রাজধানী

ভূগর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করবে: নসরুল হামিদ

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

ভূগর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করবে: নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ভূগর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। সিস্টেম লস কমিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের উপকার করবে। 

ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যাহত হবে না। গ্রাহকের ভোগান্তি কমবে। শহরের সৌন্দর্য বাড়বে। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ভবনে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিদ্যুতের ভূগর্ভস্থ লাইন স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি এনার্জিটনের সঙ্গে ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষের (ডিপিডিসি) চুক্তি হয়। চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন ডিপিডিসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হাসনাত চৌধুরী ও এনার্জিটনের প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার ওয়াহিদুল ইসলাম।

নসরুল হামিদ বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে। এখন মানসম্পন্ন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার দাবি উঠছে। সেটাও সময়মতো হবে।

ডিপিডিসির পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শফিকউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান ও এনার্জিটনের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক রিচার্ড মারফি বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিপিডিসির অধীন রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূগর্ভস্থে স্থানান্তরের উদ্যোগ বাস্তবায়নে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে এনার্জিটন। 

এ কাজের চুক্তিমূল্য ২১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কাজটি শেষ করতে এক বছর লাগবে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বাবা-ছেলের শেষ কথোপকথন


আরও খবর

রাজধানী
বাবা-ছেলের শেষ কথোপকথন

বাসচাপায় আবরারের মৃত্যু

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  সাহাদাত হোসেন পরশ

'বাবা, তুমি আমার মূল সার্টিফিকেটের কপিগুলো ফটোকপি করে অ্যাটেসটেড (সত্যায়িত) করে রেখো। তোমার কাছ থেকে সেগুলো সংগ্রহ করে নেব।' আবরার আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফ আহমেদ চৌধুরীর এই ছিল শেষ কথা। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বাবা-ছেলের মধ্যে ওই কথোপকথন হয়েছিল। সেই রাতের স্মৃতিচারণ করে গতকাল বুধবার আবরারের বাবা আরিফ আহমেদ চৌধুরী সমকালকে বলেন, ছেলেটা সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে যোগদানের জন্য লিখিত-মৌখিক সব পরীক্ষায় পাস করেছিল। কোন বাহিনীতে যোগ দেবে- তা ঠিক করা হয়ে ওঠেনি। এরই মধ্যে এমন মর্মন্তুদ ঘটনা ঘটল।

বেদনাবিধুর আর শোকার্ত কণ্ঠে আরিফ আহমেদ চৌধুরী জানালেন, মঙ্গলবার তার গাড়িতে বাসা থেকে বসুন্ধরা গেট পর্যন্ত যায় আবরার। সঙ্গে ওর তিন সহপাঠী ছিল। তাকে নামিয়ে দিয়ে আসার মিনিট দশেক পর আবরারের মায়ের কাছে সহপাঠীদের কারও একজনের ফোনকল আসে। সেই কল থেকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। তখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। স্ত্রীর কাছ থেকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত প্রগতি সরণিতে ছুটে যান তিনি। গিয়ে দেখেন রাস্তার ওপাশে জটলা। পুলিশ তাকে জানায়, আবরার ভ্যানের মধ্যে আছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই ভ্যান নিয়ে সিএমএইচে চলে যান। তিনি একমুহূর্তও সেখানে দাঁড়াননি। যদি ওকে রিকভারি করা যায়, সেই আশা নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ডাক্তার তাকে জানান, অলরেডি হি ইজ ডেড। ওয়ান আওয়ার হয়ে গেছে। তার মগজ বেরিয়ে যাওয়া, চাপা খাওয়ার ধরন থেকে আর দু-একজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝতে পারেন, প্রথমে ডান দিক থেকে এসে একটি বাস তাকে হিট করেছে। এরপর আরেকটি বাস তাকে চাপা দিয়েছে। তাতে ও পড়ে গেছে। পরে সহপাঠীরা ধরাধরি করে ওকে এপারে নিয়ে আসে। জেব্রা ক্রসিংয়ের ওপর দিয়ে নিয়ম মেনেই সে পার হচ্ছিল।

ছেলের সঙ্গে কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে বাবা জানালেন, আইএসএসবিতে সাত দিনের পরীক্ষার জন্য আবরারের যাওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার দুপুর ২টার মধ্যে সেখানে তার সার্টিফিকেট জমা দেওয়ারও কথা ছিল। বাবাকে সব সার্টিফিকেট সত্যায়িত করে রাখতে বলেছিল। সাড়ে ১১টার মধ্যে বিইউপিতে ক্লাস শেষ হওয়ার পর অ্যাটেসটেড সার্টিফিকেট জমা দিত সে।

ছেলেকে ঘিরে বাবার স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। ছেলে সেই আকাশ প্রায় ছুঁয়েও ফেলেছিল। দুর্ঘটনা নয়, কার্যত সড়কে 'হত্যার' মধ্য দিয়ে আবরার আহমেদ চৌধুরীকে ঘিরে বাবার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। গতকাল যখন প্রগতি সরণিতে আবরারের নামে একটি ফুট ওভারব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হলো, তখন অনেকের প্ল্যাকার্ডেই লেখা ছিল- 'ওভারব্রিজ বা টাকা চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই।' ওই সময় উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, 'আবরারের বাবা আজ এখানে আসতে পারেননি। দুই মাসে ফুট ওভারব্রিজের কাজ শেষ হবে। উদ্বোধনের দিন তাকে আসার জন্য অনুরোধ জানাব।'

আবরারদের পারিবারিক বন্ধু তানবিরা খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ' মঙ্গলবার যখন ওর মায়ের কাছে গেলাম, তখন সে অবিরত কথা বলে যাচ্ছে। তার আবরারের কত কথা! কিন্তু সব কথার মাঝে একটু পর পর, একটি কথাই "আমি তো আর ওরে পাব না!"

পরের
খবর

আবার সেই দৃশ্যপট


আরও খবর

রাজধানী
আবার সেই দৃশ্যপট

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রগতি সরণি থেকে শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে গুলিস্তান- বাসচাপায় বিইউপি শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে বুধবার রাজধানীর ছয়টি স্পটে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের হাতে ছিল নানা রকম স্লোগান সংবলিত পোস্টার - সমকাল

  বিশেষ প্রতিনিধি

গত বছর জুলাই-আগস্টের দিনগুলো ছিল এ রকমই। শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে রাজপথে নেমে এসেছিল শিক্ষার্থীরা। একটাই দাবি তাদের- চাই নিরাপদ সড়ক। সেই উত্তাল সময়ের দৃশ্যপটই যেন ফিরে এসেছে আবার। রাজপথে রাজীব-মীমের করুণ মৃত্যুর মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে সড়ক বিশৃঙ্খলার যূপকাষ্ঠে বলি হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবরার। প্রতিবাদে এবারও পথে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের স্লোগানের ভাষায়, ব্যানার-ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ডের লেখায় ফুটে উঠেছে একই রকম ক্রোধ, ঘৃণা আর বিচারের দাবি। সেবার যেমন প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- 'সড়ক মেরামতের কাজ চলছে'; এবারও তাই। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও নতুন নতুন টনক নাড়ানো স্লোগান। গতকাল বুধবার আবরারের মৃত্যুস্থল কুড়িল থেকে শাহবাগ, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, গুলিস্তানসহ রাজধানী ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন শহরেও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা।

গতকাল সাতসকালেই মাথার ওপর খরতাপ ছড়াচ্ছিল চৈত্রের সূর্য। গরমের তীব্রতা উপেক্ষা করে সমবেত শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজধানীর বিভিন্ন রাজপথ। কেউ প্ল্যাকার্ড হাতে, কেউ ফেস্টুন নিয়ে, কেউ বা জাতীয় পতাকা নিয়ে অংশ নেন গতকাল বুধবারের বিক্ষোভে। অনেকের মাথা ঢাকা ছিল কালো কাপড়ে।

প্রগতি সরণির রক্তমাখা 'ব্ল্যাক স্পট'টির চারদিক রশি দিয়ে ঘিরে রেখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। উৎসুক মানুষ এসে দেখছিল কলঙ্কিত স্থানটি, যেখানে কেড়ে নেওয়া হয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থী আবরারের জীবনপ্রদীপ। জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম মেনে রাস্তা পার হতে গিয়েও জীবন হারাতে হয়েছে তাকে। সুপ্রভাত পরিবহনের ঘাতক বাসচালক পিষিয়ে মেরে ফেলেছে তাকে। বাসের নাম 'সুপ্রভাত' হলেও মঙ্গলবার সকালে সে বিভীষিকা বয়ে আনে আবরারের পরিবার ও স্বজনের জীবনে।

শিক্ষার্থীদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনগুলোয় লেখা- 'ওস্তাদ স্পিড বাড়ান, সামনে স্টুডেন্ট', 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', 'বাসের নিচে পড়ে মরি, লাশ বানিয়ে বল স্যরি', 'আমাদের দেশে হবে সেই মন্ত্রী কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে', 'আর কত?', 'প্রতিবার ছাত্র হত্যার পর মিথ্যা আশ্বাস বন্ধ করো', 'বার্থ ইন হসপিটাল, ডেথ ইন রোড', 'জন্ম যখন মায়ের কোলে, মৃত্যু কেন রোডে', 'ভাই এখন কবরে, আর খুনিকে দেখাও খবরে', 'ওভারব্রিজ বা টাকা নয়, নিরাপদ সড়ক চাই', 'একজন করে মরবে আর একটি করে ফুট ওভারব্রিজ বানাবে তা চাই না' ইত্যাদি স্লোগান, প্রশ্ন ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। কোনো কোনো শিক্ষার্থী বাসের গায়েও বিভিন্ন স্লোগান লিখে দেন। কেউ আবার রাস্তায় যানবাহনের চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করেন। প্রগতি সরণিতে অ্যাম্বুলেন্স ও রোগী বহনকারী গাড়ি ছাড়া আর সব যান চলাচল দিনভর বন্ধ ছিল।

রাজধানীতে অবস্থানকারী বিইউপির ছাত্র শাকিল আহমেদ সমকালকে বলেন, এমন মৃত্যু কারও কাম্য নয়। স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চাই। শুধু মেধাবী শিক্ষার্থী নয়, একজন সাধারণ মানুষকেই বা কেন অকালে প্রাণ হারাতে হবে? কাউকেই যেন এমন পরিণতি বরণ করতে না হয়। তাই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমেছে।

শুধু প্রগতি সরণি নয়, রাজধানীর আরও বেশ কিছু এলাকা গতকাল স্লোগানে স্লোগানে মুখর ছিল। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিইউপির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। নিহত শিক্ষার্থীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ফেসবুকে 'বিইউপি মিরর' নামে একটি গ্রুপ খুলেছেন ছাত্রছাত্রীরা। এই গ্রুপে আবরারকে নিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালিত কর্মসূচির খবর তুলে ধরা হচ্ছে। প্রগতি সরণিতে গতকাল শিক্ষার্থীরা আবরারের জন্য দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করেন।

বসুন্ধরার 'বি' ব্লকের ৬ নম্বর সড়কের ১২২ নম্বর বাসায় আবরার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, স্তব্ধতা নেমে এসেছে। নিরাপত্তারক্ষী আবদুল আজিজ জানান, তার মতো ভদ্র ও মিশুক ছেলে পুরো বসুন্ধরা এলাকায় খুঁজে পাওয়া দুস্কর। ঘটনার দিন সকালে বাসা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন আবরার। কিছু সময় পর তার দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। আবরার মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা বসুন্ধরার বাসায় এখনও ফেরেননি। বারিধারা ডিওএইচএসে তার ফুফুর বাসায় রয়েছেন সকলে।

পরের
খবর

'মানুষের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে'


আরও খবর

রাজধানী

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, চিকিৎসা একটি মানবিক পেশা। এ দেশের চিকিৎসকেরা মানবিক চেতনা নিয়ে কাজ করেন। মানুষের কল্যাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বুধবার ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল (ডিএসইসি) আয়োজিত কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের শেষ দিনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধীনস্ত অ্যাডভান্স সেন্টার অব কিডনি অ্যান্ড ইউরোলজির (আকু) সৌজন্যে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে ডিএসইসি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি জাকির হোসেন ইমন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির অনিক। মেডিকেল ক্যাম্পের সমন্বয় করেন কোষাধ্যক্ষ আবু কাউছার খোকন। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সংগঠনের সাবেক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। 

ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের প্রধান ও আকু'র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহরাব হোসেন সৌরভ, পরিচালক মেজর (অব.) ডা. তৌফিকুল মুনিম, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ফজল নাসের, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাজী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক কয়েকজন চিকিৎসক ও বিজনেস ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার শাহ্ নাঈম হাবীব প্রমুখ।

মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের চিকিৎসায় এসেছে অনেক আধুনিকতা। সেবার মানও বেড়েছে। এমন আধুনিক চিকিৎসা ও সুবিধার কথা সাংবাদিকরাই সাধারণ জনগণকে জানাতে পারেন। 

অধ্যাপক ডা. সোহরাব হোসেন সৌরভ বলেন, কিডনির পাথরের হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইলে দৈনিক কমপক্ষে দুই লিটার পানি পান করা উচিত।

ডা. ফজল নাসের বলেন, পাথুরি রোগের সবচেয়ে বড় প্রতিকার হচ্ছে পানি। প্রত্যেকেরই পরিমাণ মতো পানি পান করা উচিত। গর্ভের ৭ মাসের মাথায় শিশুর আলট্রাসনোগ্রাম বা ফিটাল স্ক্যান পরীক্ষা করা উচিত। এতে শিশুর জন্মগত কিডনির নানা ক্রুটি ধরা পড়ে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে সুস্থ করা যায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর