বরিশাল

বরিশালে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

বরিশালে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগ

  বরিশাল ব্যুরো

বরিশালে পুলিশের বিরুদ্ধে এক আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। 

জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে আদালতের জেলখানায় দুই আসামির মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে এক আসামিকে মারধর করে পুলিশ সদস্যরা। খবর পেয়ে আদালতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ পরিদর্শক আসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শ করেন। নির্যাতনের শিকার আসামির নাম রফিকুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, বেলা ১২টার দিকে আদালতের জেলখানায় আসামি সুজন ও রফিকুল ইসলামের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে নেওয়ার সময় তারা ধস্তাধস্তি শুরু করে। এর জের ধরে বেলা ২টার দিকে একদল পুলিশ সদস্য জেলে ঢুকে আসামি রফিকুল ইসলামকে মারধর করে। আদালত চলাকালে পুলিশের এমন ঘটনায় বিচারপ্রার্থীরা বিস্মিত হন।

খবর পেয়ে বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আসলাম জেলখানা পরিদর্শনে এলে অন্যান্য আসামিরা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। তারা রফিকুলকে মারধরের বিচার চান। এ সময় পরিদর্শক আসলাম অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের হুঁশিয়ারী করেন।

এ প্রসঙ্গে আসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কোন আসামিকে মারধর করা হয়নি। জেলখানায় দুই আসামির মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে মাত্র। পরবর্তিতে সকল আসামিকে নিরাপদে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

গতিরোধকে গতি না কমানোয়...


আরও খবর

বরিশাল
গতিরোধকে গতি না কমানোয়...

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০১৯

দুর্ঘটনা কবলিত বাস -সমকাল

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনায় আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কে সাকুরা পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্টো-ব-১১-৮৫৬৭) উল্টে ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের ঘঠখালী এলাকায় চাওরা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। 

আহতদের মধ্যে ৪ জনকে মুমুর্ষ অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বাসটি শুক্রবার রাতে ঢাকার গাবতলী থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশে ছেড়ে আসে।

প্রত্যাক্ষদর্শী ও বাসে থাকা যাত্রীরা জানায়, চালক বেপরোয়া ভাবে বাসটি চালিয়ে আসছিল। পথে ঘটখালী এলাকায় থাকা একটি গতিরোধক দ্রুতগতিতে পার হওয়ায় বাসটি চালকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে বাসটি উল্টে ২-৩টি পাক খেয়ে সড়কের পাশে সিটকে পরে। এ সময় বাসের যাত্রীদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে  ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের সহায়তায় বাসের মধ্যে আটকে পরা যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে আনা হয়।

আহতরা হলেন- লিটন দে (৩৫), মশিউর রহমান (২১), মামা নৈ (৪৫), রিপন (৪০), আমেনা বেগম (৬০), জোবেদ আলী (৫০), নাহিদ (৭০), নাজমা (৩৫), জান্নাতি (৩), মোস্তফা (৫০), লাভলী (৩০), জাহানারা (৪৫), সাঈদুল (৪৫), হোসনেয়ারা (৩৫), তাসলিমা (৫০), আসমা (৩৫), ইউসুব (৬), মোনাই (৬০), আবজাল (২৪) ও জান্নাতি (৪০)। এছাড়াও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আমেনা বেগম, জোবেদ আলী, নাহিদ ও সাঈদুল ইসলামকে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আলাউদ্দিন মিলন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। 

তিনি জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন ও আমতলী-তালতলী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ তদারকি করেন।  

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গৌরনদীতে বন্ধুদের নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ


আরও খবর

বরিশাল

  অনলাইন ডেস্ক

টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের তিন ছাত্রের লালসার ফাঁদে পড়ে বরিশালের গৌরনদীতে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী কয়েক দফা গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। 

পুলিশ রোববার রাতে অভিযুক্ত দু'জনকে গ্রেফতার করেছে। ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে প্রেমিকসহ তিন যুবক। 

গৌরনদী উপজেলা সদরের উত্তর বিজয়পুর গ্রামের সেন্ট পিটার ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন জান্নাত মঞ্জিলের তৃতীয় তলায় ভাড়া থেকে পড়ালেখা করত শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের তিন ছাত্র সাজ্জাদ হোসেন শাওন, সরোয়ার হোসেন কামার ও মাহাফুজুল রহমান ওরফে সাদিক সরকার। পাশের বাড়ির বাসিন্দা এক মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে শাওনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 

গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে শাওন তার প্রেমিকাকে মোবাইল ফোনে জানায় সে খুব অসুস্থ। খবর পেয়ে সকালে ছাত্রীটি শাওনকে দেখতে শাওনের ভাড়া বাসায় যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা দুই বন্ধু সরোয়ার ও মাহাফুজুলকে নিয়ে শাওন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। গোপনে এর ভিডিও ধারণ করে রাখে তারা। পরে ওই ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ার ভয় দেখিয়ে তিন বন্ধু মিলে গত এক মাসে একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে পৌর মেয়রের মধ্যস্থতায় রোববার থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। ওইদিন রাতেই ধর্ষক সরোয়ার হোসেন কামার ও মাহাফুজুল রহমান ওরফে সাদিক সরকারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ঘটনার মূল নায়ক সাজ্জাদ হোসেন শাওন গা-ঢাকা দিয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুর রব হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের তিন ছাত্রকে আসামি করে সোমবার দুপুরে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেছেন। গ্রেফতারকৃত দু'জনকে থানা হাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক শাওনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

লোকালয়ে হরিণ, বন বিভাগে হস্তান্তর করল পুলিশ


আরও খবর

বরিশাল

ছবি: সমকাল

  চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি

চরফ্যাসনের আসলামপুর ইউনিয়নের ঠেলাখালী ব্রিজ সংলগ্ন খালপাড় থেকে একটি হরিণ উদ্ধার করেছে গ্রামবাসী। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে খালে পড়ে গেলে গ্রামবাসী হরিণটি উদ্ধার করে চরফ্যাসন থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। 

গ্রামবাসী জানায়, মনপুরার বনাঞ্চল থেকে মিষ্টি পানির সন্ধানে মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে হরিণটি চরফ্যাসনের আসলামপুরের লোকালয়ে চলে আসে। গ্রামের লোকজন ধাওয়া দিলে সেটি পাশের খালে ঝাঁপ দেয়। খাল থেকে হরিণকে উদ্ধার করে তারা সেটিকে চরফ্যাসন থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। 

চরফ্যাসন থানার ওসি ম. এনামুল হক জানান, সুস্থ হরিণটি চরফ্যাসন বন বিভাগের রেঞ্জারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। চরফ্যাসনের রেঞ্জার খলিলুর রহমান জানান, হরিনটিকে রাতেই চর মানিকার ম্যানগ্রোভ বাগানে অবমুক্ত করা হবে।