রাজধানী

টিআইবি'র প্রতিবেদন একপেশে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০১৯

টিআইবি'র প্রতিবেদন একপেশে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

মোহাম্মদ শফিউল আলম- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

জনপ্রশাসন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা প্রতিবেদনকে একপেশে ও ঢালাও বলে মন্তব্য করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, টিআইবির প্রতিবেদনে যেসব দাবি করা হয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতি সে রকম নয়। 

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

গত রোববার 'জনপ্রশাসনে শুদ্ধচার: নীতি ও চর্চা' শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। সেখানে দাবি করা হয়, জনপ্রশাসনে পদায়ন ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিষয় প্রধান্য পাচ্ছে, মেধা উপেক্ষিত হচ্ছে। বিধিমালায় না থাকলেও পদোন্নতিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়লেও দুর্নীতি কমেনি।

শফিউল আলম বলেন, 'প্রতিবেদনটি আমি এখনও দেখিনি; আমাদের হ্যান্ডওভারও করেনি। নিউজে যেটুকু আসছে, আপনারা যেমন জানেন আমিও জানি। তবে টিআইবি ঢালাওভাবে অভিযোগ করেছে। পরিস্থিতি ওরকম না। আমাদের কাজগুলো ওরকম না।'

টিআইবি বলেছে, বিধিবিধান অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার জন্য সম্পদের হিসাব দিতে হয়। এরপর প্রতি পাঁচ বছর পর পর সেই তথ্য হালনাগাদ করার বিধান থাকলেও তা হচ্ছে না। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সম্পদের হিসাব চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাজও শুরু হয়ে গেছে। অনেক দিন চাওয়া হয়নি, তাই কর্মকর্তারা হিসাব দেয়নি। চাওয়া হলে দিতে হবে, এটা নিয়ম। এটা জনপ্রশাসন হিসাব রাখে। পাঁচ বছর পর চাইলে দেবে এটাই নিয়ম, না চাইলে দেওয়ার কথা নয়। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ মনে হয় এই সময়ে সবচেয়ে কম। আমরা অল্প কয়েকজন আছি, খুবই কম, মিনিমাম নাম্বার।

প্রশাসনে উপরের দিকে বেশি পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে বলে টিআইবির পর্যবেক্ষণের সঙ্গেও দ্বিমত পোষণ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, আমাদের রিক্রুটমেন্ট সেই পরিমাণ শূন্য পদ পূরণ করতে পারছে না। একজন সহকারী কমিশনার পাঁচ বছরের মধ্যে ইউএনও হয়ে যান। মাঝখানের পদগুলো ফাঁকা থেকে যায়।

মন্তব্য


অন্যান্য