হুমকিও দিয়েছিল। এ নিয়ে তিনি ভয়ের মধ্যে রয়েছেন।

চরজব্বর থানার ওসি শাহেদ উদ্দিন জানান, হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা বিকেল ৩টার পরে বাড়িতে পৌঁছান। এ সময় তিনি পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিধিদের নিয়ে ওই নারীর বাড়িতে যান। নিরাপত্তা নিয়ে তাদের শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পুলিশ সব সময় ওই পরিবারের পাশে থাকবে। নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ বলেন, বাড়িতে বসবাস করতে ওই নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের কোনো ভয় নেই। পুলিশ তাদের পাশে থাকবে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পুলিশের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক ভুক্তভোগীর বাড়ি পরিদর্শন করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করেছেন।

৩০ ডিসেম্বর মধ্য রাতে ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী ভুক্তভোগী নারীর ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে তার স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। পরে তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। গত ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে তাকে গুরুতর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনা গণমাধ্যমে এলে ৩১ ডিসেম্বর রাতে চরজব্বর থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়। মামলার এজহারভুক্ত ছয় ও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত আরও পাঁচজনসহ মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে আটজন নিজেদের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ছাগলনাইয়ায় ‍‘মাদক ব্যবসায়ী’ গুলিবিদ্ধ, ইয়াবা উদ্ধার


আরও খবর

চট্টগ্রাম

গুলিবিদ্ধ দুলাল -সমকাল

  ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় পুলিশের সঙ্গে একদল মাদক ব্যবসায়ীর গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের পূর্ব পাঠানগড় গ্রামের আলী আকবরের ছেলে গিয়াস উদ্দিন দুলাল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের চম্পক নগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ জানায়, গুলিবিদ্ধ দুলাল মাদক ব্যবসায়ী। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

ছাগলনাইয়া থানার ওসি এমএম মুর্শেদ জানান, সন্ধ্যায় টহল পুলিশ গাড়ি তল্লাশি করার সময় একদল মাদক বিক্রেতা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। স্বল্প সংখ্যক পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে না পারায় তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেললে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি চালায়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা জানায়, তিনি মাদক ব্যবসায়ী দুলাল।

ওসি বলেন, আহত দুলালের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতিসহ ১০টি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার পথ দেখলেন জার্মানির রাষ্ট্রদূত


আরও খবর

চট্টগ্রাম

রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার পথ বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে ধারণ করছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ- সমকাল

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

নাফ নদী পেরিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের পথ দেখলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ।  বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজারের টেকনাফের চৌধুরীর পাড়ায় নাফ নদীর বুকে গড়ে ওঠা টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট ঘাট ঘুরে দেখেন তিনি। 

এ সময় তিনি নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রবেশের পথ দেখে নিজের মোবাইলে ছবি ধারণ করেন।জার্মানির রাষ্ট্রদূত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। 

এর আগে লেদা রোহিঙ্গা শিবির ঘুরে টেকনাফ পৌরসভায় এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

সভায় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, শুরুতে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার দিকে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল স্থানীয় লোকজন। কিন্তু এসব লোকজন বর্তমানে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কেননা স্থানীয় শ্রমবাজার এখন রোহিঙ্গাদের দখলে। পাশপাশি তারা মানব পাচার, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের দেখভালে নিয়োজিত এনজিও সংস্থার অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলে রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ বলেছেন, জার্মান সরকার বাংলাদেশের পাশে রয়েছে; রোহিঙ্গাদের সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয়দের সহায়তা দেওয়ার কথাও ভাবছে। কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়দের সহায়তা করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির, এনজিও সংস্থা আনন্দের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিয়া, এরিয়া ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর বজলুর রশিদ, পৌর সচিব মহি উদ্দিন ফয়েজী, ইঞ্জিনিয়ার জহির উদ্দিন আহমদ, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান, আবু হারেছ, হোছন আহমদ, নারী কাউন্সিলর নাজমা আলম, কোহিনুর আক্তার, দিলরুবা খানম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম বাহাদুর, উপসহকারী মুর্শেদুল ইসলাম প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর