বরিশাল

হাতকড়া পরা অবস্থায় ইয়াবা সেবন!

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

হাতকড়া পরা অবস্থায় ইয়াবা সেবন!

   বরিশাল ব্যুরো

বরিশালে পুলিশের হাতকড়া পরা অবস্থায় মাউদুত করিম নামে এক ব্যক্তির ইয়াবা সেবনের ছবিটি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় তোলপাড়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর বেলাতলা খেয়াঘাট এলাকা থেকে আট পিস ইয়াবাসহ মাউদুত করিমকে আটক করা হয়। তাকে হাতকড়া পরিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় নেওয়া হয়। মাউদুত করিমের বাড়ি চরমোনাই ইউনিয়নের পশুরকাঠি গ্রামে। মাউদুতের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে, হাতকড়া পরা অবস্থায় ইয়াবা সেবনের ছবিটি ফেসবুকে কে পোস্ট করেছে সে ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন নগর পুলিশের এই মুখপাত্র।

তবে গোয়েন্দা পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়, মাউদুত করিমকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় নিয়ে আসা হলে পুলিশ সদস্যরা বিস্ময় প্রকাশ করেন। এ সময় কৌতূহলী হয়ে মাউদুত করিমের কাছে ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখতে চান তারা। মাউদুত করিম তাদের অনুরোধে ইয়াবা সেবন করে দেখান। এ সময় সেখানে উপস্থিত কেউ একজন মুঠোফোনে ছবিটি ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করে থাকতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মানুষ এত নিষ্ঠুর হয়!


আরও খবর

বরিশাল
মানুষ এত নিষ্ঠুর হয়!

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

এভাবেই হাত-পা বেঁধে কিশোরকে নির্যাতন করা হয় -সংগৃহীত

  চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলার চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নে মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আমজাদের নেতৃত্বে রুবেল (১৪) নামের এক কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

গত ১৫ নভেম্বর এই ঘটনা ঘটলেও নির্যাতনকারীদের হুমকি আর আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ওই কিশোরের পরিবার মামলা করতে পারেনি। তবে নির্যাতনের দৃশ্য ফেসবুকে ভাইরাল হলে ঘটনার একমাসের বেশি সময় পর শনিবার পুলিশ ওই কিশোরের মাকে ডেকে নেয়। পরে  হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আমজাদ হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করে শশীভূষণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

নির্যাতিত রুবেলের মা বিলকিছ বেগম বলেন, রুবেল জেলে নৌকার বাবুর্চি। ঘটনার আগের দিন বনভোজন খাওয়ার জন্য রুবেলসহ বেশ কয়েকজন মুরগি কিনে আনে। সেই মুরগি চুরি করে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় মেম্বার। পরে ১৫ নভেম্বর মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে মেম্বার বাড়ি থেকে রুবেলকে ডেকে নিয়ে ৭নং ওয়ার্ডের হাজারীগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গ্রামবাসীর সামনে বেঁধে মারধর করেন।

তিনি জানান, একদিকে রুবেলকে পেটানো হয়, অন্যদিকে টাকার জন্য তার কাছে খবর পাঠানো হয়। পরে তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদারের কাছে গেলে মেম্বারকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে নেয়ার কথা বলেন। পরে নিরুপায় হয়ে বিলকিছ বেগম নাকফুল আর গলার গহনা বন্ধক রেখে ৫ হাজার টাকা এনে মেম্বার আমাজাদ হোসেনকে দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে নেন। 

বিলকিছ বেগম বলেন, ঘটনার পর অর্থাভাবে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারিনি। এছাড়াও মেম্বারের হুমকির কারণে মামলাও করতে যাইনি। পরে থানায় ডেকে নিয়ে মেম্বারসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা নেয়।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত মেম্বার আমজাদ হোসেন বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমি মুরগি চুরির কঠিন বিচার করেছি। বিচার করতে গেলে একটু আধটু মারধর করতেই হয়।

তবে চেয়ারম্যান সেলিম হাওলাদার দাবি করেন, ঘটনা প্রসেঙ্গ তিনি কিছুই জানতেন না। নির্যাতনের পর রুবেলের মা তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। 

শশীভূষণ থানার উপপরিদর্শক মামালার তদন্ত কর্মকর্তা পবিত্র কুমার জানান, এই ঘটানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পটুয়াখালীতে মাদ্রাসাছাত্রী গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্য গ্রেফতার


আরও খবর

বরিশাল

  পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সপ্তম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শনিবার রাতে আটজনকে আসামি করে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা হয়েছে। ওইদিন রাতেই পুলিশ মামলার আসামি রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নবীনূর রহমানকে গ্রেফতার করেছে। 

মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন- সুমন চৌকিদার, দানেশ চৌকিদার, সেরাজুল চৌকিদার, ছাদের চৌকিদার, ইমরান চৌকিদার, রাকিব চৌকিদার ও মোফা। মোফার বাড়ি উপজেলার কাছিয়াবুনিয়া গ্রামে এবং বাকিদের বাড়ি সামুদাবাদ গ্রামে।

অভিযোগে বলা হয়, রাঙ্গাবালী হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে গত বছরের ২৪ অক্টোবর নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় তিন মাস পর গত ৩ জানুয়ারি পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি অভিযোগ করা হয়। 

অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিচারক রাঙ্গাবালী থানার ওসিকে তদন্ত করে মামলা গ্রহণের আদেশ দেন। তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে শনিবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় এ মামলাটি রুজু করা হয়। পরে কাছিয়াবুনিয়া পুলঘাট বাজার এলাকা থেকে আসামি ইউপি সদস্য নবীনূরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র জানান, গণধর্ষণের পর ওই ছাত্রীকে হত্যার আলামত ময়নাতদন্তে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়ে মামলাটি রুজু করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মাদ্রাসা শিক্ষকের একী কাণ্ড!


আরও খবর

বরিশাল
মাদ্রাসা শিক্ষকের একী কাণ্ড!

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

  বরগুনা প্রতিনিধি

সিলেবাস দেওয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে অষ্টম শ্রেণি পড়ূয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। রোববার সকাল ১১টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। 

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি উপজেরার সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানার শরীর চর্চা শিক্ষক। ওই ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওই ছাত্রীর মা জানান, সকাল ১১টার দিকে তার মেয়েকে শিক্ষক সাইফুল ইসলাম সিলেবাস দেওয়ার কথা বলে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে শিক্ষকের বাসা থেকে মেয়েকে উদ্ধার করেন। তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাকিল তানভীর বলেন, প্রাথমিকভাবে মেয়েটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে সে।

বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এদিকে ঘটনার পর পরই পালিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলাম। তবে এলাকাবাসী এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান মারুফ মৃধা বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ধর্ষককে দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনা না হলে গ্রামবাসীকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর