বাংলাদেশ

১০ দফা ইশতেহার

ফেডারেল সরকার গঠনের অঙ্গীকার জেএসডির

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

ফেডারেল সরকার গঠনের অঙ্গীকার জেএসডির

  সমকাল প্রতিবেদক

নির্বাচনে জয়ী হলে ফেডারেল পদ্ধতির সরকার গঠন করতে চায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দলটি তাদের ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা ও কালাকানুন বাতিলেরও অঙ্গীকার করেছে। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করে জেএসডি। দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ইশতেহার পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলন শেষে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পর তারা মাঠে নামবেন। তখন জনজোয়ারে সরকারের সব দুঃশাসন ভেসে যাবে। তিনি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা যেন কেউ ভোটের মাঠ রেখে পালিয়ে না যান।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে আ স ম আবদুর রব বলেছেন, আসুন আপনারা এসে ঘুরে দেখে যান বাংলাদেশে এসব কী হচ্ছে? বাংলাদেশ এখন ভয়াবহ সংকটে। 

এখানে প্রার্থীরা গ্রেফতার হচ্ছেন, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং বলে কিছু নেই।

আ স ম রব বলেন, বিশ্বের সব দেশে নির্বাচনের সময় রাজবন্দিদের মুক্তি ও হামলা-মামলা ও গ্রেফতার বন্ধ করা হয়। অথচ বাংলাদেশে প্রার্থী গ্রেফতার হচ্ছে, নেতাকর্মী গ্রেফতার হচ্ছে, নিত্যনতুন মামলা হচ্ছে। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও জামিন পান না। খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন শুধু তার জনপ্রিয়তার কারণে। জনপ্রিয় হওয়া কি তার অপরাধ? তিনি বলেন, জনগণ এবার প্রতিরোধ গড়তে পারলে রাষ্ট্র গভীর সংকট থেকে উদ্ধার পাবে। এবার জনগণ অবশ্যই জাগবে। তারা রুখে দেবে সব ষড়যন্ত্র।

জেএসডির ইশতেহারে প্রথম দফায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার হবে ফেডারেল পদ্ধতির। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা দুই মেয়াদে নির্দিষ্ট করা হবে। অন্য দফাগুলো হলো- নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠন, দেশে ৯টি প্রদেশ করা, জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন। 

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করার লক্ষ্যে উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট গঠন করা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে দলের সিনিয়র সহসভাপতি এমএ গোফরান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম জাবির, আবদুল জলিল চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আনছার উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, মোশারফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক রাজা এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কয়েকজন প্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য


অন্যান্য