অন্যান্য

তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত আওয়ামী লীগের

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত আওয়ামী লীগের

মাহবুবউল আলম হানিফ -ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেইসঙ্গে নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে সব রাজনৈতিক দলই অংশ নেবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এসব কথা বলেন। 

সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই দলীয় প্রতিক্রিয়া জানাতে ওই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

এদিকে তফসিল ঘোষণাকে অভিনন্দন জানিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক দলগুলোসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল। তফসিল ঘোষণার পর পর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সব রাজনৈতিক দল উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচনে অংশ নেবে, এটিই প্রত্যাশা।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পুনঃতফসিলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলই চায় জনগণের সেবা করতে। সেজন্য নির্বাচনে আসতে হবে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় বসতে হবে। ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সেবা করতে চাইলে নির্বাচনে আসবে- এমনটাই প্রত্যাশা করি।

বিভিন্ন দলের অভিনন্দন: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। 

দলের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সব হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে তফসিল ঘোষণা করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ-সংশয়ের অবসান হলো।

বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ এমপি এক বিবৃতিতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে অভিন্দন জানিয়েছেন।

আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ: তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছিলেন। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তারা আনন্দ মিছিল বের করেন। এসব মিছিল থেকে নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়।

তফসিল ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ আশপাশের এলাকায় সমবেত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সেখানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল করেন। এ সময় একে অন্যকে মিষ্টিমুখও করান তারা। 

সেখানে মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনও আনন্দ মিছিল করে। একই ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় ও এর আশপাশের সড়কেও।

তফসিল ঘোষণা উপলক্ষে যুবলীগ সন্ধ্যায় ধানমণ্ডি বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে সমাবেশ ও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রগতি এগিয়ে নিতে ও সব অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে শপথ নেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, সুব্রত পাল, বদিউল আলম, ফজলুল হক আতিক, কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ইসমাইল হোসেন, মাইনুদ্দিন রানা, রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মুসলিম দেশগুলোর সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

অন্যান্য

বাংলাদেশে নবনিযূক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাওফর বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: পিআইডি

  অনলাইন ডেস্ক

মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের প্রতি জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো সমস্যা থাকলে মুসলিম দেশগুলোকে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। 

তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর একসাথে থাকা উচিত। তাদের মাঝে যদি কোনো সমস্যা থাকে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। খবর বাসস ও ইউএনবির

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাওফর বুধবার প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে শেখ হাসিনা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।

ইরানের জনগণকে সাহসী হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইরানের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হচ্ছে।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অসাধারণ দিকসমূহ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের জীবন-মানের উন্নয়নে তার সরকার কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে এবং তাদের লক্ষ্য নিকট ভবিষ্যতে তা আরও ৪-৫ শতাংশ কমিয়ে আনা।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাফর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে ভূয়সী অভিনন্দন জানান এবং শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন। ইরানের জনগণ তাকে খুবই পছন্দ করে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। 

রেজা নাফর বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে থাকা সুষম নীতি এবং দেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম’


আরও খবর

অন্যান্য

  সমকাল প্রতিবেদক

‘চোর শুধু আমার স্কুটি চুরি করেনি, আমার রুটি-রুজিও নিয়ে গিয়েছিল। স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম।’ স্কুটি ফিরে পাওয়ার পর  বুধবার ‍দুপুরে তেজগাঁও ডিসি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ আক্তার পুতুল এসব কথা বলেন।

স্কুটি পেয়ে সেটি ওড়না দিয়ে মুছতে শুরু করেন বাইকটি। বাইকটি উদ্ধার করে দেওয়ায় তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

স্কুটিটি পেয়ে কেমন লাগছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেমন লাগছে তা বলে বুঝাতে পারব না। চোর শুধু আমার স্কুটি চুরি করেনি, আমার রুটি-রুজিও নিয়ে গিয়েছিল। স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম।

তিনি বলেন, বাইকটি চুরি হওয়ার পর আমার মাও আমাকে বকা দিয়েছে। তিনি আমাকে প্রশ্ন করেছেন, কেন আমি চাবি দিলাম তাকে? আমাকে সবাই অন্য কোনও পেশা খুঁজতেও বলছিল। কিন্তু আমি এটা করতেই পছন্দ করি। কারণ, আমার দুই সন্তানকে বাসায় দেখার কেউ নেই। সন্তানদের বাবাও আমি মাও আমি। আমি সন্তানদের কষ্ট দিতে চাই না।

বুধবার ভোর রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ওই বাইকটি উদ্ধারের পাশাপাশি আটক করা হয়েছে জোবাইদুল (২৬) নামের এক যুবককে।

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে প্রতারণার মাধ্যমে বাইকটি চুরি করে নিয়ে যান ওই যুবক। এ ঘটনায় শাহনাজ আক্তার শেরেবাংলা নগর থানায় অভিযোগ করেন।

স্মার্টফোনের অ্যাপভিত্তিক সেবা উবারের মাধ্যমে প্রায় এক মাস ধরে মোটরবাইক চালাচ্ছেন শাহনাজ আক্তার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরই মধ্যে ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছেন তিনি। শাহনাজের বাইকটি চুরির পর ফেসবুকে অনেককেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দিয়ে স্ট্যাটাস দিতে দেখা গেছে।

পরের
খবর

সাংবাদিক আবু বকর চৌধুরী আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত


আরও খবর

অন্যান্য

আবু বকর চৌধুরী -ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

দৈনিক মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরী আর নেই। তিনি মঙ্গলবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি মা, স্ত্রীসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম এবং জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে বাবার কবরে দাফন করা হয়েছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজা শেষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বিক্রমপুর মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সংঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রয়াতের সহকর্মীরা ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আবু বকর চৌধুরী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণা করেন মানবকণ্ঠের প্রকাশক ও উপদেষ্টা সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী, লুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজের আবু বকর-পরবর্তী নিউজ এডিটর খালেদ ফারুকী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওমর ফারুক, ডিইউজের সহসভাপতি খন্দকার মোজাম্মেল হক, যুগ্ম মহাসচিব আবদুল মজিদ, সমকালের চিফ রিপোর্টার লোটন একরাম প্রমুখ। এ ছাড়া পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রয়াতের ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী।

মঙ্গলবার সকালে সদালাপী এ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল ও তার ধানমণ্ডির বাসভবনে ভিড় জমান সহকর্মী ও স্বজনরা। সেখানে অনেকেই অশ্রুসজল হয়ে পড়েন।

এদিকে আবু বকর চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। এক যৌথ বিবৃতিতে বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল ও মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, 'পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে ধাপে ধাপে তিনি সংবাদপত্রের শীর্ষ পদে আসীন হলেও কখনও আদর্শচ্যুত হননি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আবু বকর চৌধুরী অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে সংগ্রাম চালিয়েছেন আজীবন। তার মৃত্যুতে সংবাদপত্র জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।'

আবু বকর চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ২১ জুন রাজধানী ঢাকার গ্রিন রোডে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে 'সাপ্তাহিক প্রত্যায়ন' পত্রিকায় যোগদানের মধ্য দিয়ে তার সাংবাদিকতা শুরু হয়। পরে তিনি সমকাল, সাপ্তাহিক খবর, আজকের কাগজ, আমাদের সময়, সকালের খবরে কাজ করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর