ব্যাংক-বীমা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার

দেশজুড়ে বিস্তৃত হচ্ছে এক ব্যাংকারের স্বপ্ন

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশজুড়ে বিস্তৃত হচ্ছে এক ব্যাংকারের স্বপ্ন

শামস-উল ইসলাম

  ওবায়দুল্লাহ রনি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। স্বাধীনতা অর্জনের ফলেই রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের এমডির মতো শীর্ষ পদে আসীন হচ্ছেন বাংলাদেশিরা। জাতির পিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা থেকে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম নিজ প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছিলেন 'বঙ্গবন্ধু কর্নার'। এ নিয়ে গত বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছিলেন তিনি। তার ধারণার আদলে এখন দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠায় সরকারি এ উদ্যোগে অভিভূত তিনি। তার প্রত্যাশা, এ ভাবনা ছড়িয়ে পড়বে দেশের সব প্রতিষ্ঠানে।

শামস-উল ইসলাম জানান, অগ্রণী ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিষয়ে গত বছরের ১২ জুন তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন। সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ব্যাংকের পক্ষে চেক হস্তান্তরের সময় বঙ্গবন্ধু কর্নার বিষয়ে কয়েকটি ছবি তার হাতে তুলে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এরপর গত জুলাইয়ে সমকালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশের পর তিনি জানতে পারেন জাতীয়ভাবে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

১৯৮৪ সালে অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন শামস-উল ইসলাম। ২০০৮ সালে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। পরে ডিএমডি হন। এরপর প্রথমে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসাবে যোগদান করেন। অগ্রণী ব্যাংকে যোগদানের ১০০ দিনের মধ্যে প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান, এমডিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফ্লোরে প্রবেশ দ্বারে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করেন তিনি। এখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ১০০ কেজি ওজনের ব্রোঞ্জের একটি আবক্ষ ভাস্কর্য। আরও আছে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত বিভিন্ন বই, বক্তৃতার সিডি, অ্যালবামসহ বিভিন্ন প্রকাশনা। এখানে স্থাপিত মনিটরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার ব্যবস্থা রয়েছে।

আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি থাকা অবস্থায়ও তিনি এ কাজ করেন। ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্যাংকটির দ্বিতীয় তলায় চেয়ারম্যানের কক্ষ ও বোর্ডরুম সংলগ্ন একটি রুমে বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে রয়েছে গ্লাস ফাইবারে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ ভাস্কর্যসহ বিভিন্ন সংগ্রহ। অগ্রণী ব্যাংকে মৌলভীবাজারের আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ২০১০ সালে আঞ্চলিক কার্যালয়ে স্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু কর্নার।

শামস-উল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন নিয়ে ব্যাংকের ভেতরে নানা সমালোচনা ছিল। সেসব উপেক্ষা করে তিনি এটা করেছেন। এখন জাতীয়ভাবে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এ রকম উদ্যোগ নিচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন। এটাই তার আত্মতৃপ্তির বিষয়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে অগ্রণী ব্যাংকের নাম ছিল হাবিব ব্যাংক। দেশ স্বাধীন না হলে বড় জোর তিনি হয়তো ওই ব্যাংকের এজিএম পর্যায়ের কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ পেতেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলে এমডি পর্যায়ে আসতে পেরেছেন। অন্য সব ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। ফলে সামর্থ্য অনুযায়ী সব প্রতিষ্ঠানের উচিত বঙ্গবন্ধু চর্চাকেন্দ্র গড়ে তোলা।

শামস-উল ইসলামের ধারণার আদলে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারে 'বঙ্গবন্ধু কর্নার' স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব কর্নারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই ও প্রমাণ্যচিত্রগুলো স্থান পাবে। এ ছাড়াও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন লেখকের প্রবন্ধ, বক্তৃতা, বিবৃতি, বাণী, নির্দেশ, সাক্ষাৎকার এবং ছবিও স্থান পাবে এখানে। কোন বইগুলো রাখা হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। নির্ধারিত বইয়ের তালিকা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর পর তা গ্রন্থাগারে সংরক্ষণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ওপর লেখা বইয়ের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে এ বিষয়ে একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মানুষ এখন ব্যাংকে আসতে ভয় পায়: অর্থমন্ত্রী


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

বৃহস্পতিবার অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল— পিআইডি

  সমকাল প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, অনাকাঙ্খিত হলেও এটা ঠিক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা বিপদে আছে। এক সময় ব্যাংক ছিল সবার প্রিয় জায়গা। আর মানুষ এখন ব্যাংকে আসতে ভয় পায়।

বৃহস্পতিবার অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিরি এসব কথা বলেন। ব্যাংক খাতের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন বলেও এ সময় উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সম্মেলনে ব্যাংকের বিভিন্ন সূচক তুলে ধরা হয়। এবার অগ্রণী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ মোট ১৬ জনকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য মনোনীত করে। বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পরবর্তী সময়ে সম্মাননা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়। বাকিদের অধিকাংশ নিজ বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত হয়ে সম্মাননা গ্রহণ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকে তাকে বলেছেন এ মন্ত্রণালয় চালানো অনেক কঠিন। তবে তিনি চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। এখানে এসেছেন বিখ্যাত ব্যাংকিং খাত গড়ে তুলতে। আর এজন্য খেলাপি ঋণ আর বাড়তে দেওয়া যাবে না। খেলাপি ঋণ না বাড়লে এমনিতেই সুদহার এক অঙ্কের অনেক নিচে নেমে আসবে। তখন আর সুদহার নিয়ে কথা বলতে হবে না। তবে স্বল্প মেয়াদি আমানত নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ দেওয়ার এ ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এটা চলতে পারে না। এরকম হলে মানুষ কীভাবে টাকা ফেরত দেবে। আর এজন্য বন্ড মার্কেট বিকশিত করা হবে। বন্ড মার্কেট থেকে দীর্ঘ মেয়াদে টাকা তোলা গেলে আর সমস্যা থাকবে না।

তিনি বলেন, দেশে একটা অদ্ভুত প্রথা চলে আসছে। যারা কর দেন তারা শুধু দিয়েই যাচ্ছেন। এটা হতে পারে না। এসব বিবেচনায় নিয়ে এবারের বাজেটে কর কমানো হবে। করের অনেকগুলো স্তরের মাধ্যমে যারা বেশি কর দেন তাদের হার কমানো হবে। আর যারা একেবারে কর দেন না তাদের আওতায় আনা হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থায়ী কোনো সমাধান না। প্রত্যেক পরিবার থেকে অন্তত একজনকে কর্মের সন্ধান দেওয়া হবে। সেটা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিয়ে কিংবা, মুদি দোকান বা অন্য কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে করা হবে। বেকার সমস্যা থেকে মানুষকে মুক্ত করার লক্ষ্যেই এটা করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ৯৫ শতাংশই মন্দামানে শ্রেণিকৃত। এসব ঋণ আদায় জোরদার করতে হবে। এ জন্য শুধু মামলার ওপর ভরসা না করে বিকল্প উপায়ে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা উচ্চ আদালতে রিট নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা। এজন্য আলাদা বেঞ্চ গঠন এবং রিটের সঙ্গে ডাউন পেমেন্টের শর্ত জুড়ে দেওয়া গেলে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংক খাত এখন স্বল্প সুদে আমানত নিয়ে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে বিতরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংকুলান করার চ্যালেঞ্জে পড়েছে। অগ্রণী ব্যাংক তার ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এক্ষেত্রে উন্নয়নের চেষ্টা করছে। আদায় বৃদ্ধি এবং যাচাই-বাছাই করে নতুন ঋণ বিতরণের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ ২০ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, এক বছরে ব্যাংকটির আমানত ১৮ শতাংশ বেড়ে ৬২ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা হয়েছে। ঋণে ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে ৩৯ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা হয়েছে। রফতানিতে ১৭ শতাংশ এবং রেমিট্যান্সে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এতে করে গতবছর ব্যাংকটি ৯৫৭ কোটি টাকার পরিচালন মুনাফা করেছে।

গুণী গ্রাহক সম্মাননা পেলেন যারা: সম্মেলন থেকে গুণী গ্রাহক হিসেবে মনোনীতদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন। সম্মাননা পাওয়ার তালিকায় আরও আছেন পিএইচপি গ্রুপের সুফি মিজানুর রহমান, ইস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, এ্যাপেক্স গ্রুপের মনজুর এলাহী, সিটি গ্রুপের ফজলুর রহমান, নিটল নিলয় গ্রুপের আবদুল মাতলুব আহমাদ, নর্থইস্ট পাওয়ারের খুরশিদ আলম, নোমান গ্রুপের নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের আইয়ুব হোসেন, বিএসআরএমের আলী হোসেন, প্রাইম গ্রুপের আব্দুল আউয়াল, এসএমই উদ্যোক্তা নুরুন্নাহার বেগম ও সাধারণ গ্রাহক মোহাম্মদ শাহজাহান।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মিগার ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকায়


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সির (মিগা) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস বিজয় লাইয়ার ঢাকায় পৌঁছেছেন।

বুধবার প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকায় ঢাকায় অবস্থান করবেন তিনি।

ঢাকায় সফরের এ সময়ের মধ্যে এস বিজয় সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক সম্পর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন।



পরের
খবর

২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ব্যাংক বন্ধ


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

  সমকাল প্রতিবেদক

ভোট উপলক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে ভোট গ্রহণ এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত অংশে কাউন্সিলর পদে ভোট দান ও গ্রহণের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার বাইরে ওই দিন যেসব পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংশ্নিষ্ট এলাকারও ব্যাংক বন্ধ রাখতে হবে। এর বাইরে সব এলাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক খোলা থাকবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সংশ্নিষ্টরা জানান, এ সিদ্ধান্তের ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল ও সদরঘাট অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি বন্ধ থাকবে। আর রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়া সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও ঢাকা সিটিতে অবস্থিত সকল শাখা বন্ধ রাখতে হবে।

দেশে কার্যরত ৫৮টি ব্যাংকের মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়া সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত। এছাড়া ওই দিন নির্বাচনের কারণে বরগুনার আমতলী, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ ও পটুয়াখালী পৌরসভা এলাকায় ব্যাংক বন্ধ রাখতে হবে।

এর বাইরে দিনাজপুরের বিরলের তিনটি ইউনিয়ন, চট্রগ্রামের ফটিকছড়ির দু'টি, ময়মনসিংহের নান্দাইলের দু'টি, ফরিদপুরের চাঁদপুর ও মধুখালীর নওয়াপাড়া, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের কাচিকাটা, কুমিল্লার বরুড়ার গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ভোট উপলক্ষে ব্যাংক শাখা বন্ধ রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্রগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ অফিস খোলা থাকবে।

এছাড়া উল্লেখিত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের বাইরের সব ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয় ও শাখা খোলা রাখতে হবে। অবিলম্বে এ নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর