এশিয়া

স্কুলে বহন করতে হবে মাত্র একটি বই, নির্দেশ প্রধান শিক্ষকের

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

স্কুলে বহন করতে হবে মাত্র একটি বই, নির্দেশ প্রধান শিক্ষকের

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বইয়ের চাপ বাড়তে বাড়তে আজকাল শিশুদের নিজেদের ওজনের চেয়ে বেশি ওজনের বই বহন করতে হয় স্কুল ব্যাগে। আমাদের দেশের মতো ভারতের বিভিন্ন স্কুলেও এমন পদ্ধতি বিদ্যমান। অথচ ব্যাগের ওজন কমানোর জন্য নির্দেশ রয়েছে সেখানে। কিন্তু তাতে কোন লাভ হচ্ছে না ,বরং দিন দিনই বাড়ছে স্কুল ব্যাগের ওজন।

সম্প্রতি স্কুল ব্যাগের ওজন কমাতে ভারতের গুজরাট রাজ্যের আনন্দ কুমার খালাস নামের একজন প্রধান শিক্ষক অভিনব এক পদ্ধতি গ্রহণ করলেন। তিনি কাজটি করেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেই। 

প্রধান শিক্ষক আনন্দ ও তার সহকর্মীরা ঠিক করেছেন, প্রতি মাসে স্কুলে শিশুদের যা পড়ানো হবে তার একটা সিলেবাস তারা আগে থেকেই তৈরি করবেন। এর পর সেই সিলেবাস অনুযায়ী সব বই থেকে নির্দিষ্ট বিষয় গুলি কেটে নিয়ে একটি মাত্র আলাদা বই তৈরি করা হবে। এর সঙ্গে থাকবে ক্লাস ওয়ার্কের জন্য আলাদা কিছু সাদা পৃষ্ঠাও। অর্থাৎ একাধিক বইয়ের বদলে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের এখন বহন করতে হবে একটি মাত্র বই। এতে শিক্ষার্থীদের বই বহনের ভার অনেকটা লাঘব হবে। আনন্দের এই পদক্ষেপ অনেককেই আকৃষ্ট করেছে, হয়েছে প্রশংসিতও।  

জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আনন্দ সম্প্রতি তার মেয়েকে স্কুলে দিতে যাওয়ার সময় খেয়াল করেন তার মেয়ের স্কুলের ব্যাগটি অত্যন্ত ভারী। ব্যাগটি বহন করতে মেয়েটির বেশ কষ্ট হচ্ছে। যেহেতু তিনি নিজেও একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাই তিনি বুঝতে পারেন, তার স্কুলের বাচ্চাদেরও নিশ্চয়ই একইরকম কষ্ট হয় বইয়ের ভার বহন করতে গিয়ে। এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে তিনি নিজের স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেখানেই ঠিক হয় এমন অভিনব পদ্ধতি। সূত্র : আনন্দবাজার


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জনগণকে বোকা ভাবা প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ করা উচিত: প্রিয়াঙ্কা


আরও খবর

এশিয়া

ছবি এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

'কংগ্রেসে চলছে বংশ পরম্পরার রাজনীতি'- এ বলেই নিজের ব্লগে প্রকাশিত এক লেখায় সর্বভারতীয় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। এর তড়িৎ জবাব দিলেন কংগ্রেসের উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা। প্রিয়াঙ্কা সোজা বলে দিলেন, 'জনগণকে বোকা না ভাবা প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ করা উচিত।' 

নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘২০১৪ সালে দেশের জনগণ নিশ্চিন্তভাবে বংশ পরম্পরার রাজনীতিকে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু যখনই উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া রাজনীতি শক্তিশালী হয়ে যায়, তখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মক আঘাতের সম্মুখীন হয়। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ক্ষমতার চেয়ে দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে যে সরকার কাজ করে তারাই আসলে ভাল কাজ করে।’

সর্বভারতীয় কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে মোদি আরও লিখেছেন, বংশ পরম্পরার রাজনীতির কারণেই দেশের পার্লামেন্ট, প্রেস, সংবিধান, আদালত ও সশস্ত্র বাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মোদির এসব মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নদীপথে তিনদিনের নির্বাচনী প্রচারণা 'গঙ্গাযত্রা'য় রয়েছেন তিনি। এ কর্মসূচির মধ্যেই ব্লগে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ‘ক্ষমতাশীন দল বিজেপি গত ৫ বছরে দেশের গণমাধ্যমসহ প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানকে বিপদের মুখে ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রীর উচিত জনগণকে আর বোকা না ভাবা।'

প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করেন, যারা ক্ষমতায় অন্ধ থাকেন তারা শুধু অপরের নিন্দাই করতে পারেন। 

মোদিকে উদ্দেশ্য করে প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, 'ক্ষমতার চূড়ায় থাকলে দুটি ভুল ধারণা কাজ করে। প্রথমটি হলো, তারা মনে করে, খুব সহজেই জনগণকে ভুল পথে নেওয়া যায় এবং দ্বিতীয়টি হলো, তারা ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সবাই ভয় পায়।'

মোদির বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘তারা যাই করুক, আমরা ভয় পাই না। যত খুশি আমাদের অপদস্ত করার চেষ্টা করুক, আমরা লড়াই অব্যাহত রাখবো।’

গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ করে মোদি লিখেছেন, ‘১৯৪৭ সালের পর প্রতিটি কংগ্রেস সরকার একাধিক প্রতিরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। জীপ থেকে শুরু করে বন্দুক, সাবমেরিন এবং হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি হয়েছে। আর প্রতিটি চুক্তির ক্ষেত্রে মধ্যস্ততাকারী ছিল একটি পরিবার।'

মোদি বলেন, 'কংগ্রেস দেশের আভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না। আর কেউ দলের প্রধান হওয়ার সাহস দেখালে তাকে কংগ্রেস থেকে বের করে দেওয়া হয়।’

জবাবে প্রিয়াঙ্কা একটি কথাই জোর দিয়ে বলেছেন, তা হলো, 'জনগণকে বোকা ভাবা প্রধানমন্ত্রীর এখন বন্ধ করা উচিত।' সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আজ বারাণসী ঘাটে থামবে প্রিয়াঙ্কার নৌযাত্রা


আরও খবর

এশিয়া

গঙ্গা নদীতে প্রিয়াঙ্কার ১৪০ কিলোমিটার নৌযাত্রা

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে এক অভিনব প্রচার শুরু করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। গঙ্গা নদীতে সোমবার থেকে ১৪০ কিলোমিটার নৌযাত্রা শুরু করেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের এই সাধারণ সম্পাদক। 

ভারতের প্রয়াগরাজ শহরের মানাইয়া ঘাট থেকে তিন দিনের এই নৌযাত্রা আজ বুধবার থামবে নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্র বারাণসীতে।

বারাণসী ঘাটে পৌঁছার আগেই মোদিকে কটাক্ষ করে প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, ৭০ বছর ধরে ভারতে কিছুই হয়নি বলে যে প্রচার, তার মেয়াদ পেরিয়ে গেছে। আর এই পাঁচ বছরে কৃষক হোক কিংবা যুব সমাজ—মোদি সরকারকে নিয়ে খুশি নয় কেউই। এবার তারা সবাই মিলে সরকার পাল্টাবে।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া নৌযাত্রায় একাধিক জায়গায় গিয়ে থামেন প্রিয়াঙ্কা। গঙ্গার ধারে বাস করেন এমন মানুষদের সঙ্গে কথা বলে লোকসভা নির্বাচনে সমর্থন চান তিনি।

নৌপথে প্রিয়াঙ্কার যাত্রা শুরুর পর তার নৌকা যত এগোতে থাকে, ততই নদীর ধারে মানুষের ভিড় বাড়তে দেখা যায়। ভিড়ের মধ্যেই নৌকা থামিয়ে গঙ্গার আশপাশের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রিয়াঙ্কা। জানতে চান, তারা কেমন আছেন। যাত্রা শুরুর পর একে একে দমদমা ঘাট, সিরসা ঘাট, লক্ষ্মগ্রহ ঘাট এবং ভদোহী ঘাটে থামেন তিনি।

নদীর তীরের এলাকাগুলোতে রাজীব কন্যার অভিনব এই প্রচার ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভারতে। তবে অনেকে আবার কটাক্ষ করেছেন। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী বলেন, এতো দিন গঙ্গা, রাম, হনুমান কিংবা গরিবের কথা ওদের মনে ছিল না। আমরাই এ নিয়ে বলতাম। তবে প্রিয়াঙ্কা এখন গরীবদের নিয়েও কথা বলছেন। এর আসল উদ্দেশ্য বুঝতে হবে। গরীবদের নিয়ে উনি মোটেই চিন্তিত নন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ব্রেক-আপ’!


আরও খবর

এশিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ভেঙে যাওয়া-দু’টিই স্বাভাবিক ঘটনা। যে কারও সঙ্গেই এটা ঘটতে পারে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কারও কারও ক্ষেত্রে এই ধাক্কা সমালানোও কঠিন হয়ে পড়ে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই নানা ধরনের পাগলামী করেন। তবে এমন ঘটনার পর শহরময় প্রেমিকার পোস্টার লাগানোর ঘটনা খুব কম লোকই করেন। সম্প্রতি এভাবেই নিজের বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছেন এক প্রেমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। ব্যতিক্রমী ওই প্রেমিক দাবী করেছেন তার প্রেমিকা তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সাধারণত এরকম ঘটনা হলে একজন আরেকজনের সঙ্গে ব্রেক-আপের কথা মুখেই বলে দেন। কেউ বা আবার মেসেজের মাধ্যমে জানান। কিন্তু এই ব্যক্তি এমন কিছু করেননি। তিনি গোটা শহরজুড়ে বিল বোর্ডে প্রেমিকার পোস্টার লাগিয়েছেন। পোস্টার না বলে সেটাকে অনেকে বিজ্ঞাপন বলছেন। কারণ অন্যান্য বিজ্ঞাপনের সঙ্গেই শহরের রাস্তায় রাস্তায় বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে মেয়েটির ছবি। নিচে লেখা, ‘তুমি আমার হৃদয় ভেঙেছ। আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছ। আমি তোমার সঙ্গে ব্রেক-আপ করতে চাই।’

ব্রেক-আপের ছবিগুলো এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ইন্টারনেটে ছবিগুলো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে। 

তবে ওই প্রেমিক শুধু বিলবোর্ড দিয়েই ক্ষান্ত হননি,নিজেদের ব্রেক-আপ নিয়ে একটা ভিডিও তিনি আপলোড করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত সড়কে ঝগড়া করছেন ওই যুবক ও তার প্রেমিকা।

এরই মধ্যে ভিডিওটি একই সঙ্গে টুইটার এবং ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। সূত্র : ইণ্ডিয়া টুডে

সংশ্লিষ্ট খবর