এশিয়া

বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর 'নিখোঁজ' জেমিকে পেয়েছে পুলিশ

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর 'নিখোঁজ' জেমিকে পেয়েছে পুলিশ

জেমি ক্লোস

  অনলাইন ডেস্ক

গত অক্টোবরে যখন বাবা-মা মারা গিয়েছিল তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল মেয়েটি। দম্পতি হত্যাকাণ্ডের নানা রহস্য উন্মোচনে তার দরকার ছিল পুলিশের। তবে এতদিন পর তার খোঁজ মিলেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইস্কন্সিন অঙ্গরাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

পুলিশ বলছে, ৫৬ বছর বয়সী বাবা আর ৪৬ বছর বয়সী মা নিজ বাড়িতে নিহত হওয়ার পর ১৩ বছর বয়সী জেমি ক্লোসের আর খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধারের পরপরই মেয়েটি নিখোঁজ হয়।

তবে বৃহস্পতিবার তার সন্ধান পাওয়া গেছে। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলায় সন্দেহভাজন আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেমির খোঁজ দেওয়ার ব্যাপারে পুলিশ প্রতিজ্ঞা করেছিল জানিয়ে তাকে রাতে ফিরে পাওয়ার কথা বলা হয় পুলিশের বিবৃতিতে।

এর চেয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি পুলিশ। তবে সার্বিক ব্যাপারে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।

বিবিসি জানায়, গত বছরের ১৫ অক্টোবর জরুরি সেবা গ্রহণের নম্বরে কোনও একটি পরিবার থেকে ফোন আসে। ফোনের অপরপ্রান্তে কিছু অস্পষ্ট শব্দ শোনা গেলেও কোনও কথা বলেননি কেউ।

ফোন পাওয়ার চার মিনিটের মাথায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে দম্পতিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ। তবে জেমিকে তখন দেখা যায়নি। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানায় পুলিশ। তাকে খুঁজতে বার্তা পাঠানো কথাও বলা হয়।

বাবা-মাকে হত্যার ঘটনায় জেমির কোনও সম্পৃক্ততা আছে কিনা সে ব্যাপারে এখনও কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ব্রেক-আপ’!


আরও খবর

এশিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ভেঙে যাওয়া-দু’টিই স্বাভাবিক ঘটনা। যে কারও সঙ্গেই এটা ঘটতে পারে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কারও কারও ক্ষেত্রে এই ধাক্কা সমালানোও কঠিন হয়ে পড়ে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই নানা ধরনের পাগলামী করেন। তবে এমন ঘটনার পর শহরময় প্রেমিকার পোস্টার লাগানোর ঘটনা খুব কম লোকই করেন। সম্প্রতি এভাবেই নিজের বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছেন এক প্রেমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। ব্যতিক্রমী ওই প্রেমিক দাবী করেছেন তার প্রেমিকা তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সাধারণত এরকম ঘটনা হলে একজন আরেকজনের সঙ্গে ব্রেক-আপের কথা মুখেই বলে দেন। কেউ বা আবার মেসেজের মাধ্যমে জানান। কিন্তু এই ব্যক্তি এমন কিছু করেননি। তিনি গোটা শহরজুড়ে বিল বোর্ডে প্রেমিকার পোস্টার লাগিয়েছেন। পোস্টার না বলে সেটাকে অনেকে বিজ্ঞাপন বলছেন। কারণ অন্যান্য বিজ্ঞাপনের সঙ্গেই শহরের রাস্তায় রাস্তায় বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে মেয়েটির ছবি। নিচে লেখা, ‘তুমি আমার হৃদয় ভেঙেছ। আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছ। আমি তোমার সঙ্গে ব্রেক-আপ করতে চাই।’

ব্রেক-আপের ছবিগুলো এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ইন্টারনেটে ছবিগুলো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে। 

তবে ওই প্রেমিক শুধু বিলবোর্ড দিয়েই ক্ষান্ত হননি,নিজেদের ব্রেক-আপ নিয়ে একটা ভিডিও তিনি আপলোড করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত সড়কে ঝগড়া করছেন ওই যুবক ও তার প্রেমিকা।

এরই মধ্যে ভিডিওটি একই সঙ্গে টুইটার এবং ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। সূত্র : ইণ্ডিয়া টুডে

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের ৫ জন ভারতের


আরও খবর

এশিয়া

হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন -সংগৃহীত

  অনলাইন ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে ভয়াবহ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচ ভারতীয় রয়েছেন বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডে ভারতীয় হাইকমিশন।

রোববার এক টুইট বর্তায় হাইকমিশন বলে, ‘খুব দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, ক্রাইস্টচার্চে জঙ্গি হামলার ঘটনায় আমরা পাঁচ ভারতীয়কে হারিয়েছি।’

এর আগে শনিবার ভারতের হাই কমিশন টুইট করে জানিয়েছিল, দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূতসহ যে ৯ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন তাদের সন্ধান চালছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এ বিষয়ে।

হাইকমিশন নিহত ভারতীয়দের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। তারা হলেন- মেহবুব খোকার, রামিজ ভোরা, আসিফ ভোরা, আন্সি আলিভাবা এবং ওজাইর কাদির।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওজাইর কাদির (২৫) হায়দরাবাদের বাসিন্দা। পড়াশোনার জন্য নিউজিল্যান্ডে গিয়েছিলেন তিনি। কেরলের বাসিন্দা আন্সি আলিভাবা(২৫) লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ছাত্রী। গুজরাটের ভদোদরার বাসিন্দা রামিজ ভোরা ও আরিফ ভোরা। তারা সম্পর্কে বাবা-ছেলে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তারা। পরে তাদের মৃত্যু হয়। মেহবুব খোকার(৬৩) আমদাবাদের বাসিন্দা।

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু'টি মসজিদে বন্দুকধারী সন্ত্রাসী ব্রেনটন টারান্টের হামলায় ৫০ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন। এখনও ৩৪ জনকে ক্রাইস্টচার্চ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে ১২ জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে আল নূর মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়া মুসল্লিদের ওপর প্রথমে হামলা চালানো হয়। এর একটু পরে লিনউড মসজিদে দ্বিতীয় হামলা হয়। ফেসবুকে লাইভে গিয়ে আল নূর মসজিদে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলা চালান ব্রেনটন। ওই মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন নিউজিল্যান্ড সফরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। কয়েক মিনিটের জন্য তারা প্রাণে বেঁচে যান।

এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ব্রেনটনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে শনিবার ক্রাইস্টচার্চ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের নাম উল্লেখ করে ব্রেনটনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি অভিযোগ আনার প্রস্তুতি চলছে। ব্রেনটনকে শনিবার যখন আদালতে হাজির করা হয়, তখন তার পরনে ছিল বন্দীদের সাদা পোশাক। হাতে হাতকড়া। পা ছিল খালি। তিনি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসছিলেন।  

পরের
খবর

স্ত্রীর ভালোবাসার পরীক্ষা নিতে জীবন বাজি যুবকের!


আরও খবর

এশিয়া

ব্যস্ত রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে ওই দম্পতি -ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভালোবাসার প্রমাণ দিতে নিজের রক্ত দিয়ে চিঠি লেখা, দেশ-পরিবার ত্যাগ কিংবা বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু ভালোবাসার পরীক্ষা নিতে নিজের জীবন রাখার ঘটনা সম্ভবত কেউ শুনেননি। তবে এমনই একটি ঘটনার জন্ম দিয়ে খবরের শিরোনামে এসেছেন চীনের এক যুবক। 

সংবাদ প্রতিদিনের এক খবরে জানানো হয়েছে, স্ত্রীর প্রতি ওই যুবকের ভালোবাসা পরিমাপের সব একককে ছাপিয়ে যায়। কিন্তু স্ত্রী কি তাকে ততটাই ভালোবাসে? সেই পরীক্ষা করতেই নিজের প্রাণ বাজি রেখেছেন তিনি। চীনের ঝেনজিয়াং প্রদেশের জিনহুয়ার ওই ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতের ব্যস্ত রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন এক যুবক। আর তাকে রাস্তার ধারে সরিয়ে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা করছেন এক তরুণী। 

পরে জানা যায়, তারা দুজন স্বামী-স্ত্রী। ওই তরুণীই সেই পরীক্ষার্থী। ঘটনার সময় ওই যুবক মদ্যপ ছিলেন। তবে কঠিন এই প্রেমের পরীক্ষায় পাশ করলেও লেটার মার্ক পাননি তরুণী। কারণ স্বামীকে প্রাণে বাঁচালেও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারেননি ওই তরুণী। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ওই তরণীকে ঝউ ও যুবককে পান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঝউ ওই তরুণীর স্বামীর পদবী।

স্থানীয়রা গণমাধ্যকে জানায়, ওই যুবক মদ্যপ। মদপান করে স্ত্রীর কাছে প্রেমের প্রমাণ দিতে ও নিতে প্রায়ই নানা অভিনব উপায় বের করত ওই যুবক। স্বামীর এসব কাজে বিরক্ত হলেও প্রেমের টানেই তাকে ছেড়ে যেতে পারেননি তার স্ত্রী। তাই বারবারই নানাভাবে স্বামীর প্রতি নিজের ভালোবাসার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে ধাপে ধাপে কঠিন হয়েছে সেই পরীক্ষা। আর এবারের পরীক্ষা ছিল অগ্নিপরীক্ষার মতোই কঠিন। কারণ রাতের ব্যস্ত রাস্তায় হু হু করে চলছে গাড়ি। সেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকায় দু’জনেরই প্রাণের ঝুঁকি ছিল। কিন্তু তারপরও মদ্যপ স্বামীকে ছেড়ে যাননি স্ত্রী। দু’জনের ধস্তাধস্তির মধ্যেই দ্রুতগামী একটি ভ্যান ধাক্কা মারে যুবককে। অল্পের জন্য গাড়ির ধাক্কা থেকে বাঁচলেও টাল রাখতে না পেরে পথের পাশের রেলিংয়ে আছড়ে পড়েন তরুণী। কয়েক মূহূর্ত পর ফের ক্যামেরায় ধরা পড়েন তিনি। দেখা যায়, স্বামীকে উদ্ধার করতে তিনি রাস্তা ধরে ছুটছেন। পরে একটি গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাতে আহত স্বামীকে তুলে হাসপাতালে যান ঝউ।

হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন মদ্যপ ওই যুবক। তার মাথায় ও বুকের হাড়ে আঘাত লেগেছে। 

এদিকে ভিডিওটি দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই পুলিশকে ওই যুবক জানিয়েছেন, স্ত্রীর ভালোবাসা পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন তিনি। তার দাবি, প্রকৃত ভালোবাসলে স্ত্রী তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনবেই বলে বিশ্বাস ছিল। আর স্ত্রী ভালো না বাসলে বাঁচার কোনও ইচ্ছেও তার ছিল না।