রূপচর্চা

পা ফাটা রোধে করণীয়

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০১৮

পা ফাটা রোধে  করণীয়

  অনলাইন ডেস্ক

পা ফাটা একটি পরিচিত সমস্যা। অনেকে সারাবছরই এই সমস্যায় ভোগেন। কারও কারও আবার শীতের শুরুতে বা আগ দিয়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। পা ফাটা কারও কারও এতই মারাত্মক হয়ে উঠে যে পা দিয়ে রক্ত পর্যন্ত পড়ে। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরন করে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যেমন-

১. তিন টেবিল চামচ চালের গুড়া, এক চামচ মধু এবং ২ থেকে ৩ ফোটা আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। প্রথমে পায়ের গোড়ালি হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পাটা মুছে তাতে মিশ্রণটা লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন এটা করলে পা ফাটা কমে যাবে। 

২. দুটি পাকা কলা ভালভাবে চটকে নিন। এরপর এটি আক্রান্ত স্থানগুলোতে ভালভাবে লাগান। ২০ মিনিট পর পা ধুয়ে ফেলুন। কলায় থাকা প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার ,ভিটামিন এ, বি সিক্স, এবং ভিটামিন সি ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৩. শুধু মধু  ব্যবহার করেও পা ফাটা রোধ করা যায়। গামলায় হালকা গরম পানিতে এক কাপ মধু ঢালুন। পা-টা তাতে ২০ মিনিটের মতো ডুবিয়ে রাখুন। এবার পা ঘষার পাথর দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন। নিয়মিত এটি করলে পা ফাটা রোধ করা যায়। 

৪. একটি বালতি অথবা গামলায়  হালকা গরম পানিতে তিন চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশান। পানিতে ২০মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পাথর দিয়ে পায়ের গোড়ালি আস্তে আস্তে ঘষুন। এরপর পরিষ্কার পানিতে পা ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। পা শুকিয়ে এলে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অন্তত তিন বার বেকিং সোডা এভাবে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। 

৫. পা ফাটা রোধে গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ দারুন কার্যকরী। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনের সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। এটি পা ফাটা রোধ করবে। 

৬. লেবুর রসের সঙ্গে ভেসলিন মিশিয়ে পায়ে লাগাতে পারেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পা ভালভাবে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি লাগান। এটি আপনার পা ফাটা রোধ করবে। সূত্র : ব্রাইটসাইড

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সৌন্দর্যচর্চায় পেঁয়াজের ব্যবহার


আরও খবর

রূপচর্চা

  অনলাইন ডেস্ক

রান্নার স্বাদ বাড়াতে পেঁয়াজের জুড়ি নেই। সৌন্দর্যচর্চাতেও পেঁয়াজ দারুন উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ত্বকের সুরক্ষা করে। সেই সঙ্গে চুলেরও বৃদ্ধি ঘটায়। 

পেঁয়াজে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং ই তে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। তাই ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে মুখে পেঁয়াজের রস লাগাতে পারেন। 

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে যদি হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগানো যায় তাহলে তা মুখের কালো দাগ দূর করতে দারুনভাবে কাজ করে। এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ময়দা আর দুধের সর মিশিয়ে লাগালেও ত্বক দিনে দিনে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। 

ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে অলিভ অয়েলের সঙ্গে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে লাগাতে পারেন।এতে উপকার পাবেন। 

পেঁয়াজের রস চুলের বৃদ্ধি ঘটাতেও ভূমিকা রাখে। এতে থাকা উচ্চ পরিমানের সালফার চুলের গোড়ায় রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। পেঁয়াজের রসের সঙ্গে গোলাপ পানি মিশিয়ে একটা বোতলে রেখে দিতে পারেন। তারপর স্প্রে দিয়ে মিশ্রনটা চুলে লাগান।৩০ মিনিট পর চুলটা ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল উজ্জ্বল দেখাবে। 

চুলের খুশকি দূর করতে কিংবা চুল পাকা রোধেও পেঁয়াজের রসের জুড়ি নেই। 

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। তাহলে ঠোঁটের শুষ্কতা দূর হয়ে তা হবে কোমল ও মসৃণ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শীতে ঠোঁটের যত্ন


আরও খবর

রূপচর্চা
শীতে ঠোঁটের যত্ন

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

শীতে ত্বক শুষ্ক হওয়ার পাশাপাশি ঠোঁটও শুষ্ক, রুক্ষ হয়ে ওঠে। এ সময় ঠোঁটের নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতিতে এ সময় ঠোঁট ফাঁটা রোধ করা যায়। যেমন-

১.  অনেকের বাড়িতেই আজকাল অ্যালোভেরা গাছ থাকে। আশেপাশের বাজারেও অ্যালোভেরার পাতা পেতে পারেন। নিয়মিত অ্যালোভেরার রস ঠোঁটে লাগালে শুষ্ক ঠোঁটের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

২. এক ফোঁটা ঘি ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এটি ঠোঁটের শুষ্কতা কমিয়ে ঠোঁট নরম রাখতে সাহায্য করবে।

৩. মধু ও গ্লিসারিনের পেস্ট বানিয়ে  লাগালে ঠোঁট নরম হবে।

৪. টাটকা গোলাপের পাপড়ি নিয়ে কাঁচা দুধে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর সারা দিনে অন্তত তিন বার এটা ঠোঁটে লাগান। ঠোঁট হবে কোমল ও মসৃণ।

৫. চিনি স্ক্র্যাবার হিসাবে ভাল কাজ করে। ঠোঁটে চিনি ঘষলে মরা কোষ সরে যায়। সেই সঙ্গে ঠোঁট হয়ে ওঠে নরম, কোমল। 

৬. প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে নারকেল তেলের গুরুত্ব অনেক। অল্প একটু নারকেল তেল গরম করে ঠোঁটে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন । সকালে ঠোঁট নরম হয়ে উঠবে। 

এছাড়া ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করতে আর কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরী। ঘনঘন ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকুন। রাতে ঠোঁটে লিপ জেল, গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। নিয়মিত ঠোঁটে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। শীতকালে শরীরে যেন পানির ঘাটতি না হয়  সেজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। শরীরকে সতেজ রাখতে ভিটামিন, খনিজ পদার্থে পূর্ণ খাবার খান। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

খুশকির সমস্যা দূর করবেন যেভাবে


আরও খবর

রূপচর্চা

  অনলাইন ডেস্ক

কমবেশি সবাই চুলের খুশকি সমস্যায় ভোগেন। এর জন্য অনেকেই অনেক ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। কিন্তু তারপরও এ সমস্যা থেকেই যায়। খুশকির সমস্যা এড়াতে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরন করতে পারেন।যেমন-

১. নিমপাতা বেটে নিন। এরপর এতে পরিমান মতো টক দই মিশিযে একটা পেস্ট তৈরি করুন।১৫ থেকে ২০ মিনিট চুলে দিয়ে ভালভাবে মাথা ধুয়ে ফেলুন।নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান খুশকি দূর করতে দারুনভাবে কাজ করে। 

২. একটি ছোট পাত্রে দু'টি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে এক চামচ লেবুর রস মেশান। আধ ঘণ্টার জন্য চুলে লাগিয়ে রেখে দিন, তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুলটা ধুয়ে ফেলুন। প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিমের সাদা অংশ চুলের খুশকি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৩. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকি খুশকি প্রতিরোধ করে। আমলকির গুঁড়া করে পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। ৮ থেকে ১০ টা তুলসী পাতা অল্প করে পানি দিয়ে জ্বালিয়ে নিন। এরপর এটি আমলকির পেস্টের সঙ্গে মেশান। হাত দিয়ে চুলের গোড়ায় ভালভাবে লাগান পেস্টটি। আধঘণ্টা পর ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে নিন। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান চুলের সুরক্ষা করতে সাহায্য করে।

৪. মেথিদানা উচ্চ প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ যা চুল পড়া এবং খুশকি প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া চুলের শুষ্কতা, চুল ওঠা এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যাও কমায় মেথি। রাতে তিন চামচ মেথি বীজ নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ব্লেন্ডারের সাহায্যে গুঁড়া নিন ওই মেথি। এবার মেথির সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস মেশান। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত এই পেস্ট ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। আধঘন্টা পর শ্যাম্পু করে নিন।  সূত্র:এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর