রাজধানী

যত্রতত্র কোরবানি রোধে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

প্রকাশ : ১৩ আগষ্ট ২০১৯ | আপডেট : ১৩ আগষ্ট ২০১৯

যত্রতত্র কোরবানি রোধে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা: মেয়র আতিক

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

আগামী বছর থেকে যত্রতত্র কোরবানি করা রোধে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ঈদুল আজহা পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

মেয়র বলেন, আগামীবার থেকে যত্রতত্র কোরবানি করা রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী প্রচারাভিযান চালানো ও প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া, বর্জ্য রাখার জন্য পচনশীল ব্যাগ ব্যবহার, কোরবানির স্থান বৃদ্ধি ও বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে।

তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাইয়ে জনগণের সাড়া ছিল উৎসাহব্যঞ্জক। তা গত বছরের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেয়র আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুবিধা বিশেষ করে কোরবানির মাংস বাসায় পৌঁছে দেয়ার কারণে আগের তুলনায় অনেকে উৎসাহিত হয়ে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিয়েছেন।

এ সময় কোরবানির প্রথম দিনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সব ওয়ার্ডের রাস্তা থেকে ২৪ ঘণ্টার কম সময়ে অপসারণ করা হয়েছে বলে জানান মেয়র।

তিনি বলেন, ঈদের দিন সোমবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে ৭, ১১, ৩, ৩১ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা তাদের নিজ এলাকাকে বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করেন। পরে ক্রমান্বয়ে অন্যান্য ওয়ার্ডকেও বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) ও নির্ধারিত স্থানে কন্টেইনারে জমা করা বর্জ্য ভাগাড়ে পরিবহন করে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে পুরো ডিএনসিসি এলাকা কোরবানির বর্জ্যমুক্ত হয় বলেও জানান তিনি।

মেয়র বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সংবাদ সম্মেলনে ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য


অন্যান্য