বাংলাদেশ

পুরস্কার নিতে এসে প্রধানমন্ত্রীকেই পুরস্কৃত করে গেল ছোট্ট পিয়াসা

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০১৯

পুরস্কার নিতে এসে প্রধানমন্ত্রীকেই পুরস্কৃত করে গেল ছোট্ট পিয়াসা

পুরস্কার নিতে এসে প্রধানমন্ত্রীকেই তার একটি পোট্রেট উপহার দেয় পিয়াসা— বাসস

  অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরস্কার নিতে এসে উল্টো তাকেই পুরস্কৃত করে গেল টাঙ্গাইল সদরের জোবায়দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী পিয়াসা সরকার।

বুধবার জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে পুরস্কার নিতে গিয়ে নিজের আঁকা প্রধানমন্ত্রীর একটি পোট্রেট তাকে উপহার দেয় পিয়াসা। খবর বাসসের

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. আশরাফুল আলম খোকন জানান, ছোট্ট পিয়াসার ছবি আঁকার হাত খুবই ভালো। ছবি আঁকাতে জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারও পেয়েছে সে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার স্বপ্নের মানুষ। গত আড়াই মাস চেষ্টা করে পিয়াসা বঙ্গবন্ধু কন্যার একটি পোট্রেট আঁকে।

তার মা তাপসী রানী সরকার জানান, মেয়েটা অনেক পরিশ্রম করেছে। মুখ মিলে তো চোখ মিলে না, চুল মিলে তো ভ্রু মিলে না। অবশেষে আড়াই মাস ধরে চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু কন্যার ছবি নিয়ে পিয়াসার সন্তুষ্টি আসে। উদ্দেশ্য একটাই, যেকোনো ভাবেই হোক এই ছবিটি সে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবে। তার সেই স্বপ্ন আজ সফল হয়েছে।

খোকন জানান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছবিটি নিয়ে তিনদিন আগে তারা ঢাকায় আসে। শিক্ষায় অবদান রাখার জন্য মোট ১০৮ জনকে এই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হবে, পিয়াসা সেই ভাগ্যবানদের মধ্যে একজন। গত দু’দিন তারা অনেক চেষ্টা করেও ছবিটি প্রধানমন্ত্রীকে দেয়ার কোনো সুযোগ খুঁজে পায়নি। নিরাপত্তা বিভাগ থেকেও বলে দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত কোনো কিছু সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না। পুরোপুরি হতাশ হয়েই বুধবার মাকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসে পিয়াসা। কাগজে মোড়ানো ছবিটি নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন বাবা শংকর চন্দ্র সরকার। মা-মেয়ে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হলেই তারা ছবিটি সঙ্গে করে নিয়েই টাঙ্গাইল চলে যাবেন।

কিন্তু ১১ বছরের যেই শিশুটির স্বপ্নের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার সাহস নিশ্চয়ই কম নয়। যথারীতি নাম ডাকা হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে গিয়ে পুরস্কার নেয়া পিয়াসা সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিশুসুলভ আন্তরিকতায় আরো সাহসী হয়ে উঠেন পিয়াসা। সে বলেই ফেলে ছবিটির কথা এবং কান্না করে দেয়। তাকে যে আনতে দেয়া হয়নি সেটিও বলতে ভুলেনি। সাথে সাথেই প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন ছবিটি নিয়ে আসার জন্য। তৎপর হয়ে উঠেন সবাই। পিয়াসার কাছ থেকে তার বাবার ফোন নাম্বার নিয়ে তারা যোগাযোগ করেন। বাইরে ছবি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাবাকে ভেতরে নিয়ে আসেন। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মমতায় আঁকা পোট্রেটটি তুলে দেন পিয়াসা।

খোকন বলেন, বিকেলে যখন পিয়াসার বাবা-মায়ের সাথে ফোন কথা হয় ততক্ষণে তারা টাঙ্গাইল চলে গেছেন। তারা জানালেন, স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আর খুশিতে তখন কাঁদছিলেন পিয়াসা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিচারপতির স্ত্রীর কাছে ঘুষ চাওয়া এএসআইয়ের কারাদণ্ড


আরও খবর

বাংলাদেশ

  আদালত প্রতিবেদক

মিথ্যা পরিচয় দিয়ে এক বিচারপতির স্ত্রীর কাছে তার দুই সন্তানের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের (তথ্য যাচাই) জন্য ঘুষ দাবি করা পুলিশের এএসআই (বরখাস্ত) মো. সাদিকুল ইসলামকে পৃথক দুই ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন। বিচারক আসামিকে দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুদক আইনের ৫ (২) ধারায় আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

সাদিকুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি থানার চড়োল গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা ইস্যু করে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের দুই সন্তানের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য তার বাসায় যান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে আসল নাম ও পদবি গোপন করে নিজেকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুস সালাম বলে পরিচয় দেন। সেদিন বিচারপতির স্ত্রী ডা. সাবরিনা মোনাজিলিনের কাছে তার দুই সন্তানের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি। বিচারপতির স্ত্রী তখন যাতায়াত খরচ বাবদ তাকে ৫০০ টাকা বকশিশ দিতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ২ হাজার টাকা না দিলে হবে না।

পরে এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক রাহিলা খাতুন ২০১৭ সালের ৪ মে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালে বিভিন্ন সময়ে চারজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

উন্নয়ন করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি যেন না হয়: প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

বাংলাদেশ

ছবি: ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়নটা যেন মানুষের জন্য হয়। উন্নয়ন করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি যেন না হয়। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকল্প করতে গিয়ে মানুষের জমি অধিগ্রহণ করতে হয়। তারা যেন সময়মতো জমির যথাযথ মূল্য পান, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম প্রকল্পের উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের বিষয়বস্তু সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম হলে পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একটা সময়ে কক্সবাজারে কিছুই ছিল না। পুরো কক্সবাজারে লবণ ও পান চাষ হত। ক্রমান্বয়ে উদ্যোগ নিয়ে কক্সবাজারকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

কক্সবাজারের জনগণের মতামত নিয়ে এ উন্নয়ন কাজ চলছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজারের বিরাট সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চলকে পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন চালু হবে। বিমানবন্দরেরও উন্নয়ন করা হচ্ছে।

কক্সবাজারে ঠাঁই নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পন হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে সফল হতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাওয়ার হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব, প্রকল্পের জাপানি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীকে ঘিরে বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। জাপানের সহায়তায় মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া হচ্ছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সকালেই সড়কে ঝরল ৩ শিক্ষার্থীসহ ৪ প্রাণ


আরও খবর

বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার সকালে কামারখন্দে কাভার্ডভ্যান চাপায় এক কলেজছাত্র নিহতের ঘটনায় ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। ছবি: সমকাল

  সমকাল প্রতিবেদক, খুলনা ব্যুরো, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার সকালেই সড়কে ঝরল তিন শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষকের প্রাণ। এর মধ্যে রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লরিচাপায় আব্দুর রাজ্জাক নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষক এবং খুলনার রূপসায় ইটবোঝাই ট্রলির চাপায় প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি মনি (৭) নিহত হয়েছে। এছাড়া সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ও নরসিংদীতে কাভার্ডভ্যান চাপায় হৃদয় (১৭) নামের এক কলেজছাত্র ও রাব্বি মিয়া নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 

কল্যাণপুর: বৃহস্পতিবার (২১) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর কল্যাণপুরে রাস্তা পার হওয়ার সময় লরিচাপায় প্রাণ হারান মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক। তার বাড়ি মেহেরপুর সদর এলাকায়। তিনি একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন বলে জানা গেছে। 

মিরপুর থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, ভোরে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন রাজ্জাক। এ সময় একটি তেলবাহী লরি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

খুলনা: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রূপসা উপজেলার আনন্দনগর গ্রামে স্কুলের পাশের দোকানে খাবার কিনতে যাওয়ার সময় ট্রলিচাপায় নিহত হয় আঁখি মনি। এ ঘটনায় পুলিশ ট্রলিচালক মিলন শেখকে গ্রেফতার করেছে। আঁখি আনন্দনগর গ্রামের আকবর আলী সরদারের মেয়ে।

রূপসা থানা পুলিশের ওসি মোল্লা জাকির হোসেন জানান,  প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি স্কুল থেকে পাশের দোকানে খাবার কিনতে যাওয়ার সময় ট্রলিটি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেছে।

সিরাজগঞ্জ: বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যান কলেজছাত্র হৃদয়সহ তিন পথচারীকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয়। 

হৃদয় বাজার ভদ্রঘাট গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে ও ধুকুরিয়া কারিগরি কলেজের ছাত্র। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কাভার্ডভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে দেড় ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কামারখন্দ থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার সিরাজগঞ্জ-নলকা সড়কে কেমিক্যালবাহী একটি কার্ভাডভ্যান তিন পথচারীকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয়। এরপরই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাভার্ডভ্যানটি আটক করে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং সিরাজগঞ্জ-নলকা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে বিক্ষুদ্ধ জনতাকে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নিলে সকাল ৯টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। 

সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ডভ্যানটির আগুন নেভায়। 

নরসিংদী: সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীর বারৈচা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাভার্ডভ্যান চাপায় রাব্বি মিয়া নিহত ও তার এক বন্ধু আহত হয়। রাব্বি বেলাব উপজেলার হোসেন নগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ও হোসেন নগর গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে।

বেলাব থানার ওসি ফখরুদ্দিন ভূইঁয়া স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, রাব্বি মিয়া ও তার এক সহপাঠী সাইকেলে করে মহাসড়ক পার হচ্ছিলো। এ সময় ভৈরব থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই রাব্বির মৃত্যু হয়। আহতাবস্থায় তার সহপাঠীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কাভার্ডভ্যানটি আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।


সংশ্লিষ্ট খবর