অন্যান্য

শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট দিনে বই হাতে পাবেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট দিনে বই হাতে পাবেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ -ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এ বছরও ১ জানুয়ারি প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। তারা নির্দিষ্ট দিনে বই হাতে পাবেই। এটি নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মিলনায়তনে এনসিটিবি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের সব সদস্য এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বছরের প্রথম দিনে সব পাঠ্যবই প্রদান করে বিশ্বে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সরকার। গত ১০ বছর ধরে বিনামূল্যে এই বই বিতরণ করা হচ্ছে। এটি দেশে-বিদেশে সর্বত্র প্রশংসিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া অনেক কমেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের বছর হওয়ায় এ বছরটি ব্যতিক্রমী। এ বছরও যাতে জানুয়ারির ১ তারিখে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া যায় সে জন্য আমরা আগে থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছি। সময়মতো বই তৈরি, ছাপানো ও পাঠানো বেশ কঠিন কাজ ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী এনসিটিবি সাফল্যের সঙ্গে তাদের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। 

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এবার প্রায় ৩৬ কোটি পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে ২১ কোটি বই ইতিমধ্যে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। বাকি বইগুলো ডিসেম্বরের ১০ তারিখের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কাজে সবাই সহযোগিতা করবেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মুসলিম দেশগুলোর সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

অন্যান্য

বাংলাদেশে নবনিযূক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাওফর বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: পিআইডি

  অনলাইন ডেস্ক

মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের প্রতি জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো সমস্যা থাকলে মুসলিম দেশগুলোকে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। 

তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহর একসাথে থাকা উচিত। তাদের মাঝে যদি কোনো সমস্যা থাকে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। খবর বাসস ও ইউএনবির

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাওফর বুধবার প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে শেখ হাসিনা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।

ইরানের জনগণকে সাহসী হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইরানের অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হচ্ছে।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অসাধারণ দিকসমূহ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের জীবন-মানের উন্নয়নে তার সরকার কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে এবং তাদের লক্ষ্য নিকট ভবিষ্যতে তা আরও ৪-৫ শতাংশ কমিয়ে আনা।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাফর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে ভূয়সী অভিনন্দন জানান এবং শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন। ইরানের জনগণ তাকে খুবই পছন্দ করে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। 

রেজা নাফর বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে থাকা সুষম নীতি এবং দেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম’


আরও খবর

অন্যান্য

  সমকাল প্রতিবেদক

‘চোর শুধু আমার স্কুটি চুরি করেনি, আমার রুটি-রুজিও নিয়ে গিয়েছিল। স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম।’ স্কুটি ফিরে পাওয়ার পর  বুধবার ‍দুপুরে তেজগাঁও ডিসি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে শাহনাজ আক্তার পুতুল এসব কথা বলেন।

স্কুটি পেয়ে সেটি ওড়না দিয়ে মুছতে শুরু করেন বাইকটি। বাইকটি উদ্ধার করে দেওয়ায় তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

স্কুটিটি পেয়ে কেমন লাগছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেমন লাগছে তা বলে বুঝাতে পারব না। চোর শুধু আমার স্কুটি চুরি করেনি, আমার রুটি-রুজিও নিয়ে গিয়েছিল। স্কুটির সঙ্গে আমার রুটি-রুজিও ফিরে পেলাম।

তিনি বলেন, বাইকটি চুরি হওয়ার পর আমার মাও আমাকে বকা দিয়েছে। তিনি আমাকে প্রশ্ন করেছেন, কেন আমি চাবি দিলাম তাকে? আমাকে সবাই অন্য কোনও পেশা খুঁজতেও বলছিল। কিন্তু আমি এটা করতেই পছন্দ করি। কারণ, আমার দুই সন্তানকে বাসায় দেখার কেউ নেই। সন্তানদের বাবাও আমি মাও আমি। আমি সন্তানদের কষ্ট দিতে চাই না।

বুধবার ভোর রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে ওই বাইকটি উদ্ধারের পাশাপাশি আটক করা হয়েছে জোবাইদুল (২৬) নামের এক যুবককে।

রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে প্রতারণার মাধ্যমে বাইকটি চুরি করে নিয়ে যান ওই যুবক। এ ঘটনায় শাহনাজ আক্তার শেরেবাংলা নগর থানায় অভিযোগ করেন।

স্মার্টফোনের অ্যাপভিত্তিক সেবা উবারের মাধ্যমে প্রায় এক মাস ধরে মোটরবাইক চালাচ্ছেন শাহনাজ আক্তার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরই মধ্যে ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছেন তিনি। শাহনাজের বাইকটি চুরির পর ফেসবুকে অনেককেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দিয়ে স্ট্যাটাস দিতে দেখা গেছে।

পরের
খবর

সাংবাদিক আবু বকর চৌধুরী আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত


আরও খবর

অন্যান্য

আবু বকর চৌধুরী -ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

দৈনিক মানবকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবু বকর চৌধুরী আর নেই। তিনি মঙ্গলবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি মা, স্ত্রীসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম এবং জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে বাবার কবরে দাফন করা হয়েছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজা শেষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বিক্রমপুর মুন্সীগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সংঠনের নেতৃবৃন্দ ও প্রয়াতের সহকর্মীরা ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আবু বকর চৌধুরী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণা করেন মানবকণ্ঠের প্রকাশক ও উপদেষ্টা সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী, লুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজের আবু বকর-পরবর্তী নিউজ এডিটর খালেদ ফারুকী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ওমর ফারুক, ডিইউজের সহসভাপতি খন্দকার মোজাম্মেল হক, যুগ্ম মহাসচিব আবদুল মজিদ, সমকালের চিফ রিপোর্টার লোটন একরাম প্রমুখ। এ ছাড়া পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রয়াতের ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী।

মঙ্গলবার সকালে সদালাপী এ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল ও তার ধানমণ্ডির বাসভবনে ভিড় জমান সহকর্মী ও স্বজনরা। সেখানে অনেকেই অশ্রুসজল হয়ে পড়েন।

এদিকে আবু বকর চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। এক যৌথ বিবৃতিতে বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল ও মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, 'পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে ধাপে ধাপে তিনি সংবাদপত্রের শীর্ষ পদে আসীন হলেও কখনও আদর্শচ্যুত হননি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আবু বকর চৌধুরী অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে সংগ্রাম চালিয়েছেন আজীবন। তার মৃত্যুতে সংবাদপত্র জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।'

আবু বকর চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ২১ জুন রাজধানী ঢাকার গ্রিন রোডে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে 'সাপ্তাহিক প্রত্যায়ন' পত্রিকায় যোগদানের মধ্য দিয়ে তার সাংবাদিকতা শুরু হয়। পরে তিনি সমকাল, সাপ্তাহিক খবর, আজকের কাগজ, আমাদের সময়, সকালের খবরে কাজ করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর