বাংলাদেশ

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইর পুনর্মিলনী

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইর পুনর্মিলনী

শনিবার টিএসসিতে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদসহ বিশিষ্টজন -সমকাল

  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম পুনর্মিলনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) শনিবার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ ছিল নানা আয়োজন।

সকালে টিএসসি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ. কে. আজাদ, অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ের অনারারি সদস্য অধ্যাপক মুসলিম চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অ্যালামনাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম হারুনুর রশিদ, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রিয়াজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, বিশ্বের যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের অ্যালামনাই। এটি যত বেশি শক্তিশালী হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ও তত বেশি শক্তিশালী হয়। অ্যালামনাই ও অ্যালামনাস- এ দুইয়ের মিথস্ট্ক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। অ্যালামনাইরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে সব ধরনের সমর্থন দিয়ে থাকেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রত্যেকে যার যার ক্ষেত্রে দিকপাল। আপনারা অনেকে ব্যাংক, করপোরেট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পদে রয়েছেন। সবাইকে সততার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সবার 'ইন্টেগ্রিটি' শক্ত রাখতে হবে। আমরা যদি সৎ ও কর্তব্যপরায়ণ হই, তাহলে পুরো জাতিই আমাদের অনুসরণ করবে।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইয়ের সভাপতি হিসেবে আমার তিন বছর হলো। দায়িত্বে এসেই আমরা বেশ কিছু কাজ হাতে নিয়েছি। এর অনেকগুলো সম্পন্নও হয়ে গেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। টিএসসির টয়লেট সংস্কারসহ অন্যান্য অবকাঠামোতে সংস্কার করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর বৃত্তি দিচ্ছি, যাতে অর্থের অভাবে তাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে না যায়।

তিনি বলেন, আমাদের অনেকের আয়ু ৫০-৬০ বছর পেরিয়ে গেছে। আর ক'দিন বা পৃথিবীতে থাকব। কিন্তু নিজেদের পরিবারের বাইরে আমরা অন্যদের জন্য কী করেছি, সেটা ভেবে দেখা দরকার। সমাজে আমরা যে যে অবস্থায়ই থাকি না কেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে অনাহারী মানুষ ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করা।

এ. কে. আজাদ বলেন, যদি অ্যাকাউন্টিবিলিটি না থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্টিং করে কোনো লাভ হবে না। আমাদের প্রত্যেকের অবস্থান থেকে সমাজকে সেই অ্যাকাউন্টিবিলিটির জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।

মন্তব্য


অন্যান্য