ব্যাংক-বীমা

জনতা ব্যাংকের দুই পরিচালক প্রত্যাহার

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

জনতা ব্যাংকের দুই পরিচালক প্রত্যাহার

  ওবায়দুল্লাহ রনি

জালিয়াতি করে ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও এননটেক্সকে প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে জনতা ব্যাংকের দুই পরিচালককে সরিয়ে দিল সরকার। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সম্প্রতি তাদের প্রত্যাহার করা হলো। তারা হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল হক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মানিক চন্দ্র দে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরামর্শে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দুই পরিচালককে প্রত্যাহার বিষয়ে জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বরাবর বুধবার চিঠি দেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। ওই দিন জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার দুই পরিচালককে প্রত্যাহার বিষয়ে অনাপত্তি চেয়ে ব্যাংকের পক্ষ থেকে চিঠি এলে তাতে সায় দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর গতকাল জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে এ দু'জনের নাম সরিয়ে ফেলা হয়। জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১৩ পরিচালক পদের মধ্যে বর্তমানে আটজন পরিচালক আছেন। শূন্য হলো পাঁচটি পদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, জনতা ব্যাংকের দুই পরিচালককে সরকার প্রত্যাহার করেছে। তাতে বাংলাদেশ ব্যাংক অনাপত্তি দিয়েছে।

বাদ দেওয়া দুই পরিচালকের মধ্যে মো. আবদুল হক তিন বছর মেয়াদে জনতা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন গত বছরের ১১ জুলাই। ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত তার মেয়াদ ছিল। আরেক পরিচালক মানিক চন্দ্র দে ২০১৫ সালের ৩০ জুন তিন বছর মেয়াদে পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার মেয়াদ ছিল। জনতা ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা এবং সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামানের মধ্যবর্তী সময়ে মানিক চন্দ্র দে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। আইটি খাতের দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন বছর জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান।

ঋণ জালিয়াতির কারণে এখন ব্যাংক খাতে আলোচিত জনতা ব্যাংক। বিভিন্ন পক্ষের যোগসাজশে ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও এননটেক্স নামের দুই প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়ে আটকে গেছে ব্যাংকটি। এসব ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির নিট লোকসান হয়েছে এক হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। জুন শেষে মূলধন ঘাটতি দেখা দিয়েছে দুই হাজার ১৯৫ কোটি টাকা। ক্রিসেন্ট গ্রুপের এক হাজার ৫৭১ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি ধরে জুনের হিসাব প্রকাশিত হয়। তবে এরই মধ্যে ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠানের তিন হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য নিলাম ডেকেছে জনতা ব্যাংক। এননটেক্সকে দেওয়া সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণের একটি অংশও খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। ফলে সেপ্টেম্বরের হিসাব চূড়ান্ত হলে জনতার মোট খেলাপি ঋণ প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকায় ঠেকবে বলে সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন। 


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মানুষ এখন ব্যাংকে আসতে ভয় পায়: অর্থমন্ত্রী


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

বৃহস্পতিবার অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল— পিআইডি

  সমকাল প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, অনাকাঙ্খিত হলেও এটা ঠিক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা বিপদে আছে। এক সময় ব্যাংক ছিল সবার প্রিয় জায়গা। আর মানুষ এখন ব্যাংকে আসতে ভয় পায়।

বৃহস্পতিবার অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিরি এসব কথা বলেন। ব্যাংক খাতের পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন বলেও এ সময় উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সম্মেলনে ব্যাংকের বিভিন্ন সূচক তুলে ধরা হয়। এবার অগ্রণী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ মোট ১৬ জনকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য মনোনীত করে। বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পরবর্তী সময়ে সম্মাননা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়। বাকিদের অধিকাংশ নিজ বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত হয়ে সম্মাননা গ্রহণ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকে তাকে বলেছেন এ মন্ত্রণালয় চালানো অনেক কঠিন। তবে তিনি চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। এখানে এসেছেন বিখ্যাত ব্যাংকিং খাত গড়ে তুলতে। আর এজন্য খেলাপি ঋণ আর বাড়তে দেওয়া যাবে না। খেলাপি ঋণ না বাড়লে এমনিতেই সুদহার এক অঙ্কের অনেক নিচে নেমে আসবে। তখন আর সুদহার নিয়ে কথা বলতে হবে না। তবে স্বল্প মেয়াদি আমানত নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ দেওয়ার এ ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এটা চলতে পারে না। এরকম হলে মানুষ কীভাবে টাকা ফেরত দেবে। আর এজন্য বন্ড মার্কেট বিকশিত করা হবে। বন্ড মার্কেট থেকে দীর্ঘ মেয়াদে টাকা তোলা গেলে আর সমস্যা থাকবে না।

তিনি বলেন, দেশে একটা অদ্ভুত প্রথা চলে আসছে। যারা কর দেন তারা শুধু দিয়েই যাচ্ছেন। এটা হতে পারে না। এসব বিবেচনায় নিয়ে এবারের বাজেটে কর কমানো হবে। করের অনেকগুলো স্তরের মাধ্যমে যারা বেশি কর দেন তাদের হার কমানো হবে। আর যারা একেবারে কর দেন না তাদের আওতায় আনা হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থায়ী কোনো সমাধান না। প্রত্যেক পরিবার থেকে অন্তত একজনকে কর্মের সন্ধান দেওয়া হবে। সেটা সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিয়ে কিংবা, মুদি দোকান বা অন্য কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে করা হবে। বেকার সমস্যা থেকে মানুষকে মুক্ত করার লক্ষ্যেই এটা করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ৯৫ শতাংশই মন্দামানে শ্রেণিকৃত। এসব ঋণ আদায় জোরদার করতে হবে। এ জন্য শুধু মামলার ওপর ভরসা না করে বিকল্প উপায়ে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করতে হবে।

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা উচ্চ আদালতে রিট নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা। এজন্য আলাদা বেঞ্চ গঠন এবং রিটের সঙ্গে ডাউন পেমেন্টের শর্ত জুড়ে দেওয়া গেলে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংক খাত এখন স্বল্প সুদে আমানত নিয়ে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে বিতরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংকুলান করার চ্যালেঞ্জে পড়েছে। অগ্রণী ব্যাংক তার ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে এক্ষেত্রে উন্নয়নের চেষ্টা করছে। আদায় বৃদ্ধি এবং যাচাই-বাছাই করে নতুন ঋণ বিতরণের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ ২০ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, এক বছরে ব্যাংকটির আমানত ১৮ শতাংশ বেড়ে ৬২ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা হয়েছে। ঋণে ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে ৩৯ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা হয়েছে। রফতানিতে ১৭ শতাংশ এবং রেমিট্যান্সে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এতে করে গতবছর ব্যাংকটি ৯৫৭ কোটি টাকার পরিচালন মুনাফা করেছে।

গুণী গ্রাহক সম্মাননা পেলেন যারা: সম্মেলন থেকে গুণী গ্রাহক হিসেবে মনোনীতদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন। সম্মাননা পাওয়ার তালিকায় আরও আছেন পিএইচপি গ্রুপের সুফি মিজানুর রহমান, ইস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, এ্যাপেক্স গ্রুপের মনজুর এলাহী, সিটি গ্রুপের ফজলুর রহমান, নিটল নিলয় গ্রুপের আবদুল মাতলুব আহমাদ, নর্থইস্ট পাওয়ারের খুরশিদ আলম, নোমান গ্রুপের নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের আইয়ুব হোসেন, বিএসআরএমের আলী হোসেন, প্রাইম গ্রুপের আব্দুল আউয়াল, এসএমই উদ্যোক্তা নুরুন্নাহার বেগম ও সাধারণ গ্রাহক মোহাম্মদ শাহজাহান।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মিগার ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকায়


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সির (মিগা) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস বিজয় লাইয়ার ঢাকায় পৌঁছেছেন।

বুধবার প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়ে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকায় ঢাকায় অবস্থান করবেন তিনি।

ঢাকায় সফরের এ সময়ের মধ্যে এস বিজয় সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক সম্পর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন।



পরের
খবর

২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ব্যাংক বন্ধ


আরও খবর

ব্যাংক-বীমা

  সমকাল প্রতিবেদক

ভোট উপলক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র পদে ভোট গ্রহণ এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত অংশে কাউন্সিলর পদে ভোট দান ও গ্রহণের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার বাইরে ওই দিন যেসব পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংশ্নিষ্ট এলাকারও ব্যাংক বন্ধ রাখতে হবে। এর বাইরে সব এলাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক খোলা থাকবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সংশ্নিষ্টরা জানান, এ সিদ্ধান্তের ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল ও সদরঘাট অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি বন্ধ থাকবে। আর রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়া সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও ঢাকা সিটিতে অবস্থিত সকল শাখা বন্ধ রাখতে হবে।

দেশে কার্যরত ৫৮টি ব্যাংকের মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ছাড়া সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত। এছাড়া ওই দিন নির্বাচনের কারণে বরগুনার আমতলী, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ ও পটুয়াখালী পৌরসভা এলাকায় ব্যাংক বন্ধ রাখতে হবে।

এর বাইরে দিনাজপুরের বিরলের তিনটি ইউনিয়ন, চট্রগ্রামের ফটিকছড়ির দু'টি, ময়মনসিংহের নান্দাইলের দু'টি, ফরিদপুরের চাঁদপুর ও মধুখালীর নওয়াপাড়া, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের কাচিকাটা, কুমিল্লার বরুড়ার গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ভোট উপলক্ষে ব্যাংক শাখা বন্ধ রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্রগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, বগুড়া ও ময়মনসিংহ অফিস খোলা থাকবে।

এছাড়া উল্লেখিত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের বাইরের সব ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয় ও শাখা খোলা রাখতে হবে। অবিলম্বে এ নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর