রূপচর্চা

চুল হাইলাইট করার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮

চুল হাইলাইট করার ঘরোয়া উপায়

  অনলাইন ডেস্ক

চুলে হাইলাইট করা আজকাল ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর জন্য পার্লারে অনেকে হাজার হাজার টাকা খরচ করছেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে চুলের ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে। অথচ চেষ্টা করলে বাড়িতে বসেই চুলের হাইলাইটস করতে পারেন। এতে একদিকে যেমন খরচ বাঁচবে তেমনি চুলের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকিও কমে যাবে। যেমন- 

১. প্রাকৃতিক হাইলাইটার হিসাবে সবচেয়ে ভাল কাজ করে লেবু। এটি ব্যবহারে চুলে ঝলমলে একটা ভাব আসে। এই পদ্ধতিতে হাইলাইট করতে চাইলে একটি বাটিতে একই পরিমান লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে যে যে অংশে চুল হাইলাইটস করবেন সেখানে  লাগান। পার্লারের মতই চুলগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে ঢেকে  রোদের মধ্যে বসে থাকুন। চুল শুকালে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি তিন থেকে চারবার চুলে ব্যবহার করলেই চুল হাইলাইট হয়ে উঠবে।  

২. রঙ চায়ে প্রচুর পরিমানে ট্যানিক অ্যাসিড আছে যেটা ব্যবহার করলে চুল হাইলাইট হয়। ১ কাপ পানিতে ৬ থেকে ৭ চা চামচ চা পাতা দিয়ে ভাল ভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই চা চুলের গোছায় লাগিয়ে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে পেঁচিয়ে রাখুন। চা চুলে ভালো করে শুকোতে দিন । শুকিয়ে গেলে চুলগুলো ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে ৫ থেকে ৬ বার রঙ চা ব্যবহার করুন। এতে চুলে ফুটে উঠবে আপনার পছন্দের হাইলাইট।

৩. চুলের ময়েশ্চরাইজার হিসাবে অনেকেই অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন। এটা দিয়ে চুল হাইলাইটও করা যায়। চুলের যে যে অংশ হাইলাইট করতে চান সেসব অংশে ভাল করে অলিভ অয়েল মাখিয়ে রোদে বসে থাকুন। সূর্যের আলোর সঙ্গে বিক্রিয়ার মাধ্যমে অলিভ অয়েল চুলের রঙ পরিবর্তন করে ফেলে। 

৪. কন্ডিশনারের সঙ্গে সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো,লেবু আর মধু মিশিয়ে লাগালেও চুল হাইলাইট হবে।সব উপদান মিশিয়ে একটি মিশ্রন তৈরি করুন। মিশ্রনটি চুলে লাগিয়ে আধঘণ্টা রেখে দিন । ভালভাবে শুকালে চুলে শ্যাম্পু করে ফেলুন। মিশ্রণটি কয়েকবার ব্যবহার করলে চুলে রঙ দেখাবে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

খুশকির সমস্যা কমাবে আদার রস


আরও খবর

রূপচর্চা
খুশকির সমস্যা কমাবে আদার রস

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

রান্নার ক্ষেত্রে আদা খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। এটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায়ে না , ঠাণ্ডা-কাশি সারাতেও এটি দারুন উপকারী।অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের প্রদাহের বিরুদ্ধেও  লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে আদার। এমনকী চুলের স্বাস্থ্য ও খুশকি দূর করতেও আদা দারুন কার্যকরী। 

আদায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান চামড়া এবং চুলের গোড়ার সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।  আদার রস চুলের গোড়ার স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং খুশকি সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে।

খুশকি এবং চুলের গোড়ায় চুলকানির সমস্যা কমাতে আদার মাস্ক যেভাবে বানাবেন-

১. এক টুকরো কাঁচা আদা ছোট ছোট করে কেটে থেঁতলে নিন। 

২. কুচোনো বা থেঁতলানো আদা অল্প পানি দিয়ে কম আঁচে ফুটিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পানির রঙ বদলে হালকা ঘোলাটে হলুদ হয়ে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। 

৩. এখন আদার রস ছাঁকনি দিয়ে ভাল করে ছেঁকে নিন।

৪. ঠাণ্ডা হওয়ার পর আদার পানি একটি ছোট স্প্রে বোতলে ঢেলে রাখতে পারেন। সরাসরি আপনার চুলের গোড়ায় স্প্রে করতে পারেন মিশ্রণটি।

৫. স্প্রে করার পর আধ ঘন্টা পর্যন্ত চুলের গোড়া আদার রসে ভিজতে দিন। তারপর একটি হালকা অ্যান্টি ড্যান্ড্রফ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে একবার আদার রস দিয়ে এভাবে চুলের যত্ন নিলে কমে যাবে খুশকির সমস্যা। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ঘরোয়া পদ্ধতিতে পারফিউম বানানোর উপায়


আরও খবর

রূপচর্চা

  অনলাইন ডেস্ক

অনেকেই বাইরে বের হলে পারফিউম ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। বাজারে প্রচুর পারফিউম পাওয়া যায়। কিন্তু আপনার যা পছন্দ, ঠিক সেই গন্ধটি অনেকসময় নাও পাওয়া যেতে পারে।চেষ্টা করলে বাড়িতেই বানাতে পারেন আপনার পছন্দের পারফিউম।

প্রাচীনকালে থেকেই পারফিউমের প্রচলন চলে আসছে। তখন পারফিউম বানাতে রাসায়নিক ব্যবহার করা হতো না। ঘরোয়া পদ্ধতিতেই বানানো হত এটি। 

যদি আপনার গোলাপের গন্ধ পছন্দ হয়, তবে গোলাপ পেস্ট করে তেল বের করুন। এবার দুই টেবিল চামচ জজোবা বা বাদামের তেলের সঙ্গে এক ড্রপ গোলাপের তেল মেশান। বাজারে তৈরি পারফিউমের চেয়ে বাড়িতে তৈরি পারফিউমের স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয়। শুধু গোলাপ নয়, চন্দন, কমলা, ল্যাভেন্ডার, ভ্যানিলা, জুঁই, বেল ইত্যাদি দিয়েও তৈরি করতে পারেন পারফিউম। 

যদি কম গন্ধ চান তাহলে এই সব উপাদানের রস তেলে মেশাবেন অল্প করে। গাঢ় গন্ধ চাইলে বেশি করে মেশান। তবে, খেয়াল রাখবেন, আতরের মতো তীব্র গন্ধ যেন না হয়। পারফিউম তীব্র গন্ধের হলে ভাল লাগে না।

বিভিন্ন উপাদান দিয়ে যেভাবে তৈরি করবেন অনন্য পারফিউম :

প্রথমে চার ড্রপ ল্যাভেন্ডার, চার ড্রপ পাতিলেবুর রস, এক থেকে দুই ড্রপ কমলার রস ভাল ভাবে মেশান।

এরপর দুই ড্রপ জুঁই, এক ড্রপ চন্দন মিশিয়ে নিন।

এবার এই মিশ্রণ দু’টিকে একসঙ্গে করে তার সঙ্গে চার চামচ জজোবা বা বাদামের তেল মেশান। এবার একটি বোতলে ভালভাবে ঝাঁকিয়ে নিন। একদিন পর ব্যবহার করুন। মিশ্রণটি আপনার হাতের কবজি, ঘাড়, কানের পিছনে, কনুইয়ে লাগাতে পারেন।  সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন 

সংশ্লিষ্ট খবর