বাংলাদেশ

মধ্য আয়ের দেশ হতে সহায়তা দিয়ে যাবে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৯

মধ্য আয়ের দেশ হতে সহায়তা দিয়ে যাবে বিশ্বব্যাংক

ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা -ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক। ঢাকায় দু'দিনের সফর শেষে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা। 

বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব অভিযোজন কমিশনের (জিসিএ) বৈঠকে কো-চেয়ার ছিলেন ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকা সত্ত্বেও অভিযোজন ও দুর্যোগ প্রস্তুতিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। একই দিনে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও দারিদ্র্য বিমোচন সফলতার বিষয়ে প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আগামীতে বাংলাদেশের উন্নয়নে অগ্রাধিকার খাত এবং এতে বিশ্বব্যাংক কীভাবে সহায়তা দিতে পারে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন।

ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা বলেন, অভিযোজন ও দুর্যোগ মোকাবেলা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। দুর্যোগ ও জলবায়ুভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে বিশ্বব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশগুলোর মধ্যে একটি। স্বাধীনতার পর মাত্র চার দশকের মধ্যে দারিদ্র্যতম দেশ থেকে বের হয়ে এসে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত উদারতার পরিচয় দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা বৃহস্পতিবার ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত আনন্দ স্কুল পরিদর্শন করেন। পিছিয়েপড়া শিশুদের শিক্ষার মূল স্রোতে যুক্ত করতে ২০১২ সাল থেকে রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে আনন্দ স্কুলগুলো পরিচালিত হচ্ছে। এতে অর্থায়ন করে বিশ্বব্যাংক। এর মাধ্যমে সারাদেশের ১৪৮টি নির্বাচিত উপজেলা এবং ১১টি সিটি করপোরেশনে প্রায় সাড়ে সাত লাখ শিক্ষার্থীকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো (এনজিও) এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সবমিলিয়ে এ খাতে ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

মন্তব্য


অন্যান্য