বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন বুধবার

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮ | আপডেট : ১৫ মে ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী যাচ্ছেন বুধবার

ফাইল ছবি

  রাজশাহী ব্যুরো

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার রাজশাহী যাচ্ছেন। সফরসূচি অনুযায়ী,  বুধবার সকালে তিনি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করবেন। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ক্যাডারদের মাঝে ট্রফি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার আবদুস সোবহান জানান, প্রধানমন্ত্রী নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে। বিকেলে ঢাকায় ফিরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। 

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। মঙ্গলবার বিকেলেই আকাশপথে রাজশাহী পৌঁছেছেন আইজিপি। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নির্বাচনে ৩৫ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক, বিদেশিদের তালিকা চূড়ান্ত হয়নি


আরও খবর

বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রায় ৩৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক কাজ করবেন। যদিও এবার ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। 

এর বাইরে থাকবেন বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও। তবে তাদের তালিকা এখনও চূড়ান্ত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ ডিসেম্বরের পর ওই তালিকা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ১১৮টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মধ্যে ৮১টি সংস্থার ৩৪ হাজার ৬৭১ জন আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) অধীনে রয়েছে ২২টি নিবন্ধিত সংস্থার ১৬ হাজার ৩৯৪ জন। 

ইসি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবার দেশি পর্যবেক্ষকের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মধ্যে এ পর্যন্ত এশিয়ান ফাউন্ডেশন, জাপান দূতাবাস, স্পেন, জার্মান, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে দূতাবাস, ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেম (আইএফইএস), ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, দিপেন্দ্র ক্যান্ডেল ইনিশিয়েটিভ (ডিকেআই) থেকে দেড় শতাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের আবেদন পাওয়া গেছে।

ইসিতে আবেদনকারী দেশীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদ (জানিপপ) তিন হাজার ৮৪২ জন, ডেমোক্রেসিওয়াচ দুই হাজার ৪৩০, সেইফ ২১৫, লাইটহাউস ৮৭৬, সেবা সোশ্যাল ফাউন্ডেশন ৩১, কর্মায়ন ৬২, জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ফর হিউম্যান রাইটস ওয়েলফেয়ার (জার) ৫, আবদুল মোমেন খান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ৭৮৯, বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ ৪১২, হোপ ২৪, অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ ৮, দেশ বাংলা ৫০০, এসো জাতি গড়ি ২০৭, অ্যাসোসিয়েশন ফর রাইটস অ্যান্ড পিস ৩২, অগ্রদূত সংস্থা ৪০৪, উদয় ১৭, নীড় ফাউন্ডেশন ১৪২, মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ১৯৬, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স (দিশা) ৮৩, ইন্টিগ্রেটেড সোসাইটি ফর উইম্যান অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ ১৭, সোহা ১৩, এসডাপ ৭, র্যাক বাংলাদেশ ১৫, অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (উষা) ২১, স্বেচ্ছাসেবী বহুমুখী মহিলা সমাজকল্যাণ সমিতি ৩০০, দরিদ্র সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ৫, ডরপ ২৯, আলোর পথে ২৬০, ডেভেলপমেন্ট পার্টনার ২৭৫, স্টেপ ২০, মুক্ত আকাশ ৪৫, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ৪৭৯, কোস্ট ট্রাস্ট এক হাজার ৮৪, অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ৫৮৩, খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থা ১৪, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ১৪২, জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশন ২৫০, স্বেচ্ছাসেবী পল্লী উন্নয়ন সংস্থা (পিপসা) ৭৭, সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন পরিষদ ৩৬, ডেপ ৫৯, ক্রিয়েটিভ সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিএসডিসি) ১৬৭, ভোলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ১২, আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ৪৪৭, ডাক দিয়ে যাই ৩০০, সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (সাকো) ১৪, বাঁচতে শেখা ৩২১, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) ৭৫০, পিস অ্যান্ড রাইটস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ১০, উত্তরণ ৩০০, ওয়েভ ফাউন্ডেশন ৭০০, নিড ফাউন্ডেশন ১৭০, পলাশীপাড়া সমাজকল্যাণ সমিতি ২০০, নোয়াখালী রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ৬৬০, টাইডা ৪৫, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস) ২০০, মিতু সেতু এডুকেশন অ্যান্ড চ্যারিটেবল সোসাইটি ২০, আরবান ৩৪, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র ৫৫০, প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থা (প্রকস) ১২, সহায় ১৩, নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ৪৩৫, রূপান্তর ২০০, নবলোক ২০০, সলিডারিটি ১৫০, পল্লী একতা উন্নয়ন সংস্থা ৪১০, ইয়ুথ ফর হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ২৫৩, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন ৬২১, সোসাইটি ফর রুরাল বেসিক নিড (শ্রাবণ) ৪৩৭, ফোরাম ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ৬৩, দি গুড আর্থ ৩০, শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এসডিএস) ৬২৬, লুৎফর রহমান ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন (এলআরবি) ৬৬৫, ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি) ৯৭৩, বাংলাদেশ আলোকিত প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন সোসাইটি ২ হাজার ৮৯৭, অনিক মানবিক উন্নয়ন সংস্থা ২ হাজার ৮৭১, মুভ ফাউন্ডেশন ১২১, আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশন ৯৬৫, আদর্শ পল্লী উন্নয়ন সংস্থা ৩ হাজার ৫৯৮ এবং হাইলাইট ফাউন্ডেশন ৮৬ জন।

ইসি সূত্র আরও জানায়, যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতায় এবার যুক্তরাষ্ট্র ১৫ হাজার স্থানীয় পর্যবেক্ষকের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অর্থায়ন করবে। তারা ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের (ইডব্লিউজি) হয়ে কাজ করবে। যদিও ইডব্লিউজি ইসিকে জানিয়েছে, ২২টি সংস্থার ১৬ হাজার ৩৯৪ জন পর্যবেক্ষক থাকবেন।

২০০৮ সালে আরপিওতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে পর্যবেক্ষক নীতিমালাও তৈরি করা হয়। ওই সময় পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এদিকে এবারের নির্বাচন সামনে রেখে ইসি পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোকে সতর্কভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দিয়ে রেখেছে। 

২০ নভেম্বর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, অনেক সাংবাদিক পর্যবেক্ষকদের সামনে ক্যামেরা ধরবেন, কিন্তু তারা কথা বলতে পারবেন না। কোনো সংবাদপত্রে লাইভে কথা বলতে পারবেন না, কমেন্টস করতে পারবেন না। ব্রিটেনের পুলিশের মতো মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে শুধু পর্যবেক্ষণ করবেন। লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করা যাবে না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অভিবাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত


আরও খবর

বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা -ফাইল ছবি

   অনলাইন ডেস্ক

অভিবাসন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার 'অভিবাসন-সংক্রান্ত বৈশ্বিক চুক্তি'র প্রস্তাবনা মরক্কোতে আয়োজিত জাতিসংঘের ১১তম গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে গৃহীত হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল প্ল্যাটফর্ম ফর ডিজাস্টার ডিসপ্লেসমেন্টের (পিডিডি) আয়োজনে ওই মিটিংয়ে অংশ নেয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য বিবরণীতে মঙ্গলবার এ কথা জানানো হয়েছে। খবর: বাসস

শহীদুল হক জাতিসংঘের ইন্টারগর্ভমেন্টাল কনফারেন্সের প্লেনারি সভায় জাতীয় বিবৃতি তুলে ধরেন। সেখানে তিনি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের জন্য অভিবাসনের বৈশ্বিক চুক্তি গ্রহণ করার আহ্বান জানান। ২০১৬ সালে ইউএনজিএতে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বৈশ্বিক চুক্তির প্রস্তাবনা প্রথম তুলে ধরেছিলেন বলেও জানান তিনি।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, চুক্তিটি মারাকেশে গৃহীত হয়। বাংলাদেশ এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।

পররাষ্ট্র সচিব ইউএনইপি আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত একটি প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং ফ্রান্স আয়োজিত পিডিডিবিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

পররাষ্ট্র সচিব নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাভাবিক, অভিবাসনের লক্ষ্যে বৈশ্বিক চুক্তি গ্রহণে জাতিসংঘের আন্তঃসরকার সম্মেলনকে এগিয়ে নিতে অংশীদারিত্ব ও উদ্ভাবনী উদ্যোগবিষয়ক ডায়ালগ-২ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। পররাষ্ট্র সচিব সেখানে সদ্য গৃহীত বৈশ্বিক চুক্তি এবং বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জগুলো প্রসঙ্গে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি বিষয়ে দর্শকদের ব্রিফ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, অভিবাসন সমস্যা মোকাবেলায় বাংলাদেশ অভিবাসন প্রশাসনবিষয়ক একটি খসড়া জাতীয় কৌশল প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তিনি বলেন, এটি বৈশ্বিক চুক্তি কার্যোপযোগী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেনেভায় জাতিসংঘ দপ্তরগুলোর বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম শামীম আহসান ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান বাংলাদেশ, আইওএম, ইউএনএইচসিআর ও পিডিডি আয়োজিত অভিবাসনে বৈশ্বিক চুক্তিসংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, অভিবাসনবিষয়ক জিএফএমডির গোলটেবিল ৩.১-এও সভাপতিত্ব করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রোহিঙ্গাদের ইইউর আরও ৫৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত সহায়তা


আরও খবর

বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

  কূটনৈতিক প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য আরও প্রায় সাড়ে ৫৫ কোটি টাকা (পাঁচ মিলিয়ন ইউরো) সহায়তা ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। মঙ্গলবার ঢাকায় ইইউ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন পর্যন্ত নিরাপত্তাজনিত কারণে বিদেশি অতিথিদের কপবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরির্দশন নিরুৎসাহিত করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনকে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

ইইউর বার্তায় বলা হয়, তাদের মানবাধিকার সহায়তা ও জরুরি সংকট ব্যবস্থাপনাবিষয়ক কমিশনার ক্রিস্টোস স্টাইলানডিস রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আরও পাঁচ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সহায়তা তাদের পূর্বঘোষিত ৪০ মিলিয়ন ইউরোর অতিরিক্ত।

এ দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। এ কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় বিদেশি অতিথিদের বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ বিবেচনা থেকে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত বিদেশি অতিথিদের ক্যাম্প পরিদর্শন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। নির্বাচনের পর আবার তা স্বাভাবিক হবে। সূত্র আরও জানায়, নিরুৎসাহিত করার অর্থ পরিদর্শন একেবারে বন্ধ করা হচ্ছে না। এ সময় না যাওয়াটাই ভালো- এমন বার্তাই দেওয়া হচ্ছে। তবে ক্যাম্পের নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই আছে।

সংশ্লিষ্ট খবর