রাজধানী

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়াসহ নানা সহায়তা দিল বুটেক্স ছাত্রলীগ

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া, পানি, কলম, পরিবহন সার্ভিস, তথ্যকেন্দ্রসহ নানা সহায়তা দিয়েছে ছাত্রলীগ।

শুক্রবার বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ৭ হাজার ৩১৯ শিক্ষার্থী অংশ নেন। এদিন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল অালম সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম লিংকনের নেতৃত্বে বুটেক্স ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

নাজমুল অালম সাকিব বলেন, ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো প্রকার সমস্যায় না পড়েন সেজন্য আমরা সকাল থেকেই তৎপর ছিলাম। বিনামূল্যে পানি, কলম, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাইক সার্ভিস, তথ্যকেন্দ্র, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনা জিনিসপত্র নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া পরীক্ষার আগের দিন বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার বাইর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জি.এম.এ.জি ওসমানী হল, অাজিজ হল, নজরুল হল ও শেখ হাসিনা হলে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মুক্ত আসরের স্কুলভিত্তিক ‘বাংলাদেশকে জানো’ এবার ধামরাইয়ে


আরও খবর

রাজধানী

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা নাচ পরিবেশন করেন। ছবি: সংগৃহীত

  অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন ‘মুক্ত আসর’ ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদে আয়োজন করে ‘বাংলাদেশকে জানো’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের। 

বাংলাদেশকে জানো অনুষ্ঠানে কুইজভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা ও ‘আমার স্বপ্ন’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার সেরা ২১ শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় বই ও সনদপত্র। 

রোববারের এই অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে ৩০ মিনিট কুইজভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ৯ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে বই ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। 

আয়োজনে আরও একটি অংশ ছিল আমার স্বপ্ন শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতা। সেখানেও সেরা তিন খুদে লেখককে দেওয়া হয় বই। অনুষ্ঠানে কুইজভিত্তিক লিখিত পরীক্ষায় ৩০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মুক্ত আসরের সভাপতি আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা এ জেড এম সাদেকুর রহমান খান, পদ্মা রহমান, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল কালাম, শিক্ষক ও ভ্রমণকন্যা এলিজা বিনতে এলাহী, শিক্ষক সংগীতা আচার্যসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তি করে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং মুক্ত আসরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৌশিক চাকমা, মিথিলা সিকদারসহ মুক্তবন্ধুরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সাব-এডিটরস কাউন্সিলের বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প


আরও খবর

রাজধানী

  অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) উদ্যোগে সংগঠনের সদস্যদের জন্য কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের প্রথম দিন সোমবার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। 

ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধীনস্ত অ্যাডভান্স সেন্টার অব কিডনি অ্যান্ড ইউরোলজির (আকু) সৌজন্যে সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-এর হল রুমে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সংগঠনের বিপুল সংখ্যক সদস্য রক্তের নমুনা দেন।

ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি জাকির হোসেন ইমন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির অনিক। এ সময় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সাবেক নেতারাও। মেডিকেল ক্যাম্পের সমন্বয় করেন কোষাধ্যক্ষ আবু কাউছার খোকন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিজনেস ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার শাহ্ নাঈম হাবীব, ডেপুটি ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, সি. এক্সিকিউটিভ শাহনুর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

আগামী ২০ মার্চ রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট প্রদান এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎকরা কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক পরামর্শ দেবেন। পাশাপাশি কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত থাকবেন প্রফেসর ডা. সোহরাব হোসেন সৌরভ, ডা. কাজী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য, কিডনি-ইউরোলজি ও নিউরোমেডিসিন বিষয়ক কয়েকজন চিকিৎসক।

পরের
খবর

‘সরকার জেদ করে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র করছে’


আরও খবর

রাজধানী

  সমকাল প্রতিবেদক

‘কিসের তাড়নায় সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ করছে? এটা শুধু সরকারের একটা জেদ। রামপাল প্রকল্প বাতিল করুন, সুন্দরবন বিরোধী সকল স্থাপনা উৎখাত করুন এবং বনের প্রাকৃতিক চরিত্র সংরক্ষণ ও সমৃদ্ধ করতে সঠিক পদক্ষেপ নিন। দেশে যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যমান (কয়লার) বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ তৈরি করুন। সুন্দরবন রক্ষায় সরকারের পাশেই আছি। তবে সরকার নির্বিকার হলে, চাপ সৃষ্টি করতে বনকে 'বিপদাপন্ন তালিকাভুক্ত' করার আন্দোলন হবে।’

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে 'ইউনেস্কোর ২০১৭ সনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে সুন্দরবনের বর্তমান অবস্থা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় সুলতানা কামাল বলেন, সম্প্রতি যারা সুন্দর বন ঘুরে এসেছেন-সেই পর্যটকরা বলছেন, সুন্দরবনের দৃশ্য করুণ। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, গাছ লাগাইয়া সুন্দরবন পয়দা করি নাই। সুন্দরবন রক্ষা করতে হবে। অথচ তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী ভুল করছেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকেও বিষয়টি জানতে পারতেন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের কাছে বার বার আবেদন করছি। ১৩টি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাসম্বলিত রিপোর্ট দিয়েছি। কিন্তু উত্তর পাচ্ছি না। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাজ করে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও মধ্যে বক্তৃতা করেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানী অধ্যাপক মোঃ আব্দুল আজিজ ও ভূ-তত্ববিদ অধ্যাপক বদরুল ইমাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক ও সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল মতিন।

অধ্যাপক মোঃ আব্দুল আজিজ বলেন, রামপাল প্রকল্প করতে চাইলে ২৫ কি.মি. পূর্বে করেন। তা হলেও অনেক ক্ষতি কম হবে, কিন্তু সরকার এ কথায় কান না দিয়ে আগের স্থানেই এ প্রকল্প করছেন। দেশের অর্থনীতি ও জনগণকে ধ্বংস করে সরকার কাকে খুশি করতে চাইছেন, তা বোধগম্য নয়।

অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, সুন্দরবনের রামপাল প্রকল্প একটা অস্বচ্ছ প্রকল্প। এতে যে ক্ষতি হবে, তা পুষে নেওয়ার মতো নয়।

অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ক্যাডার বাহিনী অত্যাচার করে হিন্দু সম্প্রদায়কে উচ্ছেদ করে রামপাল প্রকল্পের কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সভা এ বছর আবারও বসবে। সভায় সুন্দরবন রক্ষায় ২০১৭ সালে দেওয়া তাদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার কী করেছেন তা মূল্যায়ন করা হবে।