এশিয়া

জেল থেকে ছাড়া পেলেন আসিয়া বিবি

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

জেল থেকে ছাড়া পেলেন আসিয়া বিবি

  অনলাইন ডেস্ক

পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খ্রিস্টান নারী আসিয়া বিবি জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার মুলতান শহরের জেল থেকে আসিয়াকে মু্ক্তি দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসির

২০১০ সালে পাকিস্তানের ধর্ম অবমাননা সংক্রান্ত আইনে দেশটির প্রথম নারী হিসেবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। গত মাসের শেষ দিকে আসিয়া বিবির মৃত্যুদণ্ডের রায় বদলে তাকে খালাস দিয়েছিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।

এ রায়ের পরই বিক্ষোভে নামেন পাক কট্টরপন্থীরা। তাতে নেতৃত্ব দেয় ইমরানের জোট সরকারের সঙ্গী তেহরিক ই লাবাইক। বিচারপতি, আইনজীবী ও আসিয়ার ফাঁসির দাবিতে তাদের আন্দোলনে অচল হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। 

আসিয়ার মুক্তির খবরে ফের নতুন করে অচল হওয়ার মুখে পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই ইমরানের জোটসঙ্গী তেহরিক ই লাবাইকের তরফে জানানো হয়েছে, আসিফাকে মুক্তি দিয়ে চুক্তিভঙ্গ করেছে পাক সরকার। এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেই শক্তি প্রদর্শন করা হবে। 

বিবিসি জানায়, ৪৭ বছর বয়সী খামার শ্রমিক আসিয়া তিন সন্তানের জননী। ২০০৯ সালে খামারে কাজ করার সময় এক গরমের দিনে মুসলিম শ্রমিকদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে পানি পান করেন। আর এ কারণে মুসলিম সহকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। 

তারা দাবি করেন, আসিয়া যেহেতু মুসলিম নন, সেক্ষেত্রে গ্লাসটি ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে, সেটি আর ব্যবহার করা যাবে না। এ কারণে আসিয়াকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার দাবি জানান তারা। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেন আসিয়া। সে সময় তাদের মাঝে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

পরে মুসলিম শ্রমিকরা দাবি করেন, আসিয়া বিবি নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তবে আসিয়া বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের কথা স্বীকার করলেও; তিনি দাবি করেন ধর্ম অবমাননাকর কিছু বলেননি।

২০১০ সালে পাকিস্তানের ধর্ম অবমাননা সংক্রান্ত আইনে দেশটির প্রথম নারী হিসেবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়।  এমনকি পাকিস্তানেও তার পক্ষে দাঁড়ান অনেকে। তবে এদের মধ্যে অন্তত দুই জনকে তাদের অবস্থানের কারণে প্রাণ দিতে হয়। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

৭শ' সঙ্গীসহ সীমান্তে লড়তে চান ভারতের সাবেক দস্যু


আরও খবর

এশিয়া

  কলকাতা প্রতিনিধি

মোদি সরকার অনুমতি দিলে তার আত্মসমর্পণকারী ৭০০ সঙ্গী নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চান এক সময়ের ত্রাস দুস্য সর্দার মালখান সিং।

একটা সময় ছিল যখন ভারতজুড়ে প্রভাব ছিল তার। আত্মমর্পণ করে দুস্য জীবন ছেড়ে দিলেও প্রবীণ এ ব্যক্তির বক্তব্যে যেন আবারও ফিরে এলো সেই রুপ।

দুস্য না হলেও এখন তিনি শুধুই একজন ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু জঙ্গি হামলায় নিহত সেনাদের শোকার্ত মালখানের বুকে জ্বলে ওঠেছে ফের প্রতিশোধের আগুন।

শহীদদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কানপুরে গিয়েছিলেন তিনি। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন,‘ পুলওয়ামাতে বীর সেরাদের শহিদ হওয়ার খবর শোনার পর থেকেই আমার শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটছে। এ ঘটনার বদলা নিতেই হবে।’

যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,‘ আমার কাছে ৭০০ দস্যু সাথী আছে। যদি মোদি সরকার চায়, তাহলে আমরা দেশের জন্য বিনা পারিশ্রমিকে সীমান্তে গিয়ে যুদ্ধ করব। প্রয়োজনে আমরা মরার জন্য তৈরি। আমি বোকা নই। আমি ১৫ বছর ধরে চম্বলে কাঁথা বিক্রি করিনি। যা হবে দেখা যাবে। আমার পরিকল্পনা একদম সঠিক হবে। তাই আমি চাই আমাদের সীমান্তে পাঠানো হোক।’

তিনি বলেন ,‘নির্বাচন আসবে যাবে, এই হামলার বদলা অবশ্যই নিতে হবে। এটা আমাদের দেশের বিষয়, কোন রাজনৈতিক দলের সমস্য না। যদি এই ঘটনার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়। তাহলে  কেই আর রাজনীতিতে বিশ্বাস করবে না। দেশের সব দলের নেতা সংসদে বসে এ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পকিস্তানকে ঘরে ঢুকে ওদের ধ্বংস করার সময় এসেছে।’

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...


আরও খবর

এশিয়া
১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

শপিংমলে প্রায়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য পণ্যের ওপর মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ভারতের তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের একটি শপিংমলে ছাড়ে শাড়ি কিনতে গিয়ে সেখানে ঘটেছে রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড!

এনডিটিভি জানায়, হায়দরাবাদের সিএমআর নামক একটি শপিং মলে ১০ টাকায় শাড়ি বিক্রি হচ্ছে এমন খবর শুনে ওই মলে ভিড় জমায় নারীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভির এমন পর্যায়ে ঠেকে যে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। 

জানা যায়, আচমকা ৪০০ জন নারী ওই মলে ঢুকে পড়লে  সেখানে অপ্রিতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি  শুরু হয়। এ ঘটনায় আহত হন অনেকে। এই্ অপ্রিতকর মুহূর্তের ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

এক নারী জানান, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেখানে আসা নারীদের অনেক মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে চোরেরা। 

পুলিশ জানায়, হঠাৎ করে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায়, সেই সময়ই এক মহিলা পড়ে যান। বাকি নারীরা ছুটে গিয়ে ওই দোকানের শাটার ভেঙে দেন। তিনজন মহিলা আহত হন। মলের অন্যান্য দোকানের কর্মীরাও এমন ঘটনা আশা করেননি।

স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় ওই মলের ম্যানেজারকে আটক করেছে।

পরের
খবর

ভারতের কাছে প্রমাণ চাইছে পাকিস্তান


আরও খবর

এশিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে দায়ী করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

মঙ্গলবার এক টেলিভিশন বক্তৃতায় ওই হামলার জন্য পাকিস্তান জড়িত বলে ভারত যে অভিযোগ তুলেছে তিনি তার 'প্রমাণ দেখাতে বলেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় দেশটির কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) ৪০ সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাশ্মিরের নাগরিকদের হেনস্থা, তাদের উপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে এসেছে। পুলওয়ামা-কাণ্ড ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ফের জটিল করে তুলেছে।

পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার নিয়েছে। তবে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য আসেনি এ ব্যাপারে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মুখে খোলেন ইমরান খান।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও তথ্য প্রমাণ ছাড়া ভারতে এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা বন্ধ করতে হবে। যদি তাদের কাছে এ হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার প্রমাণ থাকে তবে সেগুলো তারা আমাদের কাছে উপস্থাপন করুক। ভারত যদি আক্রমণ করে তবে পাকিস্তানও পাল্টা প্রতিশোধ নেবে।

পরষ্পরকে দোষারোপ করা বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইমরান খান বলেন, একমাত্র দুইপক্ষের আলোচানই পারে এর সমাধান করতে।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, পুলওয়ামা-কাণ্ড বুঝিয়ে দিয়েছে আলোচনার রাস্তা বন্ধ। সন্ত্রাসবাদী ও তার মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্বশক্তিকে এখন একজোট হতে হবে।

এরপরই বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা হতে থাকে আরও। মঙ্গলবার জঙ্গিদের পাশাপাশি কাশ্মীরের সাধারণ নাগরিকদেরও কঠোর বার্তা দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। কাশ্মীরে কেউ অস্ত্র হাতে তুলে নিলেই তাকে গুলি করা হবে এমন নির্দেশ দেয় তারা।

এমন পরিস্থিতিতে অবশেষে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে হামলা ও দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক সমস্যা নিয়ে কথা বললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
 

সংশ্লিষ্ট খবর