বাংলাদেশ

ক্রীড়ায় সাফল্য পেতে তরুণ-যুবাদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

ক্রীড়ায় সাফল্য পেতে তরুণ-যুবাদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ— পিআইডি

  অনলাইন ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তরুণ-যুবাদের অদম্য শক্তি, সাহস এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশ্বদরবারে সাফল্য অর্জনে দেশের ক্রীড়াবিদ, সংগঠকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম মিরপুরে ১৭তম অল এশিয়া উন্মুক্ত ফুলকন্টাক্ট কারাতে প্রতিযোগিতা ২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর বাসসের

রাষ্ট্রপতি বলেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনে তরুণ-যুবদের অদম্য শক্তি, সাহস এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি খেলাধুলার কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন একটি সুসমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের পাশাপাশি সকল ক্রীড়ানুরাগীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, 'বর্তমান বিশ্বে সমাজ উন্নয়ন, জাতি-গঠন ও বিশ্ব সভ্যতার বিকাশে ক্রীড়া-চর্চা একটি অপরিহার্য উপাদান। বিশ্বায়নের এ যুগে শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প, অর্থনীতির বিকাশের সাথে সাথে ক্রীড়াঙ্গনেও আমাদেরকে বিকশিত হতে হবে। ক্রীড়াঙ্গনে স্থাপন করতে হবে সাফল্যের নতুন নজির, উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমাদের মেয়েরা, যুব ফুটবলাররা ক্রীড়ানৈপূণ্য দেখিয়ে ইতোমধ্যে দেশের জন্য বিরল সাফল্য বয়ে এনেছে।'

তিনি বলেন, 'কারাতে এমন একটা খেলা, যা প্রতিযোগীকে নিয়মানুবর্তিতা, ধৈর্য্য, সহনশীলতা এবং প্রতিপক্ষকে সম্মান করার শিক্ষা দেয়। আমাদের এ গতিময় জীবনে ধৈর্য্য ও সহনশীলতার চর্চা খুবই প্রয়োজন। কারণ সহিষ্ণুতার অভাবে সারাবিশ্ব আজ অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে এবং মানবিক মূল্যবোধও ধ্বংস হচ্ছে। এ থেকে বেরিয়ে এসে বিশ্বকে শান্তির আবাস হিসেবে গড়ে তুলতে খিউকুশীন কারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।'’

রাষ্ট্রপতি খিউকুশীন কারাতের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, খিউকুশীন কারাতের প্রায় ১২ মিলিয়ন সদস্য “Keep your head low (modesty), eyes high (ambition), mouth shut (serenity); base yourself on filial piety and benefit others” এ চেতনাকে ধারণ করে সারাবিশ্বে নিজ নিজ সমাজে অবদান রাখার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে যাচ্ছে।

আবদুল হামিদ তার বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা এনে দেননি, একটি সমৃদ্ধ সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠিত করার পাশাপাশি দেশে খেলাধুলার উন্নয়নেও তিনি বিপুল অবদান রেখে গেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল কারাতে অরগানাইজেশন (আই কে ও) খিউকুশীন ও বাংলাদেশ আইকেও আয়োজিত সংগঠনটির বাংলাদেশের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপির সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন সিকদার, এমপি, আইকেও’র ইন্টারন্যাশনাল ডাইরেক্টর .খাৎসুহিতো গোরাই ও বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ ভূইয়া এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অগ্নিপরীক্ষায় ইসি


আরও খবর

বাংলাদেশ
অগ্নিপরীক্ষায় ইসি

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মসিউর রহমান খান

দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় সরকারের অধীনে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্নেষকরা। তাদের মতে, তিন দশক ধরে নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে চলমান রাজনৈতিক মতবিরোধ উত্তরণের সুযোগ এবার সৃষ্টি হয়েছে। ইসি যদি নিরপেক্ষ থেকে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব বলিষ্ঠভাবে পালন করতে পারে তাহলে জনমনে ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হবে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, যে কোনো দেশের তুলনায় আমাদের নির্বাচন কমিশনের আইনে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষমতা যদি তারা যথাযথভাবে প্রয়োগ করে তাহলে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার ইসির সামনে অগ্নিপরীক্ষা। তারা যথাযথ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সব সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে পারে। নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নূরুল হুদাও বলেছেন, 'এবার নতুন প্রেক্ষাপটে ভোট হচ্ছে। এই নির্বাচনের সার্থকতার ওপর ভবিষ্যতে দলীয় সরকার বহাল রেখে নির্বাচন হবে কি-না তা নির্ভর করছে।'

ইসি-সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলেও তাতে ইসির ভূমিকা নিয়ে জনমনে যথেষ্ট ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়নি। তাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরে তাদের দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। উল্টো একাধিক সিদ্ধান্ত ইসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। নানা কারণে ইসির ব্যাপারে বিরোধীদলীয় নেতাদের মনে সন্দেহ বেড়েই চলেছে। অবশ্য ভিন্নমতও আছে অনেকের। তাদের মতে, ইসির একার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। এ জন্য সংশ্নিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. এম সাখাওয়াত হোসেন শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠ ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না সে সন্দেহ পোষণ করে বলেন, এখনও কিছুই শুরু হয়নি। অথচ ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের বিষয়ে পুলিশ খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে। পুলিশকে এ দায়িত্ব কে দিয়েছে, তা ইসির খতিয়ে দেখা উচিত। তিনি বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ভোটের মাঠের নিয়ন্ত্রণ ইসির হাতে থাকবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে যা বোঝায় তার কিছুই এখনও তৈরি হয়নি। এ পরিস্থিতিতে কীভাবে সুষ্ঠু ভোট করবেন তা ইসি সদস্যরাই ভালো বলতে পারবেন।

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণা থেকে এ পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপে বলা যায়, ইসি সঠিক পথে নেই। তফসিলের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেওয়া সব পদক্ষেপের পুরো দায়দায়িত্ব ইসির ওপর বর্তায়। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পরেও গায়েবি মামলা দায়ের অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে ইসির পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি।

ড. বদিউল আরও বলেন, দেশের প্রায় সব উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পদ যেমন ইউএনও, এসি ল্যান্ড ও থানার ওসি সবই বর্তমান এমপিদের পছন্দ অনুযায়ী ডিও লেটার (আধা সরকারি চাহিদাপত্র) দিয়ে পদায়ন করা। এসব এমপির বেশিরভাগই এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন। তাদের পরিবর্তন না করা হলে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না। অধিকাংশ দলের আপত্তির পরও ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তবে সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক অবশ্য বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন। তার মতে, নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এজন্য রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও তাদের সমর্থক এবং মাঠ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়টি অনেকাংশে আপেক্ষিকও বটে। কারণ এর আগে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনেও হেরে যাওয়া দলগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এবারও হেরে যাওয়া দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলবে না- এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আবদুল মোবারক বলেন, দেশের প্রধান দুই জোটের দলীয় মনোনয়ন ফরম হাজার হাজার বিক্রি হচ্ছে। এটা নির্বাচনের পক্ষে অভূতপূর্ব জাগরণ। মাঠ প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তারা সাধারণত পক্ষপাতমূলক আচরণ করবেন না বলেই তিনি মনে করেন। বর্তমান কমিশনের এ পর্যন্ত নেওয়া সব পদক্ষেপকে সঠিক হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, সংবিধান ও আইনের বাইরে গিয়ে ইসির কাজ করার সুযোগ নেই।

ইসি সূত্র জানায়, ভোটের তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই কমিশনের মধ্যে একধরনের অস্থিরতা কাজ করছিল। সরকারবিরোধী জোট সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালেও তারা সেটাকে গুরুত্ব দেননি। খোদ কমিশনের একজন সদস্য ভোট জানুয়ারিতে নেওয়ার প্রস্তাব করলে অন্যরা তার বিপক্ষে অবস্থান নেন। ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোট না পেছানোর বিষয়ে বিশ্ব ইজতেমা ও জানুয়ারিতে নতুন ভোটার হওয়ার যুক্তি দেখানো হয়। অথচ পুনর্নির্ধারিত তফসিলের আগেই বিশ্ব ইজতেমা পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা আসে এবং জানুয়ারিতে নতুন ভোটার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আইন অনুযায়ী নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় ৩১ জানুয়ারির পরে। এ ছাড়া আইনে সর্বশেষ হালানাগাদকৃত তালিকায় ভোট অনুষ্ঠানের জন্য ইসিকে ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে।

এদিকে তফসিলের পরও 'গায়েবি' মামলা ও গ্রেফতার অব্যাহত থাকলেও ইসি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিএনপির অভিযোগ, তফসিলের পরেই সাত শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পরে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের কারণে দু'জন নিহত হয়। এসব ঘটনায় ইসি নির্বিকার থাকে। অন্যদিকে বিএনপি অফিসের সামনে একই ইস্যুতে আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেয় ইসি।

এসব অভিযোগের জবাবে কমিশনার রফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, কমিশনের সামনে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী যেসব পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হবে এবং সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি-না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে তারা আইনি কাঠামোকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন যেভাবে হওয়া উচিত, আইনি কাঠামো সেভাবেই নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। ইসি শুধু তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর বাইরে যাওয়ার উপায় ইসির নেই।

বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া মামলার তালিকা ও মাঠ প্রশাসনে রদবদলের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ইসি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া মামলার তালিকায় এক নম্বরে আদালতের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং দুই নম্বরে খুনের মামলার আসামি থাকলে কমিশনের কিছুই করার নেই। তফসিলের পরে গায়েবি মামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তফসিলের পরে কেউ খুন হলে মামলা নেওয়া যাবে না- এমন তো কোনো কথা নেই।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রার্থীদের হলফনামায় চোখ রাখবে দুদক


আরও খবর

বাংলাদেশ
প্রার্থীদের হলফনামায় চোখ রাখবে দুদক

সঠিক হিসাব পাওয়ার আশা কমিশন চেয়ারম্যানের

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  হকিকত জাহান হকি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের হলফনামার সম্পদের হিসাবে নজর থাকবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব তারা সঠিকভাবেই দেবেন বলে প্রত্যাশা করছেন দুদক চেয়ারম্যান।

দুদক সূত্র জানায়, সম্ভাব্য প্রার্থীদের হলফনামায় অর্থ-সম্পদের বৈধতা ও যথাযথ উৎস থাকতে হবে। আয়কর নথির হিসাবের সঙ্গে হলফনামার হিসাবের মিল থাকতে হবে। কোনো প্রার্থীর হলফনামার হিসাব অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক মনে হলে তা অনুসন্ধান করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্নিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগেও দুদক একাধিক প্রতিমন্ত্রী-এমপির হলফনামার সম্পদ অনুসন্ধান করে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। এবারও কমিশন হলফনামার অস্বাভাবিক সম্পদ অনুসন্ধানে নামবে।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সমকালকে বলেন, তার বিশ্বাস জনপ্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক প্রত্যেকেই হলফনামায় সঠিকভাবে সম্পদের সব রকমের হিসাব দেবেন। অবশ্যই এ হিসাবকে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকতে হবে। যদি কেউ সঠিক হিসাব না দেন তা হলে কী হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'যদির কথা তো এখন বলে লাভ নেই। আশা করি, তারা সঠিক হিসাব দেবেন।'

আগের কমিশনের মতো বর্তমান কমিশনও হলফনামা নিয়ে কাজ করবেন বলে জানান তিনি।

হলফনামায় যেসব সম্পদের কথা জানাতে হয় :নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, হলফনামায় সংশ্নিষ্ট প্রার্থীর ও তার পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি, ব্যবসা, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত, পেশা ও অন্যান্য তথ্য জানাতে হবে।

নিজের ও পরিবারের অন্য সদস্যদের অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমানো অর্থ, বন্ড, ঋণপত্র, শেয়ার, পোস্টাল, সঞ্চয়পত্র, বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, স্বর্ণ, মূল্যবান ধাতু ও পাথরে নির্মিত অলঙ্কার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, আসবাব ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

হলফনামায় স্থাবর সম্পদ হিসেবে কৃষি, অকৃষি জমি, আবাসিক ও বাণিজ্যিক পাকা ভবন, বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, চা-বাগান, রাবার বাগান, মৎস্য খামারসহ অন্যান্য সম্পদের তথ্য থাকতে হবে। নিজে ও পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে চেয়ারম্যান, পরিচালক অথবা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্নিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণের তথ্য ও বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকতে হবে। প্রতিটি হলফনামা এফিডেভিট, নোটারি পাবলিক ও ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা প্রত্যয়ন করতে হয়। প্রথমবার ঘোষণা দেওয়া তথ্য পরিবর্তন করা যায় না। এতে কোনোভাবেই অসত্য তথ্য দেওয়া যাবে না। কোনো ঘষামাজাও করা যাবে না।

ইসি আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন, ২৮ নভেম্বর সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ও ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন ঘোষণা করেছে। নিয়ম অনুযায়ী সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে যার যার হলফনামা রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেবেন। প্রত্যেক জেলা প্রশাসক রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে আছেন। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র ও হলফনামা যাচাই-বাছাই করে প্রথমে খসড়া ও পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর সব দলের প্রার্থীদের হলফনামা ইসির ওয়েবসাইটে দেওয়ার কথা।

হলফনামার সম্পদ নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান : দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বাধীন কমিশন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এমপিদের সর্বশেষ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা অনুসন্ধান করেছে। একইভাবে ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন কতিপয় এমপির হলফনামা অনুসন্ধান করছে। হলফনামায় মিথ্যা ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য থাকার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এর আগের কমিশন ওই সময়কার একাধিক প্রতিমন্ত্রী ও এমপির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। মামলাগুলোর চার্জশিটও দিয়েছিল।

বর্তমান কমিশন চলতি বছরের এপ্রিলে কতিপয় এমপির হলফনামার সম্পদ অনুসন্ধান শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগগুলোর অনুসন্ধান চলছে। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের একজন এমপিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এমপিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ : বর্তমান কমিশন যেসব চলতি ও সাবেক এমপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে তারা হলেন- আওয়ামী লীগের এমপি মিজানুর রহমান (খুলনা-২), স্বতন্ত্র এমপি কামরুল আশরাফ খান পোটন (নরসিংদী-২), বিএনপির সাবেক এমপি মো. শাহজাহান (নোয়াখালী-৪), আওয়ামী লীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২) ও জাতীয় পার্টির এমপি সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ মুক্তি (ময়মনসিংহ-৫ মুক্তাগাছা)। জাতীয় সংসদের হুইপ শেরপুর-১ আসনের এমপি আতিউর রহমান আতিককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও অন্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান অব্যাহত আছে।

দুদক ইসিতে চাহিদাপত্র (রিকুইজিশন লেটার) পাঠিয়ে তাদের হলফনামা সংগ্রহ করেছে। একইভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে তাদের আয়কর রিটার্নের নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তারা হলফনামা ও আয়কর নথিতে উল্লেখ করা সম্পদ মিলিয়ে দেখছেন। এছাড়া নানা দিক থেকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর, নামে-বেনামের সম্পদ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগের কমিশনের অনুসন্ধান : এর আগে মো. বদিউজ্জামানের নেতৃত্বাধীন কমিশন অবৈধ সম্পদের অভিযোগে ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট পটুয়াখালী-৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান ও কক্সবাজার-৪ আসনের বিতর্কিত এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও দেওয়া হয়।

ওই সময় বিরোধী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন মহল দুদকের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছিল। এমন পরিস্থিতিতে দুদক খোদ আওয়ামী লীগের তিন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন অভিযানে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করে। এই অনুসন্ধানের পর সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও এমপি অধ্যাপক ডা. আ. ফ. ম. রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এমপি আসলামুল হক (ঢাকা-১৪) ও এমপি প্রকৌশলী এনামুল হককে (রাজশাহী-৪) অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সময় শেষ ব্যানার-পোস্টার সরেনি


আরও খবর

বাংলাদেশ
সময় শেষ ব্যানার-পোস্টার সরেনি

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  অমিতোষ পাল

সুষ্ঠু নির্বাচন ও প্রার্থীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য গত রোববার ১৮ নভেম্বরের মধ্যে সব রাজনৈতিক বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও লিফলেট অপসারণের জন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর গতকাল সোমবারও সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে, বিশেষত অলিগলিতে এগুলো আগের মতোই লাগানো রয়েছে।

এসব ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টারের বেশিরভাগই সরকারি দলের নেতাকর্মীদের। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক দলেরও প্রচারণা সংবলিত ব্যানার-পোস্টার চোখে পড়েছে। প্রার্থী ও তাদের সমর্থক-অনুসারীরা নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করে এসব লাগাচ্ছেন। অবশ্য দুই সিটি করপোরেশনই বলছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে তারা উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। বিলবোর্ড-ব্যানার অপসারণ করে ফেললেও পোস্টারগুলো আঠা দিয়ে সাঁটানোর ফলে সেগুলো তোলার গতি মন্থর। তবে দু-একদিনের মধ্যে সেগুলো অপসারণের কাজও সম্পন্ন হবে। এদিকে, নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যাদের ব্যানার-পোস্টার রয়ে গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গতকাল সংশ্নিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)

ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. জামাল মোস্তফা বলেন, অবৈধ বিলবোর্ড-ব্যানার-পোস্টার অপসারণ তাদের চলমান কার্যক্রমেরই অংশ। অনেক আগেই তিনি এসব অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। ডিএনসিসি এলাকায় তাই এগুলো অনেক কম। তিনি জানান, এসব অপসারণ করলেও রাতের বেলা আবার লাগানো হয়। তাই লাগানো বন্ধ না হলে এসব অপসারণ করে শেষ করা যাবে না। এগুলো লাগানোর সময় পুলিশ যাতে বাধা দেয়, সে জন্য পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা জানান, গতকালও তিনি খিলগাঁও, শাহবাগ, বকশিবাজার, সুরিটোলা এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন। ইসির বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ব্যানার-বিলবোর্ড অপসারণের কাজ ডিএসসিসি শেষ করেছে। এ জন্য গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডে দুই হাজার কর্মী কাজ করছে। পোস্টারগুলো ওঠানো কঠিন হলেও আর একদিনের মধ্যেই (মঙ্গলবার) তা অপসারণের কাজ শেষ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি প্রধান সড়কসহ সব অলিগলি এখনও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টারে ঠাসা। প্রতিটি পোস্টারের ভাষা প্রায় অভিন্ন। দলের শীর্ষ নেতাদের ছোট ছোট ছবি দিয়ে নিজের ছবি বড় করে এসব পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। প্রচারে এলাকাবাসী বা ঢাকার কোনো আসনের জনগণ বা প্রচারণাকারীর রাজনৈতিক দলের ইউনিটের নাম দেওয়া হচ্ছে। অনেক পোস্টারে দেখা গেছে, মনোনয়নপ্রত্যাশীর ছবি দিয়ে প্রচারকারী নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও ছবি দিয়েছেন। অনেকে তার প্রিয় নেতার ছবি দিয়ে তাকে আগামীতে এমপি হিসেবে দেখতে চাওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করে দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, মিরপুর-১২ নম্বরের সিরামিক রোডে দেয়ালজুড়ে শুধুই এ ধরনের পোস্টার। এর একটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে এলখাস উদ্দিন মোল্লার পোস্টার। সেখানে নৌকা প্রতীকসহ লেখা 'এখলাস উদ্দিন মোল্লার সালাম নিন/ নৌকা মার্কায় ভোট দিন'। পাশেই নিজের ছবি দিয়ে এমএ মান্নান কচির পোস্টারের সারি। এর পাশেই আলহাজ মো. ফয়সল আহমেদকে এমপি হিসেবে দেখার আকাঙ্ক্ষা সংবলিত পোস্টার। এ রকম অসংখ্য পোস্টার পুরো এলাকায় দৃশ্যমান।

আগারগাঁও এলাকার জনতা হাউজিংয়ের সামনের দেয়ালে রয়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশী এম সাইফুল্লাহ সাইফুলের পোস্টার। পাশেই রয়েছে তাঁতী লীগ নেতা মোশারফ হোসেনের পোস্টার। সেগুনবাগিচায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা শাহে আলম মুরাদ, মহানগর যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও মোহাম্মদ উল্লাহ পলাশের পোস্টারে ঠাসা। আরও রয়েছে জাতীয় পার্টির নেতা হাজি সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলনের পোস্টার। তবে শুধু সেগুনবাগিচা নয়, পুরো ঢাকা শহরেই রয়েছে মিলনের পোস্টার। লাঙল প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিমানবন্দর থানা ছাত্রলীগ নেতা মো. মোর্শেদ রাব্বী তার ছবি দিয়ে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এয়ারপোর্টের সামনে বাঁশের খুঁটির ওপর বিশাল এক ব্যানার টাঙিয়েছেন। সেখানে লেখা- 'জেগেছে জনতা বেঁধেছে জোট/ আবার হবে নৌকায় ভোট'। পাশে একই রকম দুই খুঁটির ওপর মেহেদী হাসান শরীফ নামে আরেক নেতা নৌকায় ভোট চেয়ে লিখেছেন- 'যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ/ পথ হারাবে না বাংলাদেশ'।

সংশ্লিষ্ট খবর