চট্টগ্রাম

স্বেচ্ছায় ভারতে গিয়েছিলেন মনিকা: পুলিশ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

স্বেচ্ছায় ভারতে গিয়েছিলেন মনিকা: পুলিশ

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত থেকে উদ্ধার করা হয় মনিকা বড়ুয়াকে— ফাইল ছবি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম থেকে ‘নিখোঁজ’ গানের শিক্ষিকা মনিকা বড়ুয়া রাধা নিজের ইচ্ছায় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম একথা জানান।

প্রায় সাত মাস আগে নিখোঁজ হওয়া মনিকাকে মঙ্গলবার সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত থেকে উদ্ধারের পর বুধবার রাতে চট্টগ্রামে নেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আমেনা বেগম বলেন,  শুরুতে আমরা মনে করেছিলাম তাকে অপহরণ বা পাচার করা হয়েছে। পরে জানতে পারি তিনি নিজ ইচ্ছায় গেছেন। মনিকা স্বেচ্ছায় ভারতে গিয়েছিলেন।

গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজারের হাই লেভেল রোডের বাসা থেকে গানের টিউশনিতে যাওয়ার কথা বলে বের হন ৪৫ বছর বয়সী মনিকা।

পরে আর মনিকার স্বামী দেবাশীষ বড়ুয়া ১৩ এপ্রিল বিষয়টি নিয়ে নগরীর খুলশি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ২৮ এপ্রিল তা অপহরণ মামলায় রূপান্তর হয়।

মনিকার সন্ধান চেয়ে তার বোন ও পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কয়েক দফা মানববন্ধন করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র অপহরেণর ঘটনায় এবার গ্রেফতার প্রাইভেটকার মালিক


আরও খবর

চট্টগ্রাম

পুলিশের হাতে গ্রেফতার স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় ব্যবহূত প্রাইভেটকারের মালিক জসিম- সমকাল

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় ব্যবহূত প্রাইভেটকারের মালিক জসিমকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। সোমবার নগরের বাকলিয়া থানার মাস্টারপুল খেজুরতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে অপহরণে ব্যবহূত গাড়িটি নগরের সাবএরিয়া এলাকা থেকে জব্দ করা হয়। এর আগে ওই ছাত্রের বাবা ব্যবসায়ী শামসুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ও অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম স্বপন এবং তার সহযোগী মো. আলমগীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার প্রাইভেটকার মালিক মো. জসিম কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় জসিম।

গত ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালদীঘিরপাড়ে সরকারি মুসলিম হাইস্কুলের সামনে থেকে অপহরণের শিকার হয় ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সাইদুল ইসলাম শামীদ। তার বাবা শামসুল ইসলাম নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী। অপহরণকারীরা ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। খবর পেয়ে পুলিশ নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করলে ওইদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অপহরণকারীরা ছেলেটিকে নগরের ঘাটফরহাদবেগ এলাকায় ছেড়ে দেয়।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান জানান, জসিম মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের মালিক। লালদীঘিরপাড় এলাকায় এগুলো ভাড়া দেয় সে। স্বপন ও জসিম মিলে স্কুলছাত্র শামীদকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করে। অপহরণের কাজে প্রাইভেটকারটিও সরবরাহ করে সে। 

অপহরণের পর শিশুটিকে ভয় দেখাতে তার গলায় ছুরিও ঠেকায় জসিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণের কথা স্বীকার করেছে জসিম।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রাঙামাটিতে ব্রাশফায়ারে সহকারী পুলিং কর্মকর্তাসহ নিহত ৭


আরও খবর

চট্টগ্রাম

  রাঙামাটি অফিস ও বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে ফেয়ার পথে দুর্বৃত্তদের ব্রাশফায়ারে সহকারী পুলিং কর্মকর্তাসহ ৭ জন নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশ সদস্যসহ ১৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। 

সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি সড়কের ৯ কিলোমিটার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রাম সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

নিহতরা হলেন- সহকারী পুলিং কর্মকর্তা ও কিশোলয় সরকারি প্রাথমিক বিদালয়ের সহকারী শিক্ষক আমীর হোসেন, আনসার-ভিডিপির নেত্রী জাহানারা, আনসার-ভিডিপি সদস্য বিলকিস আক্তার ও আল-আমীন, মন্টু চাকমা, মিহির কান্তি দত্ত। অপর একজনের নাম জানা যায়নি। গুরুতর আহতদের মধ্যে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও কাচলং কলেজের প্রভাষক আব্দুল হান্নান আরব, তৈয়ব ও মনিরের নাম জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে ভোটগ্রহণ শেষে দু'টি জিপগাড়িযোগে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে ফিরছিলেন তারা। পথে দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি সড়কের ৯ কিলোমিটার এলাকায় পৌঁছলে পাহাড়ের উপর থেকে একদল দুর্বৃত্ত তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করে। এতে আমীর হোসেন,  বিলকিস আক্তার ও আল-আমীন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর মন্টু চাকমা, মিহির কান্তি দত্ত, জাহানারা ও অজ্ঞাতপরিচয় একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহত আব্দুল হান্নান আরবের মাথায় গুলি লেগেছে। 

বাঘাইছড়ি থানার ওসি এমএ মঞ্জুর বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালন শেষে বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরে ফেয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ৭ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। 

এ ঘটনায় বাঘাইছড়ি উপজেলায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদিম সারোয়ার বলেন, আহতদের হেরিকপ্টারযোগে চট্টগ্রামে সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি।

২৭ বিজিবির জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মাহাবুল ইসলাম জানান, ওই এলাকায় বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সেন্টমার্টিন উপকূলে ২৫ মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি


আরও খবর

চট্টগ্রাম

ছবি: প্রতীকী

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন উপকূলে জলদস্যু বাহিনীর হাতে কক্সবাজারের টেকনাফের ২৫টি মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। এ সময় জেলেদের মারধর করে ট্রলারে থাকা মাছ ও জাল লুট করে নিয়ে যায় তারা। ডাকাতি করতে আসা এফবি আবদুল গফফার ও এবফি মারুফ নামের দু'টি ট্রলার চিহ্নিত করেছে জেলেরা।

সোমবার সকালে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত দু'দিনে আরো ২৭টি মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি করা হয়েছিল বলে জেলেরা জানিয়েছেন।

ডাকাতির শিকার ট্রলারের মালিকেরা হলেন- মো. কাশেম, এমদাদ  উল্লাহ মাঝি, জাহেদ উল্লাহ, নুরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া, মো. বাবুল, মো. হাসান, মো. জাফর, মো. সিরাজ, মো. মিজান। তারা টেকনাফের সাবরাং, শাহপরীর দ্বীপ ও সদরের বাসিন্দা।

সোমবার দুপুরে শাহপরীর দ্বীপ মৎস্যজীবী অগ্রণী বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান জানান, সেন্টমার্টিনের উপকূলে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ২৫টির ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের জেলেরা জাল ফেলে অপেক্ষা করছিল। সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ২০-২৫ জনের একটি বাহিনী অস্ত্র নিয়ে জেলেদের ট্রলারে হামলা করে। এ সময় জেলেদের মারধর করে জাল ও মাছ লুট করে নিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয় কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে।

এফবি এমদাদ উল্লাহ বোটের মাঝি শামসুল আলম বলেন, গত শুক্রবার ১০ মাঝিমাল্লা নিয়ে প্রতিদিনের মতো বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাই। সর্বশেষ সোমবার সকালে মাছ ধরতে সাগরে জাল ফেলি। এরপর হঠাৎ করে দু'টি বড় ট্রলার এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে ঘিরে ফেলে। পরে ট্রলারে উঠে মারধর করে মাছ ও জাল লুট করে নিয়ে যায়। 

তার মতো অনেক মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। ডাকাতি করতে আসা এফবি আবদুল গফফার ও এবফি মারুফ নামে দুটি ট্রলার চিহ্নিত করেছে জেলেরা। সাবরাং ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ফজলুল হক বলেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ২৫টির মতো ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। এর আগে আরো অনেক ট্রলার ডাকাত দলের খপ্পরে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

ডাকাতির শিকার বোট মালিক মো. কাশেম বলেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া তার ট্রলারে সোমবার সকালে ডাকাতি হয়। এ সময় জেলেদের মারধর করে ট্রলারে থাকা মাছ ও জাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

র‌্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব বলেন, সাগরে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির খবর শুনেছি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খবর