বলিউড

মুম্বাই ছাড়বেন রাধিকা!

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

মুম্বাই ছাড়বেন রাধিকা!

রাধিকা আপ্তে

  অনলাইন ডেস্ক

মুম্বাইয়ে আর থাকতে চাচ্ছেন না বলিউডের আলোচিত অভিনত্রী রাধিকা আপ্তে। এখানটায় আর মন টিকছে না তার। মুম্বাইয়ে যাদের সঙ্গে চলে আসছিলেন এতোদিন তাদের সঙ্গে আর মানিয়ে নিতে সম্ভব হচ্ছে না তার। তাই মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছেন তিনি। ছাড়তে চাচ্ছেন স্বপ্নের শহর মুম্বাই।

সম্প্রতি নেহা ধুপিয়ার ‘নো ফিল্টার’ নামক টক শোতে এসে এমনটিই মন্তব্য করলেন রাধিকা আপ্তে। টক শো’তে রাধিকা জানান,  বলিউডে ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য মুম্বাইয়ে একাই এসেছিলেন তিনি। তার কয়েকদিন পরেই আবার পুণেতে ফিরে গিয়েছিলেন। কারণ ভীষণভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন রাধিকা। কোনও ভাল বন্ধু ছিল না, বলিউডে তাকে পথ দেখানোর মত পরিচিত কাউকেই পাননি তিনি। এমনকী কোনও কাস্টিং ডিরেক্টরকেও তিনি চিনতেন না। কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। যারা চারপাশে রয়েছেন তাদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিলো না।

রাধিকা আপ্তে

এ জন্যই তখনই মুম্বাই থেকে কয়েক মাসের নির্বাসন নিয়েছিলেন তিনি। নেহা ধুপিয়ার সঙ্গে  নিজের জীবনের এমনই কিছু কথা শেয়ার করেছেন রাধিকা। তবে  এখন বলিউডে সফল অভিনেত্রী রাধিকা। 

বলিউডে ফিল্ম শুরু করার আগে একাধিক মারাঠি নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি। পুণের বিখ্যাত নাট্যকার মোহিত তাকালকরের দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মারাঠি ছাড়াও, হিন্দি এবং ইংরেজি নাটকে অভিনয় করেছেন রাধিকা। বলিউডে খুব অল্প ছবিতেই দেখা গিয়েছে তাকে। তবে পরিচিতি পেয়েছেন  গেলে বাংলা ছবির দৌলতে।  তারপরেই বলিউডের দরজা তার কাছে খুলে গিয়েছিল। কিন্তু কোনওদিনই জনপ্রিয়া সিনেমার মুখ হিসাবে উঠে আসেননি রাধিকা আপ্তে। চিরকালই অন্যধারার ছবির মুখি হয়েছেন তিনি। অভিনয় পারদর্শীতাই তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে দিয়েছে।

রাধিকা আপ্তে

এবার রাধিকার অভিষেক হতে যাচ্ছে হলিউডের সিনেমায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গল্প নিয়ে তৈরি হবে চলচ্চিত্রটি। রাধিকাকে এতে দেখা যাবে ওই সময়ের এক গুপ্তচরের চরিত্রে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকজন গুপ্তচরের জীবন নিয়ে এই চলচ্চিত্রের গল্প। এই গুপ্তচরেরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের গোপন সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তা ছাড়া ব্রিটিশ চলচ্চিত্রকার উইন্টার বটমের চলচ্চিত্র ‘দ্য ওয়েডিং গেস্ট’-এর জন্যও প্রস্তুত রাধিকা আপ্তে। সেখানে তিনি অভিনয় করবেন দেব প্যাটেলের সঙ্গে।

সফল এই অভিনেত্রীই নাকী এবার ছাড়তে চাচ্ছেন মুম্বাই! কিন্তু কেন? প্রশ্নের উত্তর হয়তো অন্য টক শো’তে জানাবেন রাধিকা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে দীপিকা


আরও খবর

বলিউড

রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন

  অনলাইন ডেস্ক

ইতালির লেক কোমোয় বিয়ে সেরেছেন। অনেকটা গোপনেই বিয়ের কাজ সেরেছেন তারা। বিয়েতে পরিবারের লোকজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধব সহ উপস্থিত ছিল মাত্র ৪০ জন অতিথি। এবার বড় পরিসরে হচ্ছে বিয়ের সংবর্ধনা। ২১ নভেম্বর বেঙ্গালুরুতে আয়োজন করা হয়েছে এক গ্র্যান্ড রিসেপশনের। সেই উপলক্ষ্যেই বেঙ্গালুরু উড়ে গেলেন নতুন এই দম্পতি।

বেঙ্গালুরে যাওয়ার আগে ছত্রপতি শিবাজি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ক্যামেরাবন্দি হন এই দম্পতি। বিজ রংয়ের আনারকলিতে দেখা যায় দীপিকাকে। গলায় শোভা পাচ্ছিল মঙ্গলসূত্র। অন্যদিকে রণবীরকে দেখা যায় সাদা কুর্তা-পাজামা ও ফ্লোরাল জয়াকোটে। 

রণবীর ও দীপিকা

বিয়ের পরে দারুণ খোশমেজাজে আছেন দুজনে। আর তাই পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার দিকে হাসি মুখ তাকিয়ে ছবি তুলেছেন তারা। এরপর দুজনেই হাত নেড়ে বিদায় জানিয়ে এয়ারপোর্টে ঢুকে গিয়েছেন।

২৮ নভেম্বর মুম্বইয়ের দা গ্র্য়ান্ড হায়াতে আরও একটি রিসেপশন হবে যেখানে উপস্থিত থাকবেন বলিউড তারকারা। আমন্ত্রিত অতিথিদের একটি কার্ডও পাঠানো হয়েছে দুই পরিবারের পক্ষ থেকেই। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

#মি টু নিয়ে যা বললেন প্রীতি


আরও খবর

বলিউড
#মি টু নিয়ে যা বললেন প্রীতি

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮

প্রীতি জিনতা-ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বলিউডে #মি টু আন্দোলনের জেরে নানা পাটেকর, অলোক নাথ, সাজিদ খান, সুভাস কাপুর, বিকাশ বোহেল, সুভাষ ঘাই, আনু মালিক ও রজত কাপুরের মতো তারকাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রীরা। 

কোন অভিনেত্রী আবার তাদের পক্ষ হয়ে কথা বলছেন, আবার কেউ তাদের মুখোশ উন্মোচন করছেন।

অভিনেত্রীরা তাদের কর্মক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির কথা যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ করছেন ঠিক তখনই ওই অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন 'কাল হো নাহো' খ্যাত তারকা প্রীতি জিনতা। 

ডেকান ক্রনিকেল জানায়, 'দিল সে', 'সোলডার', -এর মতো সুপারহিট ছবির এ নায়িকা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, 'যখন আপনি কোন মানুষকে কটাক্ষ করবেন, পরে আপনিও এর ফল পাবেন। যদি আমি এই অনাকিঙ্খত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকি, তবে কোন মানুষই আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে না।'

কিন্তু আমি যখন কাজের জায়গায় পেশাদারিত্ব দেখাতে পারি, তাহলে কেউ আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করার সাহস পাবে না বলে মন্তব্য করেন এই বলি অভিনেত্রী।

সাক্ষাৎকারে জোর গলায় প্র্রীতি আরও বলেন, 'বলিউডে কাজের ক্ষেত্রে আমার কোন অসুবিধে হয় না, বরং আমি এখানে নিরাপদবোধ করি।' এছাড়া প্রীতি বলেন, 'নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং তাদের প্রতি সন্মানহানি হয় এমন কাজ অনেকটাই কমে এসেছে।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বাবার বিয়েতে হাজির হয়েছিলেন সারা, সাজিয়ে দিয়েছিলেন মা


আরও খবর

বলিউড

  অনলাইন ডেস্ক

অমৃতার সঙ্গে সাইফ আলী খানের বিয়েবিচ্ছেদ হয়েছে বহু বছর আগে। তবে এই বিচ্ছেদ প্রভাব ফেলেনি বাবা সাইফ ও মেয়ে সারার সম্পর্কে। সারা মা অমৃতার সঙ্গে থাকলেও বাবার বাড়িতে আসতে তার বাধা নেই। রোববার সম্প্রচারিত 'কফি উইথ করণ'-এর সিজন ৬ এ হাজির হয়ে মা অমৃতা, বাবা সাইফ এবং কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অনেক ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করেন সারা। 

এ সময় তার সামনে বসে থাকা সাইফ জানান, কারিনার সঙ্গে বিয়ের দিন তিনি সাবেক স্ত্রী অমৃতাকে চিঠি লিখেছিলেন। পাঠানোর আগে সেই চিঠি পড়েছিলেন কারিনা। কারিনাই নাকি অমৃতাকে চিঠি লেখার জন্য অনুরোধ করেছিলেন সাইফকে। চিঠিতে সাইফ নতুন জীবন শুরু করার কথা জানান এবং অমৃতার সঙ্গে কাটানো পুরনো স্মৃতি স্মরণ করেন।  

কারিনা তাকে কতটা সমর্থন করেন, সবসময় কিভাবে তার পাশে থাকেন, অনুষ্ঠানে সেকথা বলতে গিয়েই অমৃতাকে লেখা চিঠির বিষয়টি জানান সাইফ। আর এসব কথা মেয়ের সারার সামনেই বলেন তিনি। সাইফ বলেন, কারিনার সঙ্গে বিয়ের দিন সারাই আমাকে ফোন করে জানায় যে, ও বিয়েতে হাজির থাকবে। 

এই প্রসঙ্গে সারা বলেন, বাবার বিয়েতে যাওয়ার জন্য মা অমৃতাই আমাকে সাজিয়ে দিয়েছিলেন। সেসময় অনেকেই বলেছিল, কারিনা ভীষণ অদ্ভুত। খুব সমস্যা হবে। অথচ এমন কিছুই ঘটেনি। 

কফি উইথ করণ-এর সিজন ৬ এ কারিনাকে নিয়ে সারা বলেন, তার সঙ্গে বাবার বিয়ে হওয়ার পর থেকে মাঝে মাঝে তিনি আমাকে একটা কথাই বলেন, দেখো তোমার মা আছে। আর মা (অমৃতা) হিসেবে তিনি দারুণ। তাই আমি চাই তোমার সঙ্গে আমার বেশ ভালো বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকুক। এমনকি বাবাও (সাইফ) আমাকে কখনও বলেননি যে, কারিনা আমার দ্বিতীয় মা। এটা নিয়ে কখনো অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আমি ওকে কারিনা বা কারিনা আন্টি যা খুশি ডাকতে পারি। তবে কারিনা বললেই বাবা বেশি খুশি হন।  

বাবা সাইফ ও মা অমৃতা সম্পর্কে সারা বলেন, আসলে প্রত্যেকটা সম্পর্কে সম্মান প্রয়োজন। যেটা মানুষ চায়। আজ আমি আমার বাবাকেও দেখছি খুশি। মাকেও দেখছি ভালো থাকতে। আমার মনে হয় বাবা-মা যখন একসঙ্গে ছিল তার থেকে আলাদাই বেশি ভালো আছে। আর এভাবেই আমি বেশি ভালো আছি। যখন আমার একটাই বাড়ি ছিল তখন অশান্তিতে ছিলাম। আর এখন আমি দুই বাড়িতে গেলেই শান্তিতে থাকতে পারি। আর এটাই আমার পাওয়া। সূত্র: জিনিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর