আফ্রিকা

নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় নিহত ৫৫

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় গত তিনদিনে অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্টের বরাত দিয়ে রোববার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে কাদুনা প্রদেশে কাসুয়ান মাগানি শহরে অল্পবয়সী খ্রিষ্টান ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, গত বৃহস্পতবিার একটি বাজারে ঝগড়া থেকে সূত্রপাত হওয়া সাম্প্রদায়িতক সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছে।

প্রাদেশিক পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এছাড়া নতুন করে সহিংসতা এড়াতে কর্তৃপক্ষ শহরটিতে কারফিউ জারি করেছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কঙ্গোতে ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে


আরও খবর

আফ্রিকা

গত আগস্টে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কঙ্গোতে ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়— ফাইল ছবি/রয়টার্স

  অনলাইন ডেস্ক

গত আগস্টে নতুন করে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে এ পর্যন্ত কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য আছে। গত আগস্টে নতুন করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে ২৯১ জন এতে আক্রান্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে ইবোলায় আক্রান্তদের অর্ধেক কঙ্গোর নর্থ কিভু অঞ্চলের বেনি শহরের বাসিন্দা। শহরটিতে ৮ লাখ লোকের বসবাস।

নতুন করে কঙ্গোতে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বিভাগের পক্ষ থেকে সেখানে সক্রিয় সশস্ত্র বাহিনীগুলোকে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়।

কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা জানান, ইবোলা ঠেকাতে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের বিভিন্ন স্থানে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এমনকি তাদের ওপর শারীরিকভাবে হামলাও করা হচ্ছে। এছাড়া অনেক স্থানে তাদের সরঞ্জাম ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অপহরণও করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, 'এমনকি হামলা চালিয়ে আমাদের র‌্যাপিড রেসপন্স মেডিকেল ইউনিটের দুই সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।'

প্রসঙ্গত ১৯৭৬ সালে কঙ্গোতে প্রথম ইবোলা ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। সর্বশেষ গত আগস্টে দশমবারের মতো সেখানে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

পরের
খবর

বর্ণবাদের অভিযোগে স্থগিত গান্ধীর মূর্তি নির্মাণ


আরও খবর

আফ্রিকা

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী- ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

আফ্রিকার দেশ মালাওইতে ভারতের স্বাধীনতার জনক মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। 

'গান্ধী মাস্ট ফল' নামের একটি আন্দোলনকারী সংগঠন সম্প্রতি মালাওই আদালতে এক আবেদনে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, 'কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে আমরা বলতে পারি এই ধরনের বাক্য ব্যবহারে গান্ধীর প্রতি ঘৃণা এবং বিরাগ প্রকাশিত হচ্ছে।'

এরপর আদালত ওই মূর্তি নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ভারতের সাথে এক কোটি ডলারের এক নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গান্ধী মূর্তি তৈরির কথা ছিল।

বিবিসি জানায়, এই চুক্তি অনুযায়ী, মালওইর বাণিজ্যিক রাজধানী ব্ল্যানটায়ারে একটি কনভেনশন সেন্টারের নামকরণ হওয়ার কথা ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ঐ নেতার নামে।

ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ভেংকাইয়া নাইডুর এই সেন্টার এবং মূর্তির উদ্বোধন করার কথা ছিল।

কী বলেছেন গান্ধী?

গান্ধী ভারতের স্বাধীনতার নায়ক হলেও আফ্রিকায় তার ২০ বছর ব্যাপী জীবনের নানা দিক নিয়ে সমস্যা রয়েছে। এই মূর্তি নির্মাণে জনগণের কোন উপকার হবে না বলে যুক্তি দেখিয়ে ৩০০০ মালাওইয়ান এক আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন।

গান্ধীর বর্ণবাদী পরিচয় তুলে ধরে দু'বছর আগে ঘানার দুই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক তাদের ক্যাম্পাস থেকে গান্ধী মূর্তি সরিয়ে নেয়ার ডাক দেন।

ভারতের জাতির পিতার লেখা থেকে প্রমাণ তুলে ধরে তারা বলেন, গান্ধী আফ্রিকানদের 'বর্বর অথবা আফ্রিকার আদিবাসী' এবং 'কাফির' বলে বর্ণনা করেছেন।

আগে কাফির শব্দটি কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের প্রতি বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ব্যবহার করা হতো।

আফ্রিকা জুড়ে বিক্ষোভ

২০১৫ সালে এক ব্যক্তি দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি গান্ধী মূর্তির ওপর সাদা রঙ ঢেলে দিয়েছিল।তবে আফ্রিকায় শুধু গান্ধীর মূর্তি নিয়েই প্রতিবাদ হয়নি।

ছাত্র বিক্ষোভের মুখে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউন বিশ্ববিদ্যালয় ১৯ শতকের ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী সিসিল রোডসের একটি মূর্তি সরিয়ে নেয়।

বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, মূর্তিটির মারাত্মক প্রতীকী শক্তি রয়েছে এবং এর মাধ্যমে এমন একজনের গৌরবগাঁথা তুলে ধরা হয়েছে যিনি কৃষ্ণাঙ্গদের শোষণ করেছেন এবং তাদের জমি কেড়ে নিয়েছেন।'